<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788</id><updated>2012-01-27T13:23:52.404+06:00</updated><category term='ইসলামে নারী'/><category term='বাস্তবতা'/><category term='ধর্মীয়নেতা'/><category term='ড্যানিয়েল ডেনেট'/><category term='খবর ও তথ্য'/><category term='হুমাযূন আজাদ'/><category term='ইবনে ওয়ারাক'/><category term='ঘোষণা'/><category term='অগ্নি বই'/><category term='আলোচনা'/><category term='আত্মকথা'/><category term='আয়ান হারসি আলি'/><category term='ক্রিস্টোফার হিচেনস'/><category term='স্যাম হ্যারিস'/><category term='রিচার্ড ডকিন্স'/><category term='ইসলামে যৌনতা'/><category term='আবুল কাশেম'/><title type='text'>অগ্নিসেতু</title><subtitle type='html'></subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><link rel='next' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default?start-index=101&amp;max-results=100'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>117</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-5352717068243074787</id><published>2010-11-23T00:55:00.001+06:00</published><updated>2010-11-23T00:55:57.791+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর ও তথ্য'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ধর্মীয়নেতা'/><title type='text'>রানীনগরে ইমামের কাণ্ড!</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;রানীনগরে ইমামের কাণ্ড!&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;নওগাঁ প্রতিনিধি&lt;br /&gt;রানীনগর উপজেলার পারইল গ্রামের জামে মসজিদের ইমাম হেলাল জোয়ারদার বিষ প্রয়োগ করে দু'শতাধিক কবুতর মেরে ফেলেছে। এ ব্যাপারে পারইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মজিবর রহমানের কাছে অভিযোগ করেও কোনো বিচার পাননি কবুতর মালিকরা। মসজিদের ইমামের অমানবিক আচরণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন কবুতর মালিকসহ এলাকাবাসী।&lt;br /&gt;উপজেলার পারইল গ্রামের বীরবল জোয়ারদারের ছেলে হেলাল জোয়ারদার ক্ষেতে সরিষা বপন করেন। এরপর ওই ক্ষেতে কবুতর পড়তে শুরু করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ক্ষেত মালিক ইমাম হেলাল জোয়ারদার। তিনি সোমবার সরিষার সঙ্গে বিষ মিশিয়ে ফের জমিতে বপন করেন। কিন্তু এ ব্যাপারে কাউকে অবহিত করেননি এবং বিষ প্রয়োগ সংক্রান্ত কোনো চিহ্ন বা লাল পতাকা দিয়ে শনাক্ত করেননি জমিটি। ফলে এলাকার গৌড় চন্দ্র, গোপাল চন্দ্র, মঞ্জুর, হেলাল উদ্দিনসহ অন্য কৃষকদের দু'শতাধিক কবুতর ওই বিষ মাখানো সরিষা খেয়ে মারা যায়। মসজিদের ইমাম হেলাল তার সরিষা ক্ষেতে বিষ প্রয়োগের কথা স্বীকার করেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষাণী তানজিলা বলেন, মারা যাওয়া প্রতিটি মা কবুতরেরই বাসায় বাচ্চা রয়েছে, সেগুলো বাঁচানো যাচ্ছে না। ইতিমধ্যেই, ওইসব কৃষকের কবুতরের বাসায় থাকা প্রায় ১৫ জোড়া বাচ্চা মারা গেছে। এলাকার বিক্ষুব্ধ কৃষকসহ সচেতন মহল ওই ইমামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পারইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজিবর রহমান বলেন, বস্তাভর্তি মৃত কবুতর নিয়ে মালিকরা তার কাছে এসেছিলেন। তিনি তাদের আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right; font-style: italic;"&gt;সূত্র: সমকাল, ২২/১১/১০, &lt;a href="http://samakal.com.bd/details.php?news=16&amp;amp;action=main&amp;amp;menu_type=&amp;amp;option=single&amp;amp;news_id=110043&amp;amp;pub_no=520&amp;amp;type="&gt;লিংক&lt;/a&gt;।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-5352717068243074787?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/5352717068243074787/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/11/blog-post_23.html#comment-form' title='6 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5352717068243074787'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5352717068243074787'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/11/blog-post_23.html' title='রানীনগরে ইমামের কাণ্ড!'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>6</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-5535373745944728497</id><published>2010-11-23T00:34:00.005+06:00</published><updated>2010-11-23T00:54:56.794+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর ও তথ্য'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ঘোষণা'/><title type='text'>'ধর্মীয় নেতা' নামে নতুন বিষয়ে পোস্ট করা শুরু হল</title><content type='html'>ধর্মীয় শিক্ষা যে নীতিশিক্ষার পরিপূরক নয়, তা সকলকে জানাতে বাংলাদেশী ধর্মীয় নেতা, পণ্ডিত ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড 'অগ্নিসেতু' ব্লগে প্রকাশ করা শুরু করলাম। মসজিদের ইমাম, মাদ্রাসার শিক্ষক, ইসলাম-হিন্দু-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ ধর্মপ্রচারক, জামায়াত নেতা প্রমুখ সামাজিকভাবে সম্মানিত ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের নীতিবোধের মাত্রাও বুঝতে চাওয়া একটি কারণ। আমরা সাধারণ মানুষ এই জাতীয় ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে যা ভাবি, যা কল্পনা করি, বাস্তবতা কিরকম, তা জানা যাবে এই পোস্টগুলি থেকে।  এই পোস্টগুলি প্রকাশিত হবে 'ধর্মীয়নেতা' নামে বিষয়তালিকায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উল্লেখ্য যে, আমি সাধারণভাবে দেশীয় ধর্মনেতাদের বিভিন্ন কীর্তি পত্রিকা থেকে সরাসরি কপিপেস্ট করবো। বিদেশী আলোচিত ঘটনাও গুরুত্বভেদে স্থান পেতে পারে। আজ সমকাল পত্রিকায় প্রকাশিত  'রানীনগরে ইমামের কাণ্ড!' শীর্ষক একটি খবর দিয়ে এই ক্যাটাগরিটি চালু করলাম। খবরটি পড়তে পরের পৃষ্ঠায় এগিয়ে যান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উল্লেখ্য যে, চোখ এড়িয়ে যাওয়া প্রকাশ করা হয়নি- এমন কিংবা আপনি প্রকাশযোগ্য মনে করছেন, এমন খবরগুলোর লিংক মন্তব্য আকারে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি। এইসব ব্যক্তিদের অপকর্মগুলোকে প্রকাশ এবং প্রচার করুন। এদেরকে লুকিয়ে থাকতে দিবেন না। বাংলাদেশকে তথা তরুণ সমাজকে মননশীল, মানবিক করে গড়ে তোলায় সক্রিয় সহযোগিতা করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধন্যবাদ&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-5535373745944728497?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/5535373745944728497/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/11/blog-post.html#comment-form' title='4 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5535373745944728497'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5535373745944728497'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/11/blog-post.html' title='&apos;ধর্মীয় নেতা&apos; নামে নতুন বিষয়ে পোস্ট করা শুরু হল'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-7061453253229951524</id><published>2010-10-25T00:05:00.004+06:00</published><updated>2010-10-25T00:12:11.321+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='হুমাযূন আজাদ'/><title type='text'>প্রার্থনালয়-হুমাযূন আজাদ</title><content type='html'>প্রিয় লেখক হুমাযূন আজাদ এর&lt;span style="font-weight: bold;"&gt; "প্রার্থনালয়"&lt;/span&gt; নামক কবিতাটি প্রকাশ করার লোভ সামলানো গেল না।&lt;br /&gt;&lt;blockquote&gt;ছেলেবেলায় আমি যেখানে খেলতাম&lt;br /&gt;তিরিশ বছর পর গিয়ে দেখি সেখানে একটি মসজিদ উঠেছে।&lt;br /&gt;আমি জানতে চাই ছেলেরা এখন খেলে কোথায়?&lt;br /&gt;তারা বলে ছেলেরা এখন খেলে না, মসজিদে পাঁচবেলা নামাজ পড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় বুড়িগঙ্গার ধারে বেড়াতে গিয়ে&lt;br /&gt;যেখানে একঘন্টা পরস্পরের দিকে নিষ্পলক তাকিয়ে ছিলাম আমি আর মরিয়ম,&lt;br /&gt;গিয়ে দেখি সৌদি সাহায্যে সেখানে একটা লাল ইটের মসজিদ উঠেছে।&lt;br /&gt;কোথাও নিষ্পলক দৃষ্টি নেই চারদিকে জোব্বা আর আলখাল্লা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পঁচিশ বছর আগে বোম্বাই সমুদ্রপারে এক সেমিনারে গিয়ে&lt;br /&gt;যেখানে আমরা সারারাত নেচেছিলাম আর পান করেছিলাম আর নেচেছিলাম,&lt;br /&gt;১৯৯৫-এ গিয়ে দেখি সেখানে এক মস্ত মন্দির উঠেছে।&lt;br /&gt;দিকে দিকে নগ্ন সন্ন্যাসী, রাম আর সীতা, সংখ্যাহীন হনুমান;&lt;br /&gt;নাচ আর পান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফার্থ অফ ফোর্থের তীরের বনভূমিতে যেখানে সুজ্যান আমাকে&lt;br /&gt;জড়িয়ে ধ’রে বাড়িয়ে দিয়েছিলো লাল ঠোঁট,&lt;br /&gt;সেখানে গিয়ে দেখি মাথা তুলেছে এক গগনভেদি গির্জা।&lt;br /&gt;বনভূমি ঢেকে আকাশ থেকে মাটি পর্যন্ত ঝুলছে এ ক্রুদ্ধ ক্রুশকাঠ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি জিজ্ঞেস করি কেনো দিকে দিকে এতো প্রার্থনালয়?&lt;br /&gt;কেনো খেলার মাঠ নেই গ্রামে?&lt;br /&gt;কেনো নদীর ধারে নিষ্পলক পরস্পরের দিকে তাকিয়ে থাকার স্থান নেই?&lt;br /&gt;কেনো জায়গা নেই পরস্পরকে জড়িয়ে ধ’রে চুম্বনের?&lt;br /&gt;কেনো জায়গা নেই নাচ আর পানের?&lt;br /&gt;তারা বলে পৃথিবী ভ’রে গেছে পাপে, আসমান থেকে জমিন ছেয়ে গেছে গুনাহ্য়&lt;br /&gt;তাই আমাদের একমাত্র কাজ এখন শুধুই প্রার্থনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চারদিকে তাকিয়ে আমি অজস্র শক্তিশালী মুখমণ্ডল দেখতে পাই,&lt;br /&gt;তখন আর একথা অস্বীকার করতে পারিনা।&lt;/blockquote&gt;&lt;br /&gt;-হুমায়ুন আজাদ, কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু, ঢাকা, ১৯৯৮, আগামী প্রকাশনী&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-7061453253229951524?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/7061453253229951524/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/10/blog-post.html#comment-form' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/7061453253229951524'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/7061453253229951524'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/10/blog-post.html' title='প্রার্থনালয়-হুমাযূন আজাদ'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-6666649857408370954</id><published>2010-09-14T15:27:00.000+06:00</published><updated>2010-09-14T15:27:00.296+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৪৭</title><content type='html'>ইসলামপুর্ব এবং ইসলাম পরবর্তী আমলে অমানবিক যৌন-দাসত্ব প্রথা প্রচলিত ছিল। এই প্রথাকে ইসলাম সমর্থন করে এবং ইসলামের  মহা-মনিষীরা তাদের জীবনে তা নিষ্ঠার সাথে পালন করে গেছেন।  কিন্তু মুশকিল হলো এই যে আধুনিক ইসলামপন্থীরা এই সত্যটা স্বীকার করতে চান না। তারা খোড়া যুক্তি দেখিয়ে প্রমান করতে চান যে- ইসলাম দাসীদের সাথে সহবাসের অনুমতি দিয়েছে ঠিকই, তবে সহবাসের আগে দাসীটিকে বিয়ে করে নিতে হবে। তাদের এই যুক্তি যে নেহায়েতই খোড়া যুক্তি এবং আসল সত্যকে আড়াল করার অপপ্রয়াস, আশা করি ইসলামী শাস্ত্র ঘেটে আমি এতক্ষনে তা প্রমাণ করতে পেরেছি। ক্রীতদাসী এবং স্ত্রী যে সম্পুর্ণ ভিন্ন ভিন্ন দুটি প্রজাতি, আশা করি পাঠক পাঠিকরা তা ভালভাবেই অনুধাবন করতে পেরেছেন। আমি এখন শেষ তথ্যটি পেশ করে প্রসঙ্গটির এখানেই ইতি টানতে চাই। আসল সত্য এই যে একজন মুসলমান বাজার থেকে ক্রীতদাসী ক্রয় করে তার সাথে সেক্স করতে পারে, তবে তাকে বিয়ে করতে পারে না! নিজের ক্রীতদাসীকে বিয়ে করা সম্পুর্ণভাবে নিষিদ্ধ! বিশ্বাস হচ্ছে না তো? তাহলে হেদাইয়া বর্ণিত নীচের আইনটি পড়ে নিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিজের ক্রীতদাসীর সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ, তবে সেক্স করা জায়েজ---(প্রাগুক্ত-পৃ-৩১৭)।&lt;br /&gt;আইনের দৃষ্টিতে বিবাহের অযোগ্যতাঃ&lt;br /&gt;বিবাহের ক্ষেত্রে নয়টি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, যথা:-&lt;br /&gt;...........&lt;br /&gt;(৮)- এমন স্ত্রীলোক যে সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত (prohibited by reason property), তার সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ। যথা- নিজের ক্রীতদাসীর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া অবৈধ (অপরের মালিকানাধীন দাসীকে বিবাহ করা বৈধ)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;রেফারেন্সসমুহঃ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt; দ্য হলি কোরাণ; অনুবাদ- আঃ ইউসুফ আলী, পিক্থল, শাকির।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সহি বুখারি; অনুবাদ- ডঃ মোহম্মদ মহসিন খান।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সহি মুসলিম; অনুবাদ- আব্দুর রহমান সিদ্দিকী।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সুনান আবু দাউদ; অনুবাদ- প্রফেসর আহম্মদ হাসান।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ইমাম মালিক রচিত মুয়াত্তা; অনুবাদ- আ’শা আব্দুর রহমান এবং ইয়াকুব জনসন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ডিকসনারি অব ইসলাম-১৯৯৪, গ্রন্থকার- টি.পি.হাফস।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ইমাম গাজ্জালির ইয়াহ্ আল উলুমেদ্দিন (আব্দেল সালাম হারুন কর্তৃক সংক্ষেপিত-১৯৯৭); ডঃ আহম্মদ এ. জিদান কর্তৃক সংশোধিত এবং অনুদিত।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;রিলাইয়ান্স অব দ্য ট্র্যাভেলার (সংক্ষিপ্ত সংস্করণ)-১৯৯৯, গ্রন্থকার- আহম্মদ ইবনে নাগিব আল মিসরি, সংকলক- নুহ হা মিম কেলার।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;শারিয়া দ্য ইসলামিক ল’-১৯৯৮, গ্রন্থকার-আব্দুর রহমান ই. ডই।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ইবনে ইসহাকের সিরাত রাসুলুল্লাহ, অনুবাদ- এ. গুইলম, ১৫তম সংস্করণ।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;দ্য হেদাইয়া কমেন্টারি অন দ্য ইসলামিক ল’স-(পুণর্মুদ্রন-১৯৯৪); অনুবাদ- চার্লস হ্যামিল্টন।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;সমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-6666649857408370954?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/6666649857408370954/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_14.html#comment-form' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/6666649857408370954'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/6666649857408370954'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_14.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৪৭'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-1114213287581290657</id><published>2010-09-13T13:25:00.000+06:00</published><updated>2010-09-13T13:25:00.270+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৪৬</title><content type='html'>আচ্ছা, স্ত্রীলোকের যৌনাঙ্গসমুহের উপর দৃষ্টিপাত সম্পর্কে ইসলামী শাস্ত্রের বিধান কী? সবাই জানেন, গোপনে গোপনে এই রসালো কাজটি করতে পুরুষের লোভের অন্ত নাই। এই কারণেই প্লেবয় মার্কা পর্ণো ম্যাগাজিনের রমরমা ব্যবসা বাজারে। ঝকঝকে মলাটের উপর নগ্ন নারীমুর্তি নিয়ে বিচিত্র সব ম্যাগাজিন প্রতিনিয়ত ডাকছে আপনাকে, লুকিয়ে লুকিয়ে এক ঝলক দেখে চোখের সুখ মিটিয়ে নিচ্ছেন আপনি। তবে কোন ইসলামী ভাই কখনও তা স্বীকার করবে না। যৌনাঙ্গের কথাবাদ দিন, তাদের মতে স্ত্রীজাতির নাভির নীচে দৃষ্টিপাত করা সরাসরি হারাম। এতে কবিরা গুনাহ হয়। এমনকি মেয়েদের খোলা হাতের দিকে তাকানোও পাপ, কারণ কে জানে কখন সেই ‘মৃনালসদৃশ্য ভুজযুগল’ হতে মদনশর বের হয়ে ইসলামি ভাইয়ের নরম বুক বিদ্ধ করে বসে। ইসলামী ভাইদের নৈতিকতা এতটাই উচু আর ভঙ্গুর যে সুরক্ষিত দুর্গে আবদ্ধ করে না রাখলে যেকোন সময়ে তা ভেঙে চুরমার হয়ে যেতে পারে। স্ত্রী অঙ্গের প্রতি দৃষ্টিপাত না করার এই ইসলামী বিধান কি সকলের বেলায় সমভাবে প্রযোজ্য? আপনি বিশ্বাস করুন আর না করুন, এই বিধান সকলের বেলায় সমভাবে প্রযোজ্য নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নারীটি যদি দুর্ভাগ্যক্রমে দাসী হয়, তবে তার সর্বাঙ্গ ডিসপ্লে করা হান্ড্রেড পারসেন্ট জায়েজ। আমি আবার বলছি-তার সর্বাঙ্গ; অর্থাৎ তার বক্ষ, তার যোনি, তার ভগাঙ্কুর, তার পায়ুপথ সবকিছুকেই আপনি আপনার দৃষ্টি দিয়ে ইচ্ছেমত লেহন করতে পারেন। এতে কোন পাপ হবে না আপনার। মাশাল্লাহ, কী অপুর্ব নেয়ামত আল্লাহপাক আপনার জন্যে সৃষ্টি করে রেখেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার কথা যদি আপনার বিশ্বাস না হয়, নীচের হাদিসটি পড়ুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্লেভ-উয়োম্যানের (ক্রীতদাসী) জননেন্দ্রিয়ের প্রতি তাকানো জায়েজ (রেফারেন্স-১১, পৃ-৫৯৯)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্ত্রী অথবা ক্রীতদাসীর শরীরের যেকোন অংশের দিকে তাকানো জায়েজ:--&lt;br /&gt;কোন লোক তার ক্রীতদাসীর শরীরের যে কোন অংশের দিকে তাকাতে পারবে, এমনকি জননেন্দ্রিয়ের প্রতিও, যদি সে ইচ্ছে করে, তবে শর্ত থাকে যে সে নিষিদ্ধ সম্পর্কের আওতায় পড়ে না; এবং সে তার স্ত্রীর সর্বাঙ্গের প্রতিও তাকাতে পারবে, কারণ নবী বলেছেন- “তোমার স্ত্রী এবং ক্রীতদাসী ছাড়া আর সকলের প্রতি দৃষ্টিকে সংযত রাখ”। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অনুষ্ঠিত সঙ্গমাদিতে একে অপরের যৌনাঙ্গের প্রতি  দৃষ্টিপাত না করাই উত্তম,  কারণ  নবী  বলেছেন- “তোমরা যখন স্বগোত্রীয় স্ত্রীলোকের সাথে সঙ্গম করবে, তখন যতদুর পার নিজেদেরকে ঢেকে রাখবে; এবং ততটা উলঙ্গ হয়ো না, কারণ গর্দভ প্রজাতি এরূপ করে থাকে”।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপরোক্ত নির্দেশে স্ত্রীর সাথে যৌনসঙ্গমকালে সংযত আচরণ অনুসরণ করতে সুপারিশ করা হয়েছে। তবে দাসী-প্রজাতির সাথে যথেচ্ছ আচরণ করা থেকে বিরত রাখতে কে তাকে নিষেধ করবে? বস্ততঃ ইসলামের দৃষ্টিতে দাসী বাজার থেকে কিনে আনা একটি সেক্স মেশিন ছাড়া আর কিছুনা, তার প্রভু বা মাষ্টার মেশিনটিকে যেভাবে খুশী সেভাবে চালাতে পারে, যা সে স্ত্রীর ক্ষেত্রে পারে না। কেন ইবনে ফাহদ স্ত্রীদের চেয়ে দাসীদের কাছে বেশী তৃপ্তি পায় তার নিগুঢ় রহস্যটি বোধ হয় এখানেই নিহিত (দ্রষ্টব্যঃ উপরে বর্ণিত মুয়াত্তাঃ বুক নং-২৯, হাদিস নং-২৯.৩২.৯৯)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-1114213287581290657?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/1114213287581290657/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_13.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1114213287581290657'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1114213287581290657'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_13.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৪৬'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-8149913440467048156</id><published>2010-09-10T12:22:00.000+06:00</published><updated>2010-09-10T12:22:00.626+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৪৫</title><content type='html'>&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;যৌনক্রিয়ার উদ্দেশ্যে পরস্পরের মধ্যে ক্রীতদাসী ভাগাভাগি করা চলে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই নিয়মে পিতা তার পুত্রের, এমনকি পৌত্রের অধিকারভুক্ত ক্রীতদাসীর সাথেও সেক্স করতে পারে। পুত্র স্বীয় পিতার অথবা মাতার, এমনকি স্ত্রীর অধিকারভুক্ত দাসীকেও ধার নিতে পারে এবং তার সাথে সেক্স করতে পারে। ঠিক যেমন আপনার নিজের কোন দুধেল গাভী নাই, আপনার ভাইয়ের বেশ কয়েকটি আছে। এমতবস্থায় আপনি দু’চার দিনের জন্যে ভাইয়ের কাছ থেকে  একটি গাভী ধার নিতেই পারেন এবং দুধ খেতে পারেন। এতে  দোষের কিছু নাই, কারণ শারিয়ার আইন মোতাবেক একজন ক্রীতদাসীর ষ্ট্যাটাস দুধেল গাভীর চেয়ে বেশী কিছু নয়। এই চমৎকার নিয়মটির স্বপক্ষে যে যুক্তি আছে, হেদাইয়া থেকে তা পেশ করা হলো। মনে রাখবেন, হেদাইয়া মুসলিম সমাজের অন্যতম প্রধান আইন গ্রন্থ, ইসলাম ধর্ম সংক্রান্ত জটিল আইনী বিশ্লেষণে আইনবিদগণ প্রায়শই এই বইয়ের সাহায্য নিয়ে থাকেন এবং সেই মোতাবেক সমাধান দিয়ে থাকেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুত্র কিংবা পৌত্রের ক্রীতদাসীর সাথে সেক্স করা শাস্তিযোগ্য নয় (রেফারেন্স-১১, পৃ-১৮৩)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পিতা কর্তৃক পুত্রের ক্রীতদাসী অথবা পৌত্রের ক্রীতদাসীর সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করা শাস্তিযোগ্য নয়, যদিও এই ধরণের ক্রীতদাসী যে তার জন্যে বৈধ নয় সে সম্পর্কে তার জানা থাকা প্রয়োজন; কারণ এ ক্ষেত্রে যে ত্রুটি সংঘটিত হয়েছে তা ফলাফল-সঞ্জাত (by effect), যেহেতু ইহা এমন যুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত যা নবীর বাণী দ্বারা সমর্থিত-“তুমি এবং তোমার সবকিছু তোমার পিতার”(Thou and thine are thy Father's) ---- এবং পিতার ক্ষেত্রে যে নিয়ম পিতামহের ক্ষেত্রেও সেই একই নিয়ম, যেন সেও একজন পিতা। এই ধরণের যৌনক্রিয়ার ফলে যে সন্তানের জন্ম হয়, তার পিতৃত্ব আরোপিত হয় উপরোক্ত পিতার উপর, যে ক্রীতদাসীটির মুল্যের জন্যে পুত্রের নিকট দায়ী থাকে। অথবা কোন ব্যক্তি যদি তার পিতার ক্রীতদাসী, অথবা তার মাতার ক্রীতদাসী অথবা তার স্ত্রীর ক্রীতদাসীর সাথে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করে, এবং এই আরজি পেশ করে যে উক্ত ক্রীতদাসী তার জন্যে অবৈধ নয়, তার উপর শাস্তি প্রয়োগযোগ্য হবে না; এবং অভিযোগকারীর উপরও শাস্তি প্রয়োগযোগ্য হবে না- (কিন্তু যদি সে এরুপ সম্পর্কের অবৈধতা সম্পর্কে জ্ঞাত থাকে, তার উপর শাস্তি প্রয়োগযোগ্য হবে,---এবং ঐ একই নিয়ম প্রযোজ্য যখন কোন ক্রীতদাস তার মনিবের সঙ্গে দাসীবৃত্তিতে আবদ্ধ মেয়ের সাথে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করে):---কারণ এদের মধ্য হতে লাভ অর্জন করার স্বার্থ বিরাজিত; সুতরাং যে ব্যক্তি এরূপ কাজ করেছে হয়তো সে ধারণা করেছে যে এ ধরণের উপভোগ তার জন্যে বৈধ,--যে কারণে তার ক্ষেত্রে ভ্রান্ত ধারণার ত্রুটি আরোপযোগ্য; যদিও ইহা সুস্পষ্ট বেশ্যাবৃত্তি সংঘটনের সমতুল্য। (জাহির রেওয়ায়েতেও) ঐ একই আইন, যদি উপরে বর্ণিত যে কোন ঘটনায় ক্রীতদাসীটি এই আরজি পেশ করে যে সে উক্ত কাজ বৈধ জেনে করেছে, এবং পুরুষটির তরফ হতে এই মর্মে কোন আরজি পেশ করা হয় নাই,----এবং যেহেতু একজন পুরুষ ও একজন নারীর মধ্যে সংঘটিত যৌনক্রিয়া একটিমাত্র কাজ হিসেবে বিবেচিত, এর অর্থ এই দাঁড়ায় যে যেকোন পক্ষ হতে পেশকৃত বৈধতাসংক্রান্ত আরজি ভ্রান্ত ধারণারূপ ত্রুটির সৃষ্টি করে যা উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, সুতরাং উভয়ের প্রতি শাস্তি প্রয়োগ বাতিলযোগ্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-8149913440467048156?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/8149913440467048156/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_3278.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8149913440467048156'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8149913440467048156'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_3278.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৪৫'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-109788602767748730</id><published>2010-09-10T10:18:00.000+06:00</published><updated>2010-09-10T10:18:00.219+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৪৪</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ইসলামের আরও কিছু মনিমুক্তা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;বিশেষ বিশেষ শর্ত সাপেক্ষে পিতা তার ক্রীতদাসীটিকে ছেলের কাছে হস্তান্তর করতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(মুয়াত্তাঃ২৮.১৫.৩৮)।&lt;br /&gt;মুয়াত্তাঃ বুক নং-২৮, হাদিস নং-২৮.১৫.৩৮:&lt;br /&gt;......আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ানের বরাত দিয়ে ইবরাহিম ইবনে আবি আবলা বর্ণনা করেছেন যে- তিনি (আব্দুল মালিক) জনৈক বন্ধুকে তার এক ক্রীতদাসী (ধার) দিয়েছিলেন, এবং পরবর্তীতে একদিন দাসীটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেন- “আমি তাকে আমারে ছেলেকে দিতে চেয়েছিলাম, সে দাসীটির সাথে এই এই করতে পারবে, এই এই করতে পারবে না”। আব্দুল মালিক বললেন- “মারওয়ান তোমার চাইতেও বেশী খুতখুতে ছিল। সে তার ছেলেকে নিজের দাসী দিল, তারপর বলল- ‘তার কাছে যেও না, কারণ আমি উন্মোচিত অবস্থায় তার পা দেখেছি’।” মনিব তার মহিলা স্লেভ কিংবা পুরুষ স্লেভের ক্রীতদাসীর সাথে সেক্স করতে পারে। (মুয়াত্তাঃ ২৯.১৭.৫১)।&lt;br /&gt;(এ এক সুকঠিন চেইন, ঠিকমতো অনুধাবন করতে পাঠকের কষ্ট হতে পারে। ধরুন আপনার একজন ক্রীতদাস বা একজন ক্রীতদাসী আছে। সেই ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসীর আবার একজন ক্রীতদাসী আছে। এই হাদিস অনুসারে আপনি আপনার ক্রীতদাসের ক্রীতদাসী অথবা ক্রীতদাসীর ক্রীতদাসীর সাথে সেক্স করতে পারবেন। এবার বুঝুন ঠেলা)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুয়াত্তাঃ বুক নং-২৯, হাদিস নং-২৯.১৭.৫১:&lt;br /&gt;.....আব্দুল্লাহ ইবনে উমর বলেছেন- “যদি কোন ব্যক্তি তার দাসকে বিয়ে করার অনুমতি দেয়, তাহলে স্ত্রীকে তালাক দেয়ার ক্ষমতা উক্ত দাসের হাতে, এবং তার এই তালাক দেয়ার ক্ষমতার উপর কারও কোন হাত নেই। মনিব ইচ্ছে করলে তার পুরুষ দাসের স্লেভ-গার্ল কিংবা মেয়ে-দাসীর স্লেভ গার্লকে (নিজের অধিকারে) নিয়ে নিতে পারে, এরুপ করতে চাইলে কেউ তাকে বিরত রাখতে পারে না”।&lt;br /&gt;দাসীরা আপনার চাষাবাদ করার ক্ষেত্র, আপনার ইচ্ছে হলে আপনি ক্ষেত্রের ভেতরে জল ঢালতে পারেন, ইচ্ছে হলে তাকে তৃষ্ণার্তও রাখেতে পারেন। অর্থাৎ দাসীর সাথে কয়টাস ইন্টারাপশন বা যোনির বাইরে বীর্যপাত করা আপনার ইচ্ছাধীন। (মুয়াত্তাঃ ২৯.৩২.৯৯)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুয়াত্তাঃ বুক নং-২৯, হাদিস নং-২৯.৩২.৯৯:&lt;br /&gt;.......আল হাজ্জাজ ইবনে আমর ইবনে ঘাজিইয়া’র বরাতে দামরা ইবনে সাইদ আল-মাজিনি কর্তৃক বর্ণিতঃ তিনি (হাজ্জাজ) জায়িদ ইবনে ছাবিতের নিকট বসেছিলেন, এমন সময় ইবনে ফাহদ তার কাছে আসল। সে ইয়েমেন থেকে এসেছিল। বলল-“আবু সাইদ, আমার কয়েকটি ক্রীতদাসী আছে। আমার যে কয়জন স্ত্রী আছে তারা কেউ আমাকে তাদের মতো (দাসীদের মতো) তৃপ্তি দিতে পারে না; (তবে) সবাই যে আমাকে এমন তৃপ্তি দেয় যে তাদের দ্বারা সন্তান উৎপাদন করতে হবে - তাও নয়। (এমতবস্থায়) আমি কি আজল অবলম্বন করতে পারি”? জায়িদ ইবনে ছাবিত বললেন-“তোমার কী মত, হাজ্জাজ”!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;“আমি বললাম- ‘আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন! আপনার কাছ থেকে জানার জন্যেই আমরা আপনার কাছে আসি’। তিনি (আবারও) বললেন- ‘তোমার মত কী’! ‘আমি বললাম- ‘সে তোমার জমি। যদি তুমি ইচ্ছে করো পানি দাও, যদি ইচ্ছে করো তৃষ্ণার্ত রাখ। জায়িদের কাছে আমি এমনটিই শিখেছি’। জায়িদ বললেন- ‘সে ঠিক কথাটিই বলেছে।”&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-109788602767748730?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/109788602767748730/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_2780.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/109788602767748730'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/109788602767748730'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_2780.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৪৪'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-5605614646254079127</id><published>2010-09-10T06:11:00.000+06:00</published><updated>2010-09-10T06:11:00.079+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৪৩</title><content type='html'>(ইসলামী ভাইয়েরা গলাবাজি করে যতোই বলুন না কেন যে দাসী এবং স্ত্রী ভিন্ন কিছু নয়, কারণ বিয়ে না করে দাসীর সাথে সহবাস করা জায়েজ নয়, তাদের জন্যে উপরের হাদিস দুটি এক মারাত্মক আঘাত। প্রকৃত সত্য হলো এই যে ইসলামী দৃষ্টিতে ক্রীতদাসী এবং বিবাহিতা স্বাধীন নারী সম্পুর্ণ দুই প্রজাতির মেয়ে মানুষ। কারণ স্ত্রী ও গর্ভজাত কন্যার সাথে সহবাস করার কথা কোন উন্মাদও চিন্তা করবে না। কিংবা দুই সহোদর বোনের উপর উপগত হওয়ার বিধান বিবাহিতা স্ত্রীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অথচ উপরের হাদিস দুটি সুস্পষ্টভাবে প্রমান করে যে উমর কর্তৃক নিষিদ্ধ করার পুর্বে দাসী মা ও তার মেয়ের উপর সওয়ার হওয়ার প্রথা দিব্বী প্রচলিত ছিল। দুই সহোদর বোনের সাথে সহবাস করার প্রথা থিওরেটিকালি এখনও চালু আছে ধরে নেয়া যায়। সুতরাং ক্রীতদাসী ও স্ত্রী এক জিনিষ- ইসলামপন্থীদের এই দাবীর পেছনে কতটুকু সত্য লুকিয়ে আছে পাঠক পাঠিকারাই তা বিচার করুন।)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রীতদাসীদের সাথে সহবাসকালে যৌনবিকৃততি বা সেক্সুয়াল পারভার্সন প্রদর্শন করা পুরোপুরি হালাল। হেদাইয়া থেকে আমরা জানতে পারি যে কোন ব্যক্তি তার যৌনদাসীর সাথে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে সঙ্গম করতে পারে, যদিও নিজের স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করার ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধিনিষেধ রয়েছে। যৌনসঙ্গিনীটি যদি ক্রীতদাসী হয়, তবে তার সাথে মনিব যেভাবে খুশী সেভাবে যৌনসঙ্গম করতে পারে। (রেফারেন্স-১১, পৃ-৬০০)। যৌনসঙ্গিনী ক্রীতদাসী হলে মনিব যেভাবে খুশী সেভাবে তার লালসার পরিতৃপ্তি ঘটাতে পারেঃ- যৌনদাসীর সাথে সঙ্গমকালে তার সম্মতির তোয়াক্কা  না  করেই মনিব আজল  প্রথা (কয়টাস ইন্টারাপশন) অবলম্বন করতে  পারে,  কিন্তু  স্ত্রীর  সাথে সঙ্গমকালে তার সম্মতি ব্যতিরেকে স্বামী তা পারে না। এর কারণ এই যে নবী স্বাধীন নারীর সাথে সঙ্গমকালে তার অনুমতি ব্যতিরেকে আজল প্রথা অবলম্বন করতে নিষেধ করেছেন, কিন্তু দাসীর ক্ষেত্রে মনিবের জন্যে তা বৈধ করেছেন। এতদ্ব্যতীত, লালসা পরিতৃপ্তির জন্যে এবং সন্তানসন্ততি সৃষ্টির জন্য যৌনসম্পর্ক স্থাপন স্বাধীন নারীর অধিকার (যে কারণে স্বামী খোজা বা নপুংসক হলে স্ত্রীর স্বাধীনতা রয়েছে তাকে প্রত্যাখ্যান করার); কিন্তু দাসীর এরূপ কোন অধিকার নাই। - সুতরাং স্ত্রীর অধিকারকে আহত করার স্বাধীনতা স্বামীর নাই, পক্ষান্তরে দাসীর উপর মনিবের অধিকার সার্বভৌম। এমনকি যদি এমন হয় যে কোন ব্যক্তি অপরের ক্রীতদাসীকে বিয়ে করল, সে দাসীটির মনিবের অনুমতি ব্যতিরেকে তার সাথে আজল প্রথা পালন করতে পারবে না (অর্থাৎ বিয়ের পরও দাসীটি তার মনিবের সম্পত্তিই থেকে যায়)।&lt;br /&gt; &lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-5605614646254079127?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/5605614646254079127/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_770.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5605614646254079127'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5605614646254079127'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_770.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৪৩'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-603652839064004230</id><published>2010-09-10T00:10:00.001+06:00</published><updated>2010-09-10T00:10:00.404+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৪২</title><content type='html'>নিচে মুক্তোসদৃশ আরও কিছু হাদিস বর্ণনা করা হলো। হাদিসগুলি পড়ুন এবং ভেবে দেখুন যে সেক্সের ক্ষেত্রে মেয়েদের উপর ইসলাম কতোই না দয়া, বেহেশতী দোয়া, সহানুভুতি এবং ন্যায়বিচার প্রদর্শন করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি একই সাথে দুইজন যৌনদাসীর সাথে গোসল না করে সঙ্গম করতে পারেন; তবে স্বাধীন নারীর ক্ষেত্রে তা পারেননা। (মুয়াত্তাঃ ২.২৩.৯০) মুয়াত্তাঃ বুক নং-২, হাদিস নং-২.২৩.৯০:&lt;br /&gt;..নাফি’র বরাতে  মালিক  কর্তৃক বর্ণিতঃ  আব্দুল্লাহ ইবনে উমরের যৌনদাসীগণ তার পা  ধুইয়ে দিত এবং  তার জন্যে তালপাতার চাটাই এনে দিত, যখন তাদের মাসিক হচ্ছিল।&lt;br /&gt;মালিককে জিজ্ঞেস করা হয় যে যদি কোন ব্যক্তির স্ত্রী এবং কয়েকজন যৌনদাসী থাকে, তবে সে গোসল না করেই সবার সাথে সহবাস করতে পারে কিনা। তিনি বলেন- “গোসল না করেও দু’জন যৌনদাসীর সাথে সহবাস করায় দোষের কিছু নেই। তবে স্বাধীন নারীদের ক্ষেত্রে একজনের বরাদ্দের দিন অন্যের কাছে যাওয়ার অনুমতি নাই। প্রথমে একজন যৌনদাসীর সাথে প্রেম করে অতঃপর দ্বিতীয় জনের কাছে যাওয়ায় দোষের কিছু নাই, যদি সে জুনুব অবস্থায়ও থাকে”।&lt;br /&gt;মালিককে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে একজন লোক জুনুব অবস্থায় আছে। তার গোসলের জন্যে পাত্রে পানি ঢেলে দেয়া হলো। পানি গরম না ঠান্ডা তা পরখ করতে লোকটি পানিতে আঙ্গুল ছোয়াল। মালিক বলেন- “যদি তার আঙ্গুলে কোন নাপাকি না লেগে থাকে, তাহলে আমি মনে করি না যে এজন্যে পানি অপবিত্র হয়ে গেছে।”&lt;br /&gt;নীচের হাদিসটি পড়লে আপনার বিবেক একেবারেই স্তব্ধ হয়ে যাবে পাঠক। এমন যে লৌহহৃদয় হযরত ওমর, তিনি পর্যন্ত এই ঘটনা সহ্য করতে পারেননি। হাদিসে বর্ণনা করা হয়েছে যে ওমর কর্তৃক নিষিদ্ধ হওয়ার পুর্ব পর্যন্ত দাসী এবং তার গর্ভজাত কন্যার সাথে একই সঙ্গে যৌনসঙ্গম করা হালাল ছিল! কতো বড় অমানবিক প্রথা, ভাবা যায়?&lt;br /&gt;ক্রীতদাসী (অথবা যুদ্ধবন্দিনী) এবং তার গর্ভজাত কন্যার সাথে একজনের পর আরেকজনের সাথে সহবাস করা উচিৎ নয়, উমর এই প্রথা নিষিদ্ধ করে গেছেন। (মুয়াত্তাঃ ২৮.১৪.৩৩)।&lt;br /&gt;মুয়াত্তাঃ বুক নং-২৮, হাদিস নং-২৮.১৪.৩৩:&lt;br /&gt;....আবদুল্লাহ ইবনে উতাবা ইবনে মাসুদ তার পিতার বরাত দিয়ে বলেন যে ওমরকে একজন ব্যক্তির কথা জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যার দক্ষিন হস্তের অধিকারে ছিল একজন দাসী ও তার গর্ভজাত কন্যা, এই অবস্থায় লোকটি তাদের একজনের সাথে যৌনসঙ্গম করার পর অপর জনের সাথে করতে পারে কিনা? উমর বলেছিলেন- “উভয়ের সাথে একই সাথে (সহবাস) করা আমি অপছন্দ করি”। অতঃপর তিনি উহা নিষিদ্ধ করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যদি এমন হয় যে যৌনদাসীগণ (কিংবা যুদ্ধবন্দিনীগণ) একে অপরের সহোদর বোন, তাদের সাথে একই সাথে সহবাস করা কি বৈধ? নীচের হাদিসটি পড়ুন। আপনি তাদের সাথে একই সঙ্গে সহবাস করতেও পারেন আবার নাও করতে পারেন,&lt;br /&gt;যেভাবে আপনার সুবিধা হবে সেভাবেই গ্রহন করুন হাদিসটিকে। (মুয়াত্তাঃ ২৮.১৪.৩৪)।&lt;br /&gt;মুয়াত্তাঃ বুক নং-২৮, হাদিস নং-২৮.১৪.৩৪:&lt;br /&gt;.......ক্কাবিসা ইবনে জুওয়াইব এর সুত্রে বর্ণিত- এক ব্যক্তি ওসমান ইবনে আফফানকে জিজ্ঞেস করল যে কারও অধিকারে দুই সহোদর বোন যৌনদাসী থাকলে তাদের উভয়ের সাথে সহবাস করা বৈধ কিনা? ওসমান বলেলেন- “এক আয়াত অনুসারে এটি হালাল, আরেক আয়াত অনুসারে এটি হারাম। আমার ক্ষেত্রে হলে আমি এরূপ করতাম না”। লোকটি তার কাছে থেকে চলে গেল এবং রাসুলুল্লাহর (দঃ) আরেক সাহাবির কাছে যেয়ে প্রশ্নটি রাখল। তিনি বললেন- “যদি আমার কাছে ক্ষমতা থাকত এবং কাউকে এমন করতে দেখতাম, আমি তাকে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দিতাম”।&lt;br /&gt;ইবনে শিহাব যোগ করেন- “আমার মনে হয় লোকটি আলী ইবনে আবি তালেব”।&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-603652839064004230?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/603652839064004230/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_10.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/603652839064004230'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/603652839064004230'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_10.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৪২'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-6707839678383708749</id><published>2010-09-09T01:11:00.000+06:00</published><updated>2010-09-09T01:11:00.310+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৪১</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ক্রীতদাসীর সাথে সেক্স&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;আলোচনার জন্যে এ এক হট টপিকস। এতক্ষন আমরা যে বিষয়ে আলোচনা করলাম, তা হচ্ছে যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে ইসলামসম্মত যৌন-আচরণ। তবে হালালভাবে সেক্স করতে মুসলিম পুরুষদের সামনে এই একটিমাত্র পথ খোলা, তা কিন্তু নয়। যুদ্ধ করা আর যাই হোক মুখের কথা নয়, পৈতৃক প্রাণটা বাজী ধরতে হয়। পয়সা থাকলে হালালভাবে সেক্স করার জন্যে আরও একটি সহজ উপায় আছে মুসলমান পুরুষদের। নগদ পয়সা দিয়ে বাজার হতে মোটাতাজা দেখে একটি দাসী কিনে নেয়া। যৌনদাসী, ইংরেজী নাম সেক্স স্লেভ। যৌনদাসী ক্রয়বিক্রয় পরিপুর্ণভাবে ইসলামসম্মত, পয়সা থাকলে আপনি যতখুশী দাসী কিনতে পারেন। একসঙ্গে কতজন যৌনদাসী কিনতে পারবেন, তা নিয়ে মোটেও ভাবতে হবে না আপনাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শরিয়ত আপনার জন্যে কোন লিমিট বেধে দেয়নি। যতক্ষন দেহে শক্তি আছে আর পকেটে পয়সা আছে চালিয়ে যান। এর জন্যে পরকালে আপনাকে জিনা বা ব্যভিচারের দায়ে জবাবদিহিও করতে হবে না। কেউ কেউ হয়তো যুক্তি দেখাবেন যে নারীমাংসের এই বিজিনেসটি যেহেতু আর চালু নেই, সুতরাং এ নিয়ে আলোচনা করা অনর্থক। এই যুক্তির সাথে আমিও একমত। তবে কথা হচ্ছে, কাফেরদের বিরুদ্ধে ইদানীংকালে জিহাদিরা বিশ্ব জুড়ে জিহাদের ডাক দিয়েছে। আটলান্টিকের পশ্চিম তীর থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের পুর্ব তীর পর্যন্ত সর্বত্র জিহাদি বোমায় কাফের মরছে। তাদের এই জিহাদ যদি সফল হয়,  যদি জিহাদিরা  পৃথিবীকে দখল করে  নেয়,  তবে কোরাণ-হাদিস  সমর্থিত  সেই  রসালো  প্রথাটি  যে  মানবসমাজে পুনঃপ্রবর্তিত হবে না, তার নিশ্চয়তা কে দেবে? কোরাণ-হাদিসে যে নিয়ম আছে তা চিরকালীন, একেবারে গ্র্যানাইট পাথরে খোদাই করা। স্বয়ং আল্লাহপাক তার প্রিয় বান্দাদের জন্যে এই নিয়ম বেধে দিয়েছেন। সেই ঐশী নিয়মের এক চুল ব্যত্যয় ঘটানো কি কোন মানবের পক্ষে সম্ভব? সম্ভব নয়। আর তাই যদি ইসলামী জিহাদিদের হাতে পৃথিবীর পতন ঘটে, তবে অমুসলিম নারীদের নধর মাংসে ভুপৃষ্ঠ পুনরায় সয়লাব হয়ে যাবে, নারীমাংস কেনাবেচার পুরোনো প্রথাটি আবার সগৌরবে ফিরে আসবে- তা প্রায় নিশ্চিত করেই বলা যায়। যদি ইসলামপন্থীরা তাদের শাসিত রাষ্ট্রে শারিয়া আইন প্রবর্তিত করে চুরির দায়ে হাত-পা কাটতে পারে, ব্যভিচারের দায়ে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করতে পারে, মুরতাদ ঘোষণা করে মানুষের গলা কাটতে পারে, তবে শারিয়ার বিধান মোতাবেক দাসপ্রথার পুনঃপ্রবর্তন থেকে কে তাদের নিবৃত্ত করবে? পাঠক, বিষয়টি নিয়ে ভাবুন একবার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা এর আগে বলেছি, প্রফেট মহম্মদের মারিয়া কিবতি নামক একজন যৌনদাসী ছিল। আলেকজান্দ্রিয়ার খৃষ্টান শাসক মুকাকিস এই দাসীটিকে উপঢৌকন হিসেবে তাকে দিয়েছিলেন। মহম্মদের কাছ থেকে ইসলাম গ্রহন করার বার্তা নিয়ে একটি প্রতিনিধি দল যায় মুকাকিসের দরবারে। মুকাকিস ইসলাম গ্রহন করতে অস্বীকার করেন। তবে এই অস্বীকৃতির পরিনাম কী হতে পারে তা ভেবে তিনি খুব শঙ্কিত ছিলেন। সুতরাং মহম্মদকে (দঃ) তুষ্ট করতে তিনি দু’জন সুন্দরী দাসী পাঠান মদীনায়। দু’জনের মধ্যে অপেক্ষাকৃত  সুন্দরী দাসীটিকে (মারিয়া) মহম্মদ নিজের ব্যবহারের জন্যে রাখেন, অপর দাসী শিরিনকে তিনি কবি বন্ধু হাসান ছাবিতকে উপহার দেন। মারিয়ার গর্ভে মহম্মদের এক পুত্র জন্মে যার নাম ছিল ইবরাহিম। শিশু  বয়েসেই মারা  যায়  ইব্রাহীম। শিরিনের গর্ভে হাসান ছাবিতের যে  পুত্রসন্তান হয় তার নাম ছিল আব্দুর রহমান। (রেফারেন্স-১০, পৃ-৪৯৮-৪৯৯)। এই সমস্ত ঐতিহাসিক রেকর্ড থেকে প্রমানিত হয় যে যৌনদাসী ভোগ করা পুরোপুরিভাবে হালাল এবং ইসলামসম্মত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-6707839678383708749?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/6707839678383708749/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_09.html#comment-form' title='7 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/6707839678383708749'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/6707839678383708749'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post_09.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৪১'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>7</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-3035060648024358358</id><published>2010-09-07T17:51:00.002+06:00</published><updated>2010-09-08T17:01:54.456+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৪০</title><content type='html'>আসুন, &lt;a href="http://agnisetu.blogspot.com/2009/08/blog-post_20.html"&gt;উপরোক্ত ইসলামী&lt;/a&gt; নিয়মটিকে আরেকটু বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করে দেখি। ধরে নিন, অলৌকিক কোন ক্ষমতাবলে ইসলামী সেনাবাহিনী যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং অন্যসমস্ত কাফের মুলুকগুলি দখল করে নিল। পরাজিত কাফের পুরুষদের প্রতি মুসলমানরা কী আচরণ করবে? যুদ্ধবন্দী হিসেবে যেসব সুন্দরী তরুনী তাদের অধিকারে আসল, তাদের সাথেই বা ইসলামের সৈনিকেরা কোন্ আচরণ করবে? আপনি কি মনে করেন যে তারা বন্দী/বন্দিনীদের সাথে জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী আচরণ করবে? যদি সেরকম ভেবে থাকেন, তবে  আপনি  একটি  বদ্ধ উন্মাদ। উপরোক্ত মোল্লা যা বলেছেন, ইসলামী সৈনিকেরা ঠিক তেমনটিই করবে। সমস্ত পুরুষ বন্দীদেরকে তারা দাস হিসেবে বেচে দেবে, মেয়েগুলিকে যৌনদাসী হিসেবে নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নেবে। বৃদ্ধা বন্দিনীদেরকে খুব সম্ভবত হত্যা করা হবে, কারণ অনর্থক বোঝা বাড়ানো কোন  কালেই কাজের কথা বলে বিবেচনা করা হয় না। আরেকটি কাজ করতে পারে ইসলামের সৈনিকেরা।  গ্রেট শয়তানটিকে আরেকটু শায়েস্তা করতে জিহাদিরা বন্দী পুরুষদের সামনেই তাদের স্ত্রীদের উপর সওয়ার হতে পারে। স্বামীর সামনে স্ত্রীকে ধর্ষণ করার মজাই আলাদা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি হয়তো ভাবছেন, এ আমার আকাশকুসুম কল্পনা, একবিংশ শতাব্দীতে এরকম কী করে হয়? হয় পাঠক, এখনও তা হয়। আপনার আমার জন্যে না হলেও ইসলামপন্থীদের জন্যে হয়। মানসিকভাবে তারা এখনও দেড়হাজার বছর আগেকার সেই সোনালি যুগেই পড়ে আছে। সেই যুগকে ফিরিয়ে আনতে দেশে দেশে অজস্র জিহাদির জন্ম দিচ্ছে তারা। মাত্র তিরিশ বছর আগের কথা স্মরণ করুন, একাত্তরের বাংলাদেশের কথা। পাকিস্তানের ইসলামী সেনাবাহিনী বাংলাদেশে ঠিক ইসলামী নিয়মটিই চালু করেছিল সেদিন। তারা প্রায় তিরিশ লক্ষ বাঙালি পুরুষকে হত্যা করেছিল, কারণ তাদের ভাষায় তারা ছিল কাফের অথবা নিম্-মুসলমান। আড়াই লক্ষ বাঙালি নারীকে তারা উপপত্নী হিসেবে বন্দী করেছিল। মালে গণীমৎ টাইটেল দিয়ে তাদেরকে ধর্ষণ করেছিল, ঘরের ভেতর হতে ধর্ষিতার আকুল ক্রন্দন যখন আকাশ বাতাস পরিপ্লাবিত করে দিচ্ছিল, পাশের ঝোপে পালিয়ে থাকা তার অসহায় পুরুষটির কর্ণে সেই ক্রন্দনধ্বনি যে পৌছায়নি, তা আপনি কী করে ভাবলেন? অতিসম্প্রতি  তালেবান অধ্যুষিত  আফগানিস্তানেও ঠিক  একই  ধরণের ঘটনা  ঘটেছে  বলে বহু  রিপোর্ট এসেছে।  যারাই তালেবানদের বিরোধীতা করেছে, তাদের মেয়েদের উপর নেমে এসেছে ধর্ষণ ও নির্যাতন। যদি প্রশ্ন করা হয় যে, এইসব জিহাদীরা কি ইসলামের নিয়মের বাইরে কোনকিছু করেছে? ইসলামের বিধান মোতাবেক ধর্ষণকারী এইসব জিহাদিদের কি কোন শাস্তির আওতায় আনা যায়? এই প্রশ্নের একটিমাত্র জবাব- ‘না’। সুতরাং এরূপ সিদ্ধান্ত টানা কি অন্যায় হবে যে দেশকাল নির্বিশেষে যুদ্ধবন্দিনীদের উপর যৌননির্যাতনের এই যে কালচার জিহাদিরা প্রতিপালন করে আসছে, এর পেছনে যে প্রেরণাদায়ীনি শক্তি তার নাম হচ্ছে ইসলাম? এই কিছুদিন আগেও ইরানে কী ঘটল? ব্যভিচার ও ধর্মদ্রোহীতার অপরাধে এক মেয়েকে  মৃত্যুদন্ড  দেয়া হলো। মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার আগে  তার সেলে এক  ইসলামী  গার্ডকে  ঢুকিয়ে দেয়া হলো মেয়েটিকে পুনঃপৌনিকভাবে ধর্ষণ করার জন্যে! আহ্। একজন কাফের বন্দিনীর সাথে কী মহান ইসলামী আচরণ! বেটী তো দোজখেই যাবে, যাওয়ার আগে একটু ইসলামী সেক্সের স্বাদ শরীরে বহন করে নিয়ে যাক। পাঠক, ভুলে যাবেন না- ইরানে এখন ইসলামের রক্ষকরা ক্ষমতায়। সেখানে যা কিছু ঘটে, মহান ইসলামী আইন বাস্তবায়ন করতেই ঘটে। সুতরাং কীভাবে বলবেন যে দেড়হাজার বছরের পুরোনো যুদ্ধবন্দীসংক্রান্ত আইনগুলো এখন আর কার্যকরী নয়?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-3035060648024358358?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/3035060648024358358/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post.html#comment-form' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/3035060648024358358'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/3035060648024358358'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/09/blog-post.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৪০'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-1558334830233573278</id><published>2010-01-25T22:49:00.005+06:00</published><updated>2010-01-25T23:15:05.510+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর ও তথ্য'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><title type='text'>মোবাইল ফোন সাথে নেয়ায় সৌদি কিশোরীকে ৯০ দোররা মারা হল</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/S13NYjBbLlI/AAAAAAAAALw/vT_XwH9SVgE/s1600-h/public_flogging_saudia.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 214px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/S13NYjBbLlI/AAAAAAAAALw/vT_XwH9SVgE/s320/public_flogging_saudia.jpg" alt="Public flogging at saudia arabia" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5430722547280457298" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;এই পুরাতন ছবিটিতে সৌদি আরবের রাস্তায় প্রকাশ্যে লাঠিপেটা করে শাস্তি কার্যকর করতে দেখা যাচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;সম্প্রতি সৌদি আরবে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে স্কুলে ক্যামেরাযুক্ত মোবাইল ফোন বহন করার কারণে সহপাঠীদের সামনে ৯০টি দোররা মারার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর সাথে তাঁকে দুই মাসের কারাদণ্ডও দিয়েছে ওই ধর্মীয় আদাল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ বন্দরনগরী জুবাইল শহরের একটি আদালত ওই রায় দেন। স্থানীয় আল-ওয়াতান পত্রিকায় প্রকাশিত এক খবরে এ ঘটনার কথা প্রকাশিত হয়। তবে ওই ছাত্রীর পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খবরে জানা গেছে, স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মোবাইল ফোনসহ ওই কিশোরীকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। সৌদি আরবে মেয়েদের স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সৌদী আরবে প্রায়ই প্রকাশ্যে শারীরিক নির্যাতন করে শাস্তি কার্যকরার ঘটনা ঘটে। তিন বছর আগে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী ১৬ জন স্কুল শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে ৩০০ থেকে ৫০০টি করে দোররা মারা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তাঁরা স্কুলের এক শিক্ষকের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সৌদি আরবের আদালত ওয়াহাবী/ সালাফি মতাদর্শ দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। ওয়াহাবী মতানুসারী না হলে তাকে আদালতের বিচারক হতে বাধা দেয়া হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/S13Q681oGmI/AAAAAAAAAL4/jrqWGG3pHIk/s1600-h/jubail,saudi+arabia.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 205px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/S13Q681oGmI/AAAAAAAAAL4/jrqWGG3pHIk/s320/jubail,saudi+arabia.jpg" alt="A oil refinery in Jubail, where a court ordered a girl of 13 to be flogged" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5430726436860729954" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;শিল্পনগরী জুবাইর শহরের একটি তৈল শোধনাগার&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;কঠোর ইসলামী শরীয়া আইন দ্বারা শাসিত সৌদি আরবে চলচ্চিত্র ও কনসার্টের মতো সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের আয়োজনও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আইনসম্মত সম্পর্ক নেই এমন নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা ঠেকাতে ধর্মীয় পুলিশ সেখানে সবসময় রাস্তার উপর নজরদারি করে। সৌদি আরবের শরিয়া আইন অনুযায়ী ব্যভিচারসহ বেশকিছু নৈতিক অপরাধের বাধ্যতামূলক শাস্তি হিসেবে দোররা মারা হয়। তবে এটি অনেক সময় বিচারকের মেজাজ মর্জির ওপর নির্ভর করে। বিচারক ইচ্ছা করলে বিকল্প অন্য কোনো শাস্তিও দিতে পারেন। অপরাধীদের অপরাধভেদে দোররা মারা, প্রকাশ্যে শিরশ্ছেদ, অঙ্গহানি করা বা ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার মতো শাস্তির দিক থেকে সৌদি আরবের অবস্থান বিশ্বে শীর্ষে। এমনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল সহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন সৌদি আরবে দোররা মারার মতো মধ্যযুগীয় শাস্তির বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে।&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.dailymail.co.uk/news/worldnews/article-1244689/Saudi-girl-13--sentenced-90-lashes-took-mobile-phone-school.html"&gt;ছবিসূত্র&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-1558334830233573278?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/1558334830233573278/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/01/blog-post_25.html#comment-form' title='13 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1558334830233573278'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1558334830233573278'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/01/blog-post_25.html' title='মোবাইল ফোন সাথে নেয়ায় সৌদি কিশোরীকে ৯০ দোররা মারা হল'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/S13NYjBbLlI/AAAAAAAAALw/vT_XwH9SVgE/s72-c/public_flogging_saudia.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>13</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-1522372282841902463</id><published>2010-01-23T23:47:00.000+06:00</published><updated>2010-01-25T23:17:19.809+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর ও তথ্য'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><title type='text'>মাসুদ খানের 'নিঃসঙ্গ'- একটি নাস্তিক্যবাদী কবিতা কি?</title><content type='html'>কালের কণ্ঠ পত্রিকার সাহিত্যপত্র  'শিলালিপি' এর ২২ জানুয়ারি, ২০১০ (বর্ষ ১ সংখ্যা ২) পড়লাম। সেখানে কবি মাসুদ খান এর লেখা 'নিঃসঙ্গ' কবিতাটিতে নাস্তিক্যবাদের গন্ধ পাচ্ছি। আপনাদের কি মনে হয়?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:130%;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;নিঃসঙ্গ&lt;/span&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মাসুদ খান&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লক্ষ-লক্ষ মাইল উঁচুতে, মহাকাশে,&lt;br /&gt;জনমানবিহীন ভাসমান একটি স্পেস-স্টেশনে পোস্টিং পেয়ে&lt;br /&gt;এসে জয়েন করেছে একজন নভো-টেকনিশিয়ান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একদিন একটি রকেট এসে প্রচুর বোঁচকা-বুঁচকিসহ তাকে নামিয়ে দিয়ে,&lt;br /&gt;ফুয়েল-টুয়েল নিয়ে কোথায় যে চলে গেল আসমানের ওপারে.....&lt;br /&gt;সেও কতদিন আগে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মৃত্যুরও অধিক হিম আর নির্জনতা....&lt;br /&gt;মানুষটি একা-একা থাকে, খায়, ঘুমায়-ওজনহীন, নিঃসাড়, নির্ভার....&lt;br /&gt;মাঝে মাঝে নভোপোশাক পরে বাইরে বেরিয়ে সাঁতার কেটে আসে শূন্যে&lt;br /&gt;কোমড়ে শিকল-বাঁধা, অ্যালুমিনিয়ামের।&lt;br /&gt;দুঃখে-অভিমানে কখনো কখনো গিয়ে হেগেও আসে মহাকাশে&lt;br /&gt;জ্বলজ্বল করতে থাকে তার সেই স্বচ্ছ-সুগন্ধ পুরীষপিণ্ড,&lt;br /&gt;স্ফটিকের মতো ফোঁটা-ফোঁটা মূত্ররাশি...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাছে-দূরে কোথাও কেউ নাই,&lt;br /&gt;কোনো প্রেত-প্রেতিনী, অথবা কোনো যম-যমী, জিন-পরি, ভগবান-ভগবতী,&lt;br /&gt;ফেরশতা-ইবলিশ কাঁহা কিচ্ছু নাই, কেউই ঘেঁষে না কাছে, যে,&lt;br /&gt;তার সঙ্গে একটু কথা বলবে, কফি খাবে...&lt;br /&gt;এমনকি মানুষটা যে একটু ভয় পাবে, তারও উপায় নাই...&lt;br /&gt;নিজের সঙ্গেই তাই নিজেরই মিথুন ও মৈথুন, খুনসুটি, হাসাহাসি, সাপলুডু খেলা...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কেবল রজনীস্পর্শা, ভীষণবর্ণা এক গন্ধরাজ্ঞী ফুটে থাকে অবাধ, অনন্তরায়&lt;br /&gt;দূরে, বহুকাল দূরে&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-1522372282841902463?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/1522372282841902463/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/01/blog-post.html#comment-form' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1522372282841902463'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1522372282841902463'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2010/01/blog-post.html' title='মাসুদ খানের &apos;নিঃসঙ্গ&apos;- একটি নাস্তিক্যবাদী কবিতা কি?'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-2028910191098030942</id><published>2009-11-28T20:20:00.005+07:00</published><updated>2009-11-28T20:55:42.326+07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর ও তথ্য'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বাস্তবতা'/><title type='text'>আল্লাহ'র মেয়ে আল্লাত</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SxElAiOX_RI/AAAAAAAAALo/XgD1fcWayus/s1600/lilith01-Al%27Lat.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 226px; height: 300px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SxElAiOX_RI/AAAAAAAAALo/XgD1fcWayus/s320/lilith01-Al%27Lat.jpg" alt="Al'Lat" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5409145318566001938" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;উপরের ছবি আল্লাহ'র মেয়ে আল্লাত এর। এনার মূর্তি কাবাঘরের ভিতরে এখনও আছে। প্রাচীনকালের নারী দেবীদের মধ্যে ইনিও একজন। ইসলামে নারীর অধিকার নিয়ে যারা বক্তৃতাবাজী করতে পছন্দ করেন, তারা আশা করি আল্লাহর কন্যা আল্লাত এর কথা ভুলে যাবেন না। তার যথাযোগ্য অবস্থান তুলে ধরতে সচেষ্ট থাকবেন।&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SxElACMmrqI/AAAAAAAAALg/KhtBG8LqhOw/s1600/Allats+Hand.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 282px; height: 320px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SxElACMmrqI/AAAAAAAAALg/KhtBG8LqhOw/s320/Allats+Hand.jpg" alt="Al'Lat Hand" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5409145309968641698" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;এই ছবিটি আল্লাত এর হাতের। ছবিটি প্রমাণ করে যে ইসলাম পূর্বকাল থেকেই আরবে চাঁদ ও তারা একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করতো। ইসলাম ধর্ম যে নতুন কিছু নয়। বরং পূর্ব থেকে আরব অঞ্চলে প্রচলিত ধর্মগুলির জগাখিচুড়ি মিশ্রণ, উপরের ছবিদুটি তা বুঝতে একটু হলেও সাহায্য করবে, আগ্রহীদেরকে সত্যিকারের ইতিহাস জানতে উদ্বুদ্ধ করবে।&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;ছবিসূত্র &lt;/span&gt;&lt;a style="font-style: italic;" href="http://volker-doormann.org/the0.htm"&gt;এক&lt;/a&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;, &lt;/span&gt;&lt;a style="font-style: italic;" href="http://users.lmi.net/maxdashu/deasophy/deasophy.html"&gt;দুই&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-2028910191098030942?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/2028910191098030942/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/11/blog-post.html#comment-form' title='40 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/2028910191098030942'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/2028910191098030942'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/11/blog-post.html' title='আল্লাহ&apos;র মেয়ে আল্লাত'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SxElAiOX_RI/AAAAAAAAALo/XgD1fcWayus/s72-c/lilith01-Al%27Lat.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>40</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-4731713836565692584</id><published>2009-08-20T12:30:00.008+07:00</published><updated>2009-08-20T12:30:00.130+07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৯</title><content type='html'>মুসলমানরা আমেরিকাকে গ্রেট শয়তান বলে অভিহিত করে থাকে। আচ্ছা, যদি এমন হয় যে মুসলমান জিহাদিরা আমেরিকা দখল করে নিল। এই অবস্থায় আমেরিকার কাফের রমনীদের ভাগ্যে কোন্ পরিণতি অপেক্ষা করে আছে? দেখা যাক- এই অবস্থায় সত্যিকারের ইসলামের কাছে থেকে কী সমাধান মেলে। জনৈক সুপন্ডিত ইসলামি মোল্লা বন্দিনী মার্কিন নন্দিনীদের সম্পর্কে নিম্নোক্ত বিধান দিয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসলাম ধর্ম-সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তরের একটি ওয়েবসাইট:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দক্ষিন হস্তের অধিকার (right hand possessions)&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.binoria.org/q&amp;amp;a/miscellaneous#possessions"&gt;http://www.binoria.org/q&amp;amp;a/miscellaneous#possessions&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;i&gt;(লিংকটি অপসারণ করা হয়েছে- অগ্নি)&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;প্রশ্নঃ&lt;/b&gt; দক্ষিন হস্তের&amp;nbsp; অধিকার বলতে কী বুঝায়, তা পাওয়ার উদ্দেশ্যই বা কি? কোন কোন ভাই মনে করেন যে এই আমেরিকায়ও দক্ষিন হস্তের অধিকারে কোন কিছু আসলে তাতে দোষের কিছু নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;উত্তরঃ&lt;/b&gt; দক্ষিন হস্তের অধিকার বা ‘মালাকুল ইয়ামিন’ বলতে বুঝায় ক্রীতদাস বা দাসী (স্লেভস কিংবা মেইডস), যা যুদ্ধবন্দী হিসেবে কিংবা বাজার হতে ক্রয়সুত্রে মুসলমানদের দখলে আসে। ক্রীতদাসী মুসলমানদের দখলে আসলে তাদের সাথে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করা বৈধ এবং সঠিক। বর্তমান যুগেও যদি কোন কাফেরদের দেশ মুসলমানদের অধিকারে আসে, এই নিয়ম পালন করা বৈধ এবং সঠিক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপরের উত্তরটি একটু ভালভাবে অনুধাবন করুন পাঠক। উক্ত মোল্লা যে সিদ্ধান্তটি দিলেন, তার নিগলিতার্থ কী দাড়ায়! কোনপ্রকার রাখঢাক না করে খাঁটি ইসলাম সম্পর্কে অকপট মতামত দেয়ার জন্যে এই মোল্লাকে অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তথাকথিত ইসলামপন্থীদের মতো ঝোপের আড়ালে মুখ ঢেকে আসল প্রশ্নটিকে পাশ কাটাননি এই মোল্লা, তিনি কোরাণ-হাদিস বর্ণিত&amp;nbsp; নিয়মটিকে সহজ, অবিকৃত, খাঁটি&amp;nbsp; এবং&amp;nbsp; দ্ব্যর্থহীনভাবে আমাদের সামনে তুলে&amp;nbsp; ধরেছেন। পাশ্চাত্যশিক্ষিত আধুনিক ইসলামপন্থীদের প্রতি আমার বিনীত আরজ, ইসলামী মোল্লাটির উপরোক্ত অকপট মতামতের জবাবে তারা কোন্ কৈফিয়ৎ পেশ করবেন এখন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;i&gt;অসমাপ্ত&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-4731713836565692584?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/4731713836565692584/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/08/blog-post_20.html#comment-form' title='43 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/4731713836565692584'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/4731713836565692584'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/08/blog-post_20.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৯'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>43</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-8214091490183209752</id><published>2009-08-15T12:30:00.000+07:00</published><updated>2009-08-15T12:30:11.746+07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৮</title><content type='html'>যুদ্ধনন্দিনীদের সাথে সেক্স করার ঢালাও অনুমতি আছে ইসলামে- এই সত্যটা মেনে নিতে অনেক ইসলামপন্থীর বড় কষ্ট হয়। এই বর্বর প্রথার মধ্যে লুক্কায়িত অমানবিকতাকে ঢাকা দিতে তারা নানারূপ যুক্তি খাড়া করেন। তারা আমতা আমতা করে বলেন- “দেখ, কোনকিছুর ভালমন্দ যাচাই করতে হলে তোমাকে অবশ্যই পারিপার্শিকতা বা স্থানকাল বিবেচনায় রাখতে হবে। ইসলামের প্রাথমিক যুগে যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে সেক্স করার যে প্রথা চালু ছিল, তার অনেক ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে এখন। সেই সময়ে যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে সেক্স করা দোষের কিছু ছিল না। মুসলমান সৈনিকদেরকে তাদের গৃহ হতে বহু দুরে যুদ্ধ এলাকায় পাঠানো হতো। বহুদিন যাবৎ স্ত্রীসঙ্গ হতে বিরত থাকতে হতো তাদের। সুতরাং তাদের যৌনক্ষুধা মেটাতে আল্লাহ এর অনুমতি দিয়েছিলেন। তাছাড়া বন্দিনীদেরও যৌনক্ষুধা ছিল, পুরুষের ছোয়া ছাড়া তারা বাকী জীবনটা কাটাবেই বা কী করে? সুতরাং এ ছিল নেহায়েতই সমানে সমান খেলা। ইসলামি আইন আপাত কঠোর মনে হলেও এর পেছনে অবশ্যই কোন সুন্দর ও জোরালো যুক্তি থাকতেই হবে”। যদি তাদের প্রশ্ন করা হয়- ‘ভাল কথা। এটা ছিল সে যুগের রীতি, তবে আইনটি কি এখনও চালু আছে? হ্যা কিংবা না স্পষ্ট করে বলুন’। এই সহজ প্রশ্নের কোন সরাসরি জবাব অবশ্য মিলবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রশ্নটিকে সুকৌশলে পাশ কাটাবেন তারা, হয়তো বলবেন- “আমাদেরকে অবশ্যই কন্টেক্সট বিচার করে কোন প্রথার ভালমন্দ যাচাই&amp;nbsp; করতে&amp;nbsp; হবে। কোন&amp;nbsp; মুসলমান&amp;nbsp; শক্তি যদি&amp;nbsp; অন্য কোন&amp;nbsp; দেশ জয়&amp;nbsp; করে নেয়,&amp;nbsp; ইসলামিক&amp;nbsp; আইন অনুসারে তারা পরাজিতদের প্রতি সবসময়ই ন্যায়বিচার করে থাকে। ইসলাম অবশ্যই বিজিত নারী ও শিশুদিগকে রক্ষা করতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেবে......ইত্যাদি, ইত্যাদি”। কখনও সোজাসাপটা জবাব দেবেন না তারা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;i&gt;অসমাপ্ত&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-8214091490183209752?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/8214091490183209752/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/08/blog-post_15.html#comment-form' title='39 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8214091490183209752'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8214091490183209752'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/08/blog-post_15.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৮'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>39</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-5128912501278098656</id><published>2009-08-10T12:22:00.001+07:00</published><updated>2009-08-15T12:27:40.785+07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৭</title><content type='html'>এখানে একটি প্রশ্ন এসে যায়। জিহাদিদের উন্মত্ত ধর্ষণপ্রক্রিয়ার ফলে যদি বন্দিনীটির গর্ভসঞ্চার হয় তাহলে কী হবে? অনেক জিহাদিই চাইত না যে তাদের সেক্স-মেশিনটি তাড়াতাড়ি গর্ভসঞ্চার করে বসুক, সুতরাং তারা বীর্যপাতের ঠিক পুর্বমুহুর্তে লিঙ্গটি বের করে নিয়ে আসত। এই প্রথা সম্পর্কে মহম্মদের (দঃ) মনোভাব ছিল ঘোলাটে, কখনও তাকে এই প্রথার বিরুদ্ধে কথা বলতে দেখা যায়, কখনও বা তাকে নিরপেক্ষ ভুমিকা পালন করতে দেখা যায়। এসম্পর্কে গোটাকয়েক সুন্দর হাদিস উল্লেখ করা হলো। (কয়টাস ইন্টারাপশন বা যোনির বাইরে বীর্যপাত সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যাবে এই সিরিজের ৩ নং কলিতে)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বানু আল-মুস্তালিক গোত্রের বন্দিনীদের ক্ষেত্রে কয়টাস ইন্টারাপশন পালন করতে মহম্মদ অনুমতি দেননি, তবে বন্দিনীদের ধর্ষণ করার ক্ষেত্রে তার কোন নিষেধ ছিল না (৫:৫৯:৪৫৯)।&lt;br /&gt;সহি বুখারিঃ ভলিউম-৫, বুক নং-৫৯, হাদিস নং-৪৫৯: &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইবনে মুহাইরিজ হতে বর্ণিতঃ আমি মসজিদে প্রবেশ করলাম এবং আবু সাইদ আল-খুদরিকে দেখতে পেলাম। আমি তার পাশে উপবেশন করে তার কাছে আজল (কয়টাস ইন্টারাপশন) সম্পর্কে জানতে চাইলাম। আবু সাইদ বলল- “আমরা রাসুলুল্লাহর সাথে বানু মুস্তালিকদের বিরুদ্ধে এক অভিযানে যাই। কিছু আরব বন্দিনী আমাদের হস্তগত হয়। আমরা প্রবলভাবে নারীসঙ্গ কামনা করছিলাম; নারীসঙ্গবিবর্জিত জীবন আমাদের জন্যে কঠিন হয়ে পড়েছিল এবং আমরা আজল করতে চাইলাম। আমরা বললাম- আল্লাহর রাসুল আমাদের মাঝে হাজির থাকতে তার কাছে জিজ্ঞেস না করে কী করে একাজ করি? আমরা এ সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন- এটা না করাই বরং তোমাদের জন্যে ভাল। কারণ কোন আত্মা জন্ম নেওয়ার হলে তা জন্মাবেই, পুনরুত্থানের দিন পর্যন্ত ”।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;i&gt;অসমাপ্ত&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-5128912501278098656?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/5128912501278098656/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/08/blog-post.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5128912501278098656'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5128912501278098656'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/08/blog-post.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৭'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-6919164848329273136</id><published>2009-07-05T23:41:00.005+07:00</published><updated>2009-07-06T22:37:16.035+07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর ও তথ্য'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বাস্তবতা'/><title type='text'>ইসলামী বীভৎসতা</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SlDYqsmYF3I/AAAAAAAAALY/S1R_vSSOyhc/s1600-h/arab2.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 270px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SlDYqsmYF3I/AAAAAAAAALY/S1R_vSSOyhc/s320/arab2.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5355018184981747570" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SlDYqv_tf5I/AAAAAAAAALQ/pRovKoYC2XY/s1600-h/arab1.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 270px; height: 320px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SlDYqv_tf5I/AAAAAAAAALQ/pRovKoYC2XY/s320/arab1.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5355018185893314450" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;সম্প্রতি পবিত্র (?) আরব জাহানে এক বালককে অপহরণ করার দায়ে ছবির ব্যক্তিটির গলা কেটে প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে যে এর ফলে অন্য অপরাধীরা সতর্ক হয়ে যাবে। কি বালখিল্যচিত ভাবনা!! এবং কী বীভৎস মনোভঙ্গী!!! এটা বোধহয় একমাত্র সাচ্চা মুসলমানদের দ্বারাই সম্ভব। অন্য কোন ধর্মের মানুষদের মধ্যে এই ধরণের কুৎসিত মধ্যযুগীয় বর্বর আচরণের কোন নিদর্শন আমি আজ পর্যন্ত খুঁজে পাইনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সৌদী আরবে অনেক আগে থেকেই গলা কেটে অপরাধীকে শাস্তি দেয়ার বিধান আছে। তবুও তো সেখানে অপরাধ নির্মূল হয়ে যায়নি। তারপরও এই ধরণের ঘটনা প্রকাশ্যে ঘটানোর কারণ কি? এর মাধ্যমে আসলে ইসলামবাদীরা কি বলতে চাচ্ছে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসলে ইসলাম যে মানুষকে মানসিকভাবে অসুস্থ করে তোলে এই দৃশ্য তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। একজন ইসলামবাদী ব্যক্তি যে সভ্যতা, সংস্কৃতি, মানবতার সত্যিকার সংজ্ঞা বিস্মৃত হয়ে যায় এই ছবিটি আমাদের চোখে তাই আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-6919164848329273136?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/6919164848329273136/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/07/blog-post.html#comment-form' title='25 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/6919164848329273136'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/6919164848329273136'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/07/blog-post.html' title='ইসলামী বীভৎসতা'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SlDYqsmYF3I/AAAAAAAAALY/S1R_vSSOyhc/s72-c/arab2.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>25</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-2105375194285685260</id><published>2009-06-15T07:05:00.000+06:00</published><updated>2009-06-15T07:05:00.969+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্যাম হ্যারিস'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রিচার্ড ডকিন্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ড্যানিয়েল ডেনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্রিস্টোফার হিচেনস'/><title type='text'>চার অশ্বারোহী ১১</title><content type='html'>ক্রিস্টোফার হিচেনস: হ্যাঁ, তারা নিজেদেরকে উপেক্ষার পাত্র পরিনত করেছে। তাদের উপর মোটোও নিভর্র করা যায় না। যথাযথ কারণ ও প্রামান্য তথ্যগুলোই উপস্থাপন করছি। আমাদের বক্তব্য প্রাণময় হতে পারে, কিন্তু তাতে কোন কৃত্রিম ঠাঁটবাট নেই। এটা অবশ্যই কাজ করে। এটা আধুনিক বিশ্বে, বিংশ শতাব্দীর সফল ধর্মবিরোধী বিতর্ক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: আমার ধারণা, যে বিষয়টিকে আমাদের তুলে ধরা উচিত, সে বিষয়টিকে আমরা শুধুমাত্র স্পর্শ করতে পেরেছি। আপনারা জানেন, ধর্মবাদী ব্যক্তিগণ বিজ্ঞানকে ক্যাশ না হওয়া চেকের একটি টুকরো বলে যুক্তি দেখায়। কর্তৃপক্ষের মতকেই ছড়িয়ে দেই। আপনি কিভাবে জানবেন যে মহাকাশীয় সূত্রগুলো আসলে কি? আপনি জানেন? আমি মনে করি- বিজ্ঞানে ভয় না রেখে এবং যুক্তিকে আশয় করে আমরা যে জীবন যাপন করি, আর প্রিচারদের (ধর্মনেতা) ধর্মীয় ভূমিকাকেও ধর্মতাত্ত্বিকদেরকে আমরা যেভাবে সমালোচনা করি, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষের দ্বৈতনীতিকে ব্যাখ্যা করার জন্য আপনারা দুজন সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: আচ্ছা,  আমরা যারা প্রকৃতিবিজ্ঞানী নই, কিন্তু প্রকৃতিবিজ্ঞানীদের কথাকে বিশ্বাস করতেই হয়, তারা কি করবো? প্রকৃতিবিজ্ঞানীরা বলে যে, তারা বস্তুর অভ্যন্তরভাগ দেখে ফেলেছে বলে জোরালো প্রমাণ রয়েছে বলে প্রস্তাব করে, তারা বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ফেলেছে, তারা তাদের গবেষণাপত্রকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করেছে; তারা নিজেদেরকে সমালোচনা করেছে, তারা তাদের সেমিনার ও বিভিন্ন বক্তৃতার অনুষ্ঠানে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হয়েছে। এবং তারা বিভিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: এবং মনে রাখবেন, কাঠামোটা সেখানে রয়েছে। তারা সমালোচিত হয়েছে শুধু একারণে নয়, এটা একারণে গুরুত্বপূর্ণ যে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক। এই মুহূর্তে বলা যায় যে, যখন ফারম্যাট (Fermat) এর 'শেষ তত্ত্ব'টি (Last Theorem) প্রমাণিত হল...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: এনড্রু উইলস (Andrew Wiles) – এর দ্বারা....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: এনড্রু উইলস, কারণ হল আমাদের মধ্যে তারাই যারা.... বাদ দিন এসব কথা। আমি সেই প্রমাণটি কখনও বুঝতে যাব না, কিন্তু সেই কারণটি যার উপর আমরা নির্ভর করতে পারি যে এটা সত্যি, এমন একটি প্রমাণ যা,....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: কেউ তাকে সেখানে প্রথম দেখতে চায় না। হ্যাঁ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: বিশ্বের প্রত্যেক প্রতিদ্বন্দ্বী গণিতবিদ এটা পড়ার জন্য এমনভাবে প্রেরণা পেয়েছে যে....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: অন্বেষণের জন্য, হ্যাঁ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: এবং আমাকে বিশ্বাস করুন, যদি তারা তার প্রতি ঈর্ষাকাতর হয় এই ভেবে যে এটা একটা প্রমাণ, এটা একটা প্রমাণ! তাহলে কোন কিছুর মধ্যেই....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: না, কারণ আমরা সেটার প্রতিতত্ত্ব দাঁড় করাবো&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেন্স: যদি আমি সঠিক হই, তাহলে আইনস্টাইন কি বলেছেন তা কোন ধর্মপ্রবণ ব্যক্তিরা বলতে সক্ষম হবেন বলে মনে হয় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: ভবিষ্যতের সৌর ঘটনাটি আফ্রিকার পশ্চিম কূলে ঘটবে....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-2105375194285685260?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/2105375194285685260/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post_15.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/2105375194285685260'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/2105375194285685260'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post_15.html' title='চার অশ্বারোহী ১১'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-1442347793988764099</id><published>2009-06-10T08:17:00.000+06:00</published><updated>2009-06-10T08:17:00.149+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্যাম হ্যারিস'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রিচার্ড ডকিন্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ড্যানিয়েল ডেনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্রিস্টোফার হিচেনস'/><title type='text'>চার অশ্বারোহী ১০</title><content type='html'>স্যাম হ্যারিস: হ্যাঁ। হাজার হাজার প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে ধর্ম তার অসংখ্য অঙ্গীকার থেকে বিচ্যুত হয়েছে। সংশোধনবাদী মনোভঙ্গি নিজের উল্লসিত বিশ্বাসের জগত থেকে ধর্মের সাথে বিতর্কে জড়ায়। এই বিশ্বাস নিজের আলোকিত অন্তরের বহিঃপ্রকাশ, যার বহুলাংশ গঠিত হয়েছে বাইরের প্রভাব থেকে। বিজ্ঞানের সংস্পর্শেই এর সূচনা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: ঠিক এই পয়েন্টে আমি নিজের প্রসঙ্গ তুলে ধরতে চেয়েছিলাম। আমাদের তথাকথিত মৌলবাদ বিষয়কে আলোচনা করতে চেয়েছিলাম। এই কারণে সাউদার্কের এক যাজক তার লেখনির মাধ্যমে আপনাকে ও আমাকে তুমুল আক্রমণ করেছিল। তার আচরণ অনেকটা লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডে বোমা হামলাকারির মতো ছিল। তার নাম কি আপনার মনে আছে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: না, তার নাম আমি মনে করতে পারছি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: দুঃখিত আমিও নাম মনে করতে পারছি না। সাউদার্কের যে এলাকায় বিশপরা বাস করে, সে এলাকার তিনি একজন সিনিয়র অ্যাংলিকান যাজক। আমি তার সাথে বিবিসিতে গিয়েছিলাম। আলোচনার শুরু হতেই আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম- গির্জার সমাবেশকে কিভাবে আপনি 'ভেড়ার পাল' বলবেন? এটা কি আপনার ধর্ম সম্পর্কে সবকিছু বলে ফেলে না? আপনি কি তাদেরকে 'ভেড়া' বলে মনে করেন? তিনি বললেন-" আসলে এর আগে আমি যেখানে প্যাস্টর হিসেবে কাঝ করতাম, সেই নিউ গায়ানাতে কোন ভেড়া ছিল না। গসপেল শিক্ষা দেয়া বড় কঠিন। ফলাফল দেখে এটা বোঝা যায়। আমরা খুঁজে দেখেছি স্থানীয়ভাবে কোন প্রাণীকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। আমার মনে আছে আমাদের স্থানীয় বিশপ পরম শক্তির কাছে "এই শুকরদের মুক্ত করো" বলে মিনতি জানাতেন। হ্যাঁ, এই লোকটা এমন কাজ প্রায় করে থাকেন। তিনি আরও বলেন তার কথাগুলোতে যারা বিশ্বাস করে না, তারা লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডে মানুষ হত্যাকারীদের মতো মৌলবাদী। এটা পুরোপুরি অসচেতনতা। এজন্য একই ধরণের লোকেরা আমার বিরুদ্ধে ব্যঙ্গ ও ঘৃণা মিশিয়ে অভিযোগ করলে আমি সত্যিই কিছু মনে করি না। আসলে আমার আর কোন উপায় নেই। আমার নিজেরও যথেষ্ঠ ধারাল ও প্রখর রসিকতাবোধ আছে। ভদ্রতার অজুহাতে সেগুলোকে আমি আর দমন করে রাখবো না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: আপনি কি মনে করেন শৌখিন ও পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট পার্থক্য থাকালে ভালো হতো? চার্চের কর্তৃপক্ষের প্রতি আপনার অস্থিরতা আমি অনুভব করতে পারছি। এরা আসলে.... এটা তাদের পেশা। আমার কাছে মনে হয়েছে তারা কিছুটা ভাল জানে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: ঠিক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: জনগণ অতটা ভালো জানেনা, তার কারণ তারা যেন বেশি জানতে না পারে তার জন্য চেষ্টা করা হয়। 'ভেড়ার পালে'র বিশ্বাসকে উপহাস করার ঘটনায় আমি খুব উত্তেজনা বোধ করি। কারণ এর মাধ্যমে এটা প্রকাশ হয় যে তারা তাদের নেতার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। তারা নিজেদের বিষয়ে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবার ভার নেতার উপর অর্পণ করেছে এবং তারা ধরে নেয় যে নেতা যা করবেন, তা সম্পূর্ণ সঠিক। অতএব আমি এই বিষয়ে ভাবছি, আপনারা জানেন, কে আছে যে দাড়িয়ে বলবে 'এই  সব মাতব্বরী বন্ধ কর'। হ্যাঁ, আমার কাছে মনে হচ্ছে যে, এই কাজটি ধর্মনেতাদের মধ্যে কাউকে করতে হবে। হ্যাঁ, প্রিস্ট, বিশপ এদেরকেই করতে হবে। আমাদের উচিত তাদেরকে আগুনে ঠেসে ধরা। উদাহরণস্বরূপ, সৃষ্টির তত্ত্বটা ধরি। তাদের বিশপ বলেছেন এই কারণে যদি মৌলবাদী গির্জার কেউ সৃষ্টিতত্ত্বকে আত্মস্থ করে, তাহলে আমি তা বুঝবো এবং ক্ষমা করে দেব। আমরা যাদেরকে অথরিটি বলে মনে করি, যাদেরকে শ্রদ্ধা করি, তাদের কাছ থেকে আমরা সত্য বলে মানতে চাই এমন অনেক কিছু গ্রহণ করি। আমরা সবকিছুকে পরীক্ষা করি না। কিন্তু কোথাকার প্যাস্টর (ধর্মনেতা) এই আইডিয়াটি গ্রহণ করবে? যেখানকার হোকনা কেন তাতে আমার কিছু যায় আসে না। তাকে অবশ্যই এ বিষয়ে দায়িত্ববান হতে হবে, কারণ তার কাজ জনগণকে যা বলছেন, তার গুরুত্বকে উপলব্ধি করা। যে পদ্ধতিতে তিনি জনগণের সাথে যোগাযোগ করেছেন তার মূল অনুধাবন করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: আমাদের বক্তব্যের মতো নিজের অবস্থান সম্পর্কে আপনার আর  একটু সতর্ক হতে হবে। প্রিচারদেরকে যেভাবে অবনমিত হতে বলছি সেক্ষেত্রেও এ কথা খাটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেন্স: হ্যাঁ, কারণ... আমি আপনাকে জানি। রিচার্ড মানুষ এবং প্রকৃতিবিজ্ঞান সম্পর্কে কোন কিছু পরীক্ষা না করতে চেয়ে বক্তব্য দিয়েছে। আমি জানি আপনি সেই ধরণের ভদ্রলোক যারা সবকিছু পরীক্ষা করে দেখতে চায়। কিন্তু আপনি যদি বলেন -"বিশপ (ধর্মনেতা) আমাকে বলেছে তাই আমি বিশ্বাস করি" - তাহলে আমার মনে হবে আপনি নিজেকে বোকা হিসেবে উপস্থাপন করছেন। এ ধরণের কথা যে বলবে সেই নিজেকে একই ভাবে উপস্থাপন করবে। একজন বর্ণবাদীর সাথে কথা বলতে গিয়ে কেউ যেমন খুব বিরক্তিবোধ করেন, ঠিক তেমন। হয়তো তিনি ভালো জানেনা। কিন্তু তার এই অজ্ঞানতা আমার কাছে তার মন্দ হওয়া আটকাবে না এবং তা উচিতও হবে না। এবং আমি মনে করি ঠিক এই ধারণাগুলোকে একের পর এক সাধারণ মানুষের মুখোমুখি হতেই হয়। তাই সাধারণ মানুষের ধারণা প্রায়ই ভুল হয়। আর বেশিরভাগ জনগণের ধারণা তো সবসময় একেবারেই ভুল হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: আচ্ছা, এই বিষয়টা আরও কিছুক্ষণ আলোচনা করা হোক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: ধর্মীয় ধারণাগুলো ভুল। ধর্মীয় ধারণাগুলো তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী ভুল। আমরা একে উপেক্ষা করতে পারি না। আমি H. L. Mencken এর নামের সাথে আপনাদের পরিচয় ঘটাতে চাই। আমার পছন্দ না হলেও তিনি আমেরিকার একজন জনপ্রিয় বিখ্যাত লেখক। তিনি খুব বেশি রকমের নীৎসে মতাবলম্বী। তিনি একপর্যায়ে সামাজিক ডারউনবাদের সমর্থক বনে গিয়েছিলেন। কিন্তু কেন তিনি বিশ ও তিরিশের দশকে অসংখ্য মানুষের শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন? এর কারণ হলো - মেথোডিস্টদের কথা যারা বিশ্বাস করে এবং উইলিয়াম জেনিংস ব্রায়ান যাদেরকে বোকা বলেছিল, তাদের সাথে ও সম্পর্কে তিনি কথা বলেছিলেন। তাদেরকে বোকা বানানো হয়নি, তারা আদতে বোকাই ছিল। তাদের উচিত হবে....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: তাদের জন্য আমি লজ্জিত না হলে পারলাম না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-1442347793988764099?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/1442347793988764099/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post_6310.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1442347793988764099'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1442347793988764099'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post_6310.html' title='চার অশ্বারোহী ১০'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-999598550978393172</id><published>2009-06-10T07:15:00.000+06:00</published><updated>2009-06-10T07:15:00.584+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্যাম হ্যারিস'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রিচার্ড ডকিন্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ড্যানিয়েল ডেনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্রিস্টোফার হিচেনস'/><title type='text'>চার অশ্বারোহী ৯</title><content type='html'>ক্রিস্টোফার হিচেনস: ওহ না। আমি অবশ্যই রিচার্ডকে আক্রমণের বিষয়ে প্রফেসর অ্যালিস্টার ম্যাকগ্রাথ এর প্রশংসা করব। Tertullian এর সেই বিখ্যাত উক্তি "Credo Quia Absurdum" (রহস্যময়তার কারণে এটা বিশ্বাসযোগ্য) আমি বিশ্বাস করি। একথাটি আমাদেরকে সবসময় বলা হয়েছে, বেশিরভাগ খ্রিস্টান এতে বিশ্বাস করে। আপনারা মনে করেন, এটা হাস্যকর সেজন্য আমি বিশ্বাস করি? না। এটা প্রমাণিত, আমি নিজে পরীক্ষা করেছি। আমি ঠিক জানিনা যে এটা ম্যাকগ্রাথ এ আছে কি না। কিন্তু এর অসম্ভাব্যতা সম্পর্কে Tertullian আগেই বলেছেন। আর সেজন্য এটা বিশ্বাসযোগ্য রূপ লাভ করেছে। এটা খুব মূল্যবান পার্থক্য, আমি মনে করি, কারও মনকে ভাল করার জন্য এটা বেশ উপযোগী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: যদি সম্ভাব্যতা কোন অসম্ভাব্যতার কারণ হয়?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: এটা একই রকম। অন্যভাবে বললে বলা যায়, এটা তৈরি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: ঠিক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: অবিশ্বাস্যতা এর বিশ্বাসযোগ্যতাকে খাটো করে। অবিশ্বাস্য কোন কিছুকে আর নতুন করে কে আবিষ্কার করবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: এই লাইনগুলো দিয়ে আপনি খুব ভাল একটা পয়েন্ট তৈরি করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: ঠিক তাই। আমি মনে করি বিতর্কে কিছু সত্যিকারের সারবস্তু থাকা দরকার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: ঠিক। ভাল পয়েন্ট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: মানুষকে আমি এটাই বলব। আপনি আপনার ই-মেইল অথবা চিঠি ভুল ঠিকানায় পাঠাচ্ছেন। ধর্মকে যে তার মৌলবাদ দিয়ে বিচার করা যায় না এটা প্রত্যেকে বলে। আচ্ছা, ঠিক আছে। ধরি, ইংল্যান্ডের চার্চের কথা। সেখানকার নেতাগোছের দুজন বলেছেন উত্তর ইয়র্কসায়ারের বন্যার মূল কারণ হল সমকাম। অনুমান করি শুধু উত্তর ইয়র্কসায়ার সম্পর্কে নয় তারা লন্ডন সম্পর্কে মনে করে...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: ঈশ্বরের উদ্দেশ্য অবশ্য আরও কম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: আর একজন হলেন 'কার্লিসল এর বিশপ। ক্যান্টারবারির পরবর্তী আর্চবিশপ তিনিই হচ্ছেন। তাকে বিশেষ একটা উদ্দেশ্যে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এই চার্চকে মধ্যপন্থী, চিন্তাশীল, মননশীল বলা হয়। আবার গোঁড়া, যুক্তিহীন মন্তব্য করার জন্য কিছুটা বিরক্তিকর চার্চ বলে মন্তব্য করা হয়। অ্যালিস্টার ম্যাকগ্রাথ কার্লিসল এর বিশপকে কি বলতে চাচ্ছেন তা আমি শুনতে চাই। তিনি কি এমন বলবেন -" হে লর্ড বিশপ, আপনি নিজেকে এবং আমাদের চার্চকে কতটা বোকাটে বানিয়েছেন, তা কি বুঝতে পারেন?" তিনি কি এটা করবেন? যদি তিনি ব্যক্তিগতভাবে বলেন তাহলে আমি গ্রহণ করব না। তাকে প্রকাশ্যে একথা বলতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: কার্লিসন এর বিশপ এর কথা বাদ দিন তো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: ওরা আমাকে এসব কেন বলছে? বিশপের কথা দিয়েই আমি চার্চকে বিচার করব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: হ্যাঁ, ঠিক। কিন্তু আরেকটা ব্যাপার হল প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মতাত্ত্বিক, বিশপ এদেরকে পাত্তা না দেয়া। এরা বাইবেলের সমালোচনা করার জন্য আমাদেরকে বারবার আক্রমণ করে। এমন কি যারা বাইবেলের সাহিত্যগত দিক নিয়ে কথা বলে তারাও আক্রমণের শিকার হয়। আর হ্যাঁ, আমরা অবশ্যই 'বুক অব জেনেসিস'কে মোটেও বিশ্বাস করি না। তারপরও আদম এবং ইভ সম্পর্কে তারা এমনভাবে নসীহত করে যেন তারা সত্যিই ছিল এবং কোন ঘটনা ঘটিয়েছিল। তারা যা বলছে তা যেন স্বীকৃত আর প্রাজ্ঞ ব্যক্তির কথা। আর অন্য যে কারও কথা যেন কল্পগল্প মাত্র।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: আপনি ভাবতে পারেন প্রচারকদের যে কেউ যখন এই প্রসঙ্গে বলে তখন বলে " এটা এক রকমের তথ্যমূলক বিভ্রান্তি"।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: হ্যাঁ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: এটা সত্যি নয়, কিন্তু এটা চমৎকার একটা ধাঁধাঁ। না, তারা কখনও.... না, তারা কোন পথ খুঁজে পাবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: এরা একরকমের.... ঘটনা ঘটে যাবার পরেই জানা যায় যে তা তোমার কাছে কি প্রত্যাশা করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: হ্যাঁ। কিন্তু তারা কখনও এটা প্রচার করবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: আচ্ছা, আরেকটা ভাল পয়েন্ট আছে। তাত্ত্বিক আলোচনা করতে গিয়ে কখন থামতে হবে, তা তারা জানেনা। আমাদের চারপাশে তেমন লোকের সংখ্যাই বেশি যারা আমাদের বিধ্বংসী আলোচনাকে নিন্দা করে। আমরা নিজেরাই মৌলবাদীদের মতো মৌলবাদী। আমরা যে সব চিন্তার সংশোধন করি, তা সংশোধকদের পছন্দ নয়। সংশোধন তত্ত্বের মূল উপাদান কি? এর মৌল অবস্থান হলো সব ধরণের অপভাবনার উপর থেকে বিশ্বাস হারানো। আর এর অর্ধেক বিজ্ঞান ও ধর্ম নিরপেক্ষতাকে নিয়ে যে রাজনীতি তার মূলে কুঠারাঘাত করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: আমাদের গঠনমূলক সমালোচনাকে যারা নিন্দার্থে গ্রহণ করে তাদের আক্রমণাত্মক মনোভঙ্গীরও।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-999598550978393172?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/999598550978393172/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post_10.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/999598550978393172'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/999598550978393172'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post_10.html' title='চার অশ্বারোহী ৯'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-4129344209824262377</id><published>2009-06-07T05:13:00.000+06:00</published><updated>2009-06-07T05:13:00.942+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্যাম হ্যারিস'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রিচার্ড ডকিন্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ড্যানিয়েল ডেনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্রিস্টোফার হিচেনস'/><title type='text'>চার অশ্বারোহী ৮</title><content type='html'>ক্রিস্টোফার হিচেনস: এর সাথে আপনি বিভিন্ন রকমের বোগাস অলৌকিক কাহিনীগুলোকে যোগ করতে পারেন। এগুলো ধর্মকে একটি সম্পূর্ণ ভণ্ডামোর ভাঁড়ারে পরিণত করেছে। অলৌকিকে বিশ্বাসীরা বলত আইনস্টাইন এই মহাবিশ্বের পিছনে কোন এক অলৌকিক শক্তির অস্তিত্বে বিশ্বস করত। আইনস্টাইন এক জায়গায় বলেছিলেন -"মূল বিষয়টা হল কোন অলৌকিক বলতে কিছু নেই আবার প্রকৃতির নিয়মের কোন ব্যত্যয় নেই, এটা সত্যি রহস্যময়।" এই বাক্যটিকে ভিত্তি করে তারা আইনস্টাইনকে বিশ্বাসী বলে প্রচার করে। অথচ এই দুটো বিষয়কে গুলিয়ে ফেলা যে আসলে তাদের স্বল্পবুদ্ধির পরিচয় তা তারা বোঝে না। আমরা অবিশ্বাসীরা যেমন করি তেমন প্রত্যেক ধর্মভীরু মানুষ অন্যের ধর্মকে সমানভাবে সমালোচনা করে। তার মানে তারা অন্যদের মেকী, অলৌকিক ও ছদ্ম গন্তব্যকে বাতিল করে দেয়। অন্যদের বিশ্বাসের চালাকিগুলোও তাদের চোখে পড়ে। আপনারা জানেন প্রত্যেক খ্রিস্টান জানে বিশ্ব স্রষ্টা সম্পর্কে কোরান কোন সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারে না। যারা মনে করে কোরানে সবকিছু আছে, তারা কোরান ভালভাবে পড়ে দেখেনি। আর এটা আসলে আত্মসমালোচনাহীন দুর্ভেদ্য মনোভঙ্গি ছাড়া আর কিছুই নয়। আমার ধারণা আমরা যখন এসব চিহ্নিত করি তখন সেটা জটিল রূপ ধারণ করে। মানুষ চার্চে গিয়ে বা প্রার্থনায় বসে কিরকম অনুভব করে আমরা তাকেও আলোচ্য করে তুলি। যতো ইতিবাচকভাবেই চিন্তা করুননা কেন সেটাও ওদের জন্য কোন বিষয় নয়। আসল ঘটনা হল, বৌদ্ধ, হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান সবাই একইরকম অনুভূতি বোধ করে। এ থেকে প্রমাণ হয় যে এই অনুভূতি যিশুর পবিত্রতা বা কোরানের কোন অনন্যতার উপর নির্ভর করে না। এর কারণ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: কারণ, সেখানে যাবার সতেরো রকমের পথ আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: কথায় কথায় একটা ছোট্ট পয়েন্ট বলি। প্রসঙ্গান্তরে যাবো না। আর মনের মধ্যেও এটা লালন করা প্রয়োজন। আজ সকালে এবিসি নিউজকে আমি একথাটাই বলেছিলাম। তারা প্রশ্ন করেছিল-"ধর্ম যে কিছু ভাল কাজ করেছিল এবং ধর্মভীরু মানুষরাও ভাল লোক হয়- এ কথা কি আপনি বলবেন না?" এ নিয়ে আপনার কোন বিতর্কে জড়ানোর দরকার নেই এবং কথায় কথায় তাদের যে কাউকে জিজ্ঞাসা করুন -"হ্যাঁ হামাস যে গাজাতে সামাজিক উন্নয়ন চালাচ্ছে এমন কথা আমি শুনেছি।" মাদকদ্রব্য চোরাচালানের জন্য কারাগারে আটক ফারাহ খানের দলের সবাই তরুণ এমন কথা আমি শুনেছি। আমি একথা আনন্দের সাথেই গ্রহণ করতাম। কিন্তু সেমেটিয় বিরোধী মতবাদ এবং সেনা প্রভাবিত শাসক কোন ঘটনাকে ওল্টাতে পারবে না। বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধিৎসা মানুষকে আচ্ছন্নতা থেকে মুক্ত করেছে এ বিষয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু যারা নিজের জন্য ধর্মানুভূতির আশ্রয় চায়, তাদের জন্য আমার সহানুভূতি আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: আপনি আরও যা যা করতে পারেন, তা হল...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: না আপনি করতে পারেন না কারণ এটা সম্পূর্ণ অসততা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: আপনি একটা আইডিওলজির উদ্ভাবন করতে পারেন। কিন্তু ওইরকম মানসিক অবস্থায় যদি তা আবিষ্কৃত হয় তাহলে তাকে সম্পূর্ণ অসত্য বলা ছাড়া কোন উপায় নেই। আপনি কোটি কোটি মানুষের কাছে প্রচার চালিয়ে কিছুটা সফল হতে পারেন। আপনি বলতে পারেন -"এটা আমার নতুন ধর্ম"। মানুষকে শিক্ষা দিন যে সন্তানকে বিজ্ঞান, গণিত, অর্থনীতি পড়াতে হবে। সর্বোচ্চ সামর্থ্য অনুযায়ী তাদেরকে যাবতীয় নাগরিক সভ্যতা শিখতে হবে। যদি তাদের মধ্যে এইসব বিষয়ে উৎসাহের অভাব দেখা যায় তাহলে মৃত্যুর পর সতের জন শয়তার তাদের উপর অত্যাচার চালাবে। (হা! হা! হা! হা!) এই পদ্ধতি খুবই কাজের, হয়তো ইসলামের চাইতেও বেশি কার্যকরী হবে। তারপরও ওই সতের জন শয়তান থাকার সম্ভাবনা কতটুকু? শূন্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: এই নীতি আপনার ব্যর্থ হতে পারে। কারণ বিদগ্ধ বুদ্ধিজীবী এবং ধর্মতাত্ত্বিকদের সাথে একভাবে কথা বলতে হবে এবং জনসমাবেশে আর একভাবে বলতে হবে। শিশুদের সাথেও কথা বলার পদ্ধতি ভিন্ন হতে হবে। এবং আমরা সকলে ধর্মতত্ত্বের বিদগ্ধ অধ্যাপকদের দ্বারা নিন্দিত হব, অবহেলিত হব। মানে, আমি জানিনা আপনারা ঠিক কি অনুভব করছেন, কিন্তু আমি বুঝতে পারছি যে ধর্মতত্ত্বের পণ্ডিতেরা ভিন্ন কথা বলবেন। তারা নিজেদের মধ্যে বা অন্য পণ্ডিতদের সাথে যা আলোচনা করবেন, তার চাইতে সম্পূর্ণ বিপরীত কথা জনসম্মুখে বলবেন। তারা হয়ত অলৌকিকত্ব নিয়ে বলবেন, হয়ত...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: তারা জনসমাবেশে কথা বলবেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: হ্যাঁ। কিন্তু আর্চবিশপকেতো বলতেই হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: হ্যাঁ। কিন্তু বিদগ্ধ ধর্মতাত্ত্বিকরা যখন প্রচারকের সাথে কথা বলবেন, তখন প্রচারকের বলার কিছু থাকবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: হ্যাঁ। তা খুব সত্যি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: তার মানে, আমি বলতে চাচ্ছি মানসম্পন্ন ধর্মতত্ত্ব আসলে স্ট্যাম্প সংগ্রহের মত। এটা খুবই বিশেষায়িত ব্যাপার এবং কম মানুষই তা করতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: এসব অনায়াসে উপেক্ষা করা যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: এসব তাদের নিজস্ব ব্যাপার, তারা যা বলে তার সাথে ধর্মের যোগ বড় ক্ষীণ, তাদের চিন্তা-ভাবনাকে আমাদের অবহেলা করা উচিত কারণ তাদের কথাবার্তা আমার অভিজ্ঞতামতে, দৃষ্টি আকর্ষণীয়, মনলোভা, হালকা ধরণের। এর সাথে জীবনের সত্যিকারের অর্থের কোন সম্পর্ক নেই।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-4129344209824262377?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/4129344209824262377/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post_07.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/4129344209824262377'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/4129344209824262377'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post_07.html' title='চার অশ্বারোহী ৮'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-3022253732252708655</id><published>2009-06-04T05:11:00.000+06:00</published><updated>2009-06-04T05:11:00.156+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্যাম হ্যারিস'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রিচার্ড ডকিন্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ড্যানিয়েল ডেনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্রিস্টোফার হিচেনস'/><title type='text'>চার অশ্বারোহী ৭</title><content type='html'>&lt;a href="http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post_02.html"&gt;  পূর্ব প্রকাশের পর.......&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: কৌতুহলের বিষয় এটাই। 'প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস' করা সত্যিই একটি অনন্য বিষয়। তার মানে বিশ্বাসের নিজস্ব মতবাদ এটাই। এই রূপক দিয়েই থমাসকে সন্দেহ করা যায়। আপনি এখান থেকেই শুরু করতে পারেন। বিশ্বাস নিজেই বিশ্বাসের একটি ক্ষুদ্র সংস্করণ। সাধারন মানুষ প্রমাণের কোন স্বরূপ অনুধাবন ছাড়াই বিশ্বাস করতে পারে। এই ধরণের বিষয় নিয়ে আমার সাথে যেসব বিতর্ক হয়েছে তার সারসংক্ষেপ আপনি ব্যবহার করতে পারেন। তার মানে আমরা কিছুটা আস্টেপৃষ্ঠে..... আসলে যে ফ্রান্সিস কলিন্সের কথা বলছিলেন, এই বই থেকে বাদ দিতে পারেন। কিন্তু মূল ঘটনা হল ঈশ্বরের উপলব্ধি নিজেই একটি সূক্ষ্ম ব্যাপার। আপনার সেই কথা "কোন প্রমাণ ছাড়াই শুরু করা ভাল" শুনে আমরা বিস্মিত হয়েছিলাম। কারণ তখন কোন প্রমাণ ছাড়াই শুরু করে সেটাকেই আপনি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন। আর তারপর কোন প্রমাণ চাইলে তাকে বুদ্ধিবৃত্তিক দূর্নীতি, উস্কানীমূলক বক্তব্য বা এই ধরণের বিরোধীতা বলে পরিগণিত করবেন। এভাবে আত্মপ্রবঞ্চনার ধারাবাহিক ক্রিয়া দিয়ে আপনি নিজের অপধারণাগুলোকে সফল রাখবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: কিন্তু এ ধরণের আইডিয়া সাধারণত সুগঠিত হয় না। কারণ সেখানে বিশ্বাসযোগ্য কিছুই থাকে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: ঠিক। বিশ্বাস সম্পর্কে এটা খুব সুন্দর একটা পয়েন্ট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: যদি প্রত্যেকে যিশুর পুনরুত্থান দেখতো, যদি আমরা জানতাম যে এই পুনরুত্থান আমাদেরকে রক্ষা করেছে, তাহলে এক অপরিবর্তনীয় বিশ্বাসের জগতে আমরা বাস করতাম। এই ধারণা এখন আরও পরিশীলিত হত। আর এটা হয়তো আসলে.... আমাদের মধ্যে যারা এই ধারণার অসারতা বোঝেন তারা খুব খুশি কারণ এই ঘটনা সত্যি হরে তা খুব ভয়ংকর হত। কিন্তু যারা বিশ্বাসী তারাও এর সম্পূর্ণ প্রমাণ প্রত্যাশা করেন না। কারণ তাহলে যে সন্দেহ পোষণ করার কিছুই থাকবে না। আর এ তো সবাই জানে যে সচেতনতার সাথে কিছুতেই কোন যুদ্ধ চলে না। 'আত্মার আঁধার রাত্রি' বলতে আসলে কিছুই নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: কেউ কেউ... আমাদের বইয়ের একটা পর্যালোচনা ছিল। ঠিক কোনটা তা এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না। কিন্তু সেটা একটা সুনির্দিষ্ট পয়েন্ট ছিল। এই পুনরুত্থান জাতীয় ঘটনার পিছনে পূর্ণাঙ্গ প্রমাণ থাকবে এ ধরণের প্রত্যাশা করাটাই বোকামী। তার মানে আমি বোঝাতে চাচ্ছি যে, যদি খুব বেশি প্রমাণের কারণে সবাই বিশ্বাসের পক্ষে জোর করে তাহলে তা জাদুর চমক দেখাবে। আসলেই এটাই ফ্রান্সিস কলিন্স (Francis Collins)। আমি দু:খিত, তারপরও বলব যে এটাই ফ্রান্সিস কলিন্স।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: আমার অক্সফোর্ডের বন্ধু ক্যানন কেন্টন বলেছিল, চার্চ যদি তুরিনের পবিত্র কাফনকে বৈধতা দিত। তাহলে সে তার পদমর্যাদাকে বিসর্জন দেবে। কারণ তারা সেরকম প্রচেষ্টা নিয়েছিল, কিন্তু সে এর কোন অংশ হতে চাচ্ছিল না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: ঠিক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: আগের মত সৌভাগ্যবান হবার জন্য আমি আমার বইয়ের বিশ্বভ্রমণ বন্ধ করার প্রত্যাশা করি না। মানে আমি বলতে চাচ্ছি যে আমার বইয়ের প্রকাশের প্রথম সপ্তাহে জেরি ফলওয়েল (Jerry Falwell) মারা গেছেন। এটা সত্যিই বিস্ময়কর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: আসলে আপনার ভাগ্য অবাক করার মত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: মাদার তেরেসা নাস্তিক হয়ে যাবেন এমন প্রত্যাশা আমি করি নঅ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: ঠিক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(সমস্বরে উচ্চস্বরে হাসি)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: কিন্তু তার চিঠি পড়লে বোঝা যায়, এই মুহূর্তে আমার হাতে একটা আছে, সত্যিই বেশ মজার, কৌতুহল সঞ্চারী। মাদার তেরেসা তার কাছে পাপ স্বীকারকারী বা তার উপরওয়ালাদের সবসময় একই কথা বলেন -"যখন জনসাধারণের মধ্যে থাকি কিংবা যখন গির্জার বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে রত থাকি তখন আমি কোন কথা শুনতে পাই না, আমি কারও উপস্থিতি অনুভব করি না।" এটা মোটের কোন ছোট বিষয় নয়। কারণ এর উত্তরে তাকে বলা হয়- "বা! দারুণ! সত্যি আপনি মহান।" আপনার দু:খভোগ আপনাকে যিশুর ক্রুশবিদ্ধের সহমর্মী করে তুলেছে।" আপনি এরকম অবস্থায় ঝগড়া করতে পারেন না। আপনি বিশ্বাসের উপর যত কম আস্থা রাখবেন ততো বেশি তাকে বর্ণনা করতে পারবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: ততো বেশি একে সত্য বলে প্রমাণ করবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: হ্যাঁ, সেই সংগ্রাম এবং 'আত্মার আঁধার রাত্রি' এগুলো নিজেই নিজেকে প্রমাণ করবে। সুতরাং এই বাস্তবতা যে কর্তৃপক্ষের ক্ষমতাবলয়কে অনাবৃত করে দেয় তা আমরা বুঝে ফেলেছি। এই ধরণের মানসিকতার সাথে আমরা বিতর্ক করার আশা করতে পারি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: না, আসলে এই ক্ষেত্রে আমি ভিন্নমত পোষণ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: না, কিন্তু তুমি এই মুহূর্তে যা করছো, আমরাও তা করতে পারি। ব্যাপকভাবে প্রচারিত চালাকিগুলো দেখো, এগুলো সব চক্রাকার, নিজেই নিজের শক্তি যোগায়। যে কোন কিছুতে রূপান্তরিত হতে পারে। তুমি এদের সাথে বিতর্ক করতে পার না, তুমি বুঝতে পারবে, আসলে এটা চিন্তার কোন বৈধ পদ্ধতি নয়। কারণ যে কোন রকমের ভণ্ড মতবাদ লালন, পালন ও প্রচারের জন্য এই একই পদ্ধতি ব্যবহার করা সম্ভব। আসল ঘটনা হল কৌশলের বৈচিত্র্য আমাকে বিস্মিত করেছে। তারা এই পদ্ধতি ব্যবহার করে গর-রাজী হয়, সংক্ষেপে বললে একে বিশ্বাসবিহীন শুদ্ধতা বলতে হয়। কোন বিরুদ্ধবাদী লোকের সাথে আলোচনা শুরু করলে দেখতে পাবে তারা একই হৃদয়গত খেলা খেলছে। তোমাকে হয়তো তারা নিজের স্বর্গীয় অনুভূতির কথা বারবার বলতে থাকবে। আসলে আমি যা বলতে চাচ্ছি তা হল এসব কোন নতুন পদ্ধতি নয়। এই কৌশলগুলো হাজার বছর ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-3022253732252708655?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/3022253732252708655/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post_04.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/3022253732252708655'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/3022253732252708655'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post_04.html' title='চার অশ্বারোহী ৭'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-3544613411237209691</id><published>2009-06-02T17:07:00.001+06:00</published><updated>2009-06-02T17:10:39.322+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্যাম হ্যারিস'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রিচার্ড ডকিন্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ড্যানিয়েল ডেনেট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্রিস্টোফার হিচেনস'/><title type='text'>চার অশ্বারোহী ৬</title><content type='html'>&lt;a href="http://agnisetu.blogspot.com/2008/06/blog-post_1416.html"&gt;পূর্ব প্রকাশের পর....&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: আচ্ছা, সেটা কতটুকু ভদ্রতা হবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: এই পয়েন্টে আমাদেরকে আবার ফিরে আসতে হবে। ‘বিজ্ঞানের উদ্ধত মনোভাব’ বিষয়টি মোটেও ফেলনা নয়। কারণ বিজ্ঞান ছাড়া আর কোন তত্ত্ব ধর্মকে এত নির্মমভাবে অপমানিতকরে না। আমার জানা মতে মানুষের ইতিহাসে বিজ্ঞানীরাই প্রথম যাঁরা বলেছেন-“আমি জানি না”। তার মানে যদি তুমি কোন বিজ্ঞানীকে তাঁর নিজের বিষয়ে কিছু বলতে বল, তাহলে তিনি মাথা নাড়াতে থাকবেন। তিনি বলবেন - আমি নিশ্চিত নই। কিন্তু আমি জানি এই কক্ষে আমার চাইতে এই বিষয়ে আরও বেশি জানেন এমন কেউ আছেন। আর হ্যাঁ, অবশ্যই তুমি জান যে এখনও সব তথ্য আমরা পাইনি। এটাই আলাপের আদর্শ ধরণ। এই পদ্ধতিতে আমরা আমাদের অবহেলার বিষয়টাকে কিছুটা সুযোগ দেয়ার জন্য আংশিক হলেও খোলামেলা হতে পারি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: আচ্ছা। আসলে অনেক প্রাতিষ্ঠানিক ব্যক্তি এই ধরণের ভণ্ডামী করে থাকেন। তবে তুমি যা বলছো আমি তা বুঝতে পেরেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্যাম হ্যারিস: আচ্ছা। হ্যাঁ, হ্যাঁ। ঠিক বুঝেছো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: মেনি নামের একজন ইতিহাসবিদ বলেছেন ‘ না আমি আত্মসমর্পিত।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: না, কিন্তু যে কোন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যক্তিত্বের এরকম করা উচিত। যে কোন...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: হ্যাঁ। তাদের এমন করা উচিত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: ধর্মপ্রাণ মানুষ সম্পর্কে একথা সাধারণভাবে সত্য যে তারা যা বিশ্বাস করে সেই সব ধর্মগ্রন্থাদি তারা প্রতি সপ্তাহে পাঠ করে। ওদের তিনজন ঈশ্বর আছে। কুমারী মেরি, যিশুতো মারা গেছে... আর একজন হলো... কি যেন নাম? ... তিন দিনের জন্য অন্তারালে ছিল, পরে আবার এসেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: হ্যাঁ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: আমার বক্তব্যের সারমর্ম হল- মন:কষ্ট দেবার জন্য আমাদেরকে তারা এখনও অভিযুক্ত করে চলেছে। তারা বলছে আমরা নাকি অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী, যা ভাল জানিনা তাকে নিয়েও সন্দেহ পোষণ করি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: আমি জানি বিজ্ঞানীরা নিজেদেরকে সবসময় প্রশ্ন করে- ”আমি হয়তো ভুল করতে পারি।” এই প্রশ্নটাকে বিশ্বাসীরা কখনও চিন্তা করেছেন বলে আমার মনে হয় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: আসলে... তোমার কথাকে সমর্থন না করলে কি কিছু মনে করবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ড্যানিয়েল ডেনেট: না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: অনেকরকম কথাবার্তা বিশ্বাসী মানুষকে কঠোর করে তুলেছে। না, তাদেরকে পেটানোর বিষয়ে নয়, আলোচনা প্রসঙ্গে বলছি। তারা বলবে যে বিশ্বাসহীন দুনিয়াতে তারা বাস করছে। একটি প্রার্থনা বাক্য আছে- "হে ঈশ্বর, আমাকে অবিশ্বাসের হাত থেকে রক্ষা কর।” গ্রাহাম গ্রীন একটি বিশেষ কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন-”ক্যাথলিক হওয়াটা অবিশ্বাসের প্রতি ছুড়ে দেয়া এক বিরাট চ্যালেঞ্জ।” অসংখ্য মানুষ দুইরকম বইয়ের উপর নির্ভর করে জীবন যাপন করে। আসল ঘটনা হল, আমি দেখেছি, অসংখ্য মানুষ নিজেকে সবসময় বিশ্বাসী হিসেবে পরিচয় দেয়। শুনতে খারাপ লাগবে সেজন্য বলছি না যে এটা স্কিজোফ্রেনিয়া, তবে তাদের কথার আপাতগ্রাহ্যতা সম্পর্কে তারা সচেতন। তবে সন্দেহ করার আইডিয়াকে তারা সম্মান করেন। যখন সম্ভব তখন তারা এই বিষয়ে ভাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: যখন তারা নিজের দেষকে হাল্কা করার মানসে ধর্মসূত্র পাঠ করে তখন বেশ মজা লাগে। নিজের দেষ স্বীকার করার মাধ্যমে তারা বোধহয় মনের সন্দেহকে দূর করতে চায়। আমি বিশ্বাস করি, আমি বিশ্বাস করি, আমি বিশ্বাস করি- এই ধরণের মন্ত্র পাঠ করার কারণ কি? মনের সন্দেহ দূর করার জন্য কোন জোর খাটানো নাকি অন্তরের অবিশ্বাসকে ঢেকে রাখার একটি প্রায়- কোনটা? ’আমি বিশ্বাস করি’ এই কথাটি বারবার বলার কারণ আসলে ‘আমি বিশ্বাস করি না।’&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস: হ্যাঁ, তা তো বটেই। ধর্মনিরপেক্ষতার বিরোধীরাও একই ধরণের। তারা অন্যদেরকে বিশ্বাসী দেখতে চায়। অন্যরা যাতে অবিশ্বাসী না হয়ে যায় তার জন্য ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা এমন সুস্পষ্ট ঘোষণা দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচার্ড ডকিন্স: হ্যাঁ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-3544613411237209691?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/3544613411237209691/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post_02.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/3544613411237209691'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/3544613411237209691'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post_02.html' title='চার অশ্বারোহী ৬'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-6078127965784111312</id><published>2009-06-01T05:38:00.002+06:00</published><updated>2009-08-15T12:42:48.985+07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৬</title><content type='html'>দ্বিতীয় হাদিসটিতে বলা হয়েছে যে অনেক জিহাদিই পৌত্তলিক স্বামীটির সামনে তার স্ত্রীর উপর বলাৎকার করতে দ্বিধান্বিত ছিল। কিন্তু মহম্মদ এখানে বিপদের গন্ধ পেয়েছিলেন, তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন যে জিহাদিরা যা করতে চায় তা করতে না দিলে বিপদের সম্ভাবনা আছে। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে আল্লাহ যদি এই আনন্দোৎসবের অনুমতি না দেন, জিহাদিরা বেঁকে বসতে পারে, তাদের সমর্থন শূন্যে মিলিয়ে যেতে খুব বেশী দেরী হবে না। সুতরাং নবী মহামহিম আল্লাহর মধ্যস্থতা  যাচ্ঞা  করলেন,  তরিৎগতিতে  আরশ-মোয়াল্লা   থেকে  মঞ্জুরি  নেমে  এলো। মহান  আল্লাহ  কাফের রমনীদের (বিবাহিতা হলেও) ভোগ করার অনু মতি প্রদান করে ধন্য করলেন জিহাদিদের। কিছু কিছু জিহাদি স্বামী বর্তমান থাকতেও বন্দিনীদের সাথে সেক্স করে এবং কেউ কেউ তা করতে দ্বিধাগ্রস্থ হয়। (সুনান আবুদাউদঃ ১১:২১৫০)।&lt;br /&gt;সুনান আবু দাউদঃ বুক নং-১১, হাদিস নং-২১৫০:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবু সাইদ আল খুদরি বলেন- “হুনায়েন যুদ্ধের সময় আল্লাহর রাসুল (দঃ) আওতাসে এক অভিযান পাঠান। তাদের সাথে শত্রুদের মোকাবেলা হলো এবং যুদ্ধ হলো। তারা তাদের পরাজিত করল এবং বন্দী করল। রাসুলুল্লাহর (দঃ) কয়েকজন অনুচর বন্দিনীদের স্বামীদের সামনে তাদের সাথে যৌনসঙ্গম করতে  অপছন্দ করলেন। তারা (স্বামীরা) ছিল অবিশ্বাসী কাফের)। সুতরাং মহান আল্লাহ কোরাণের আয়াত নাজেল করলেন- “সমস্ত বিবাহিত স্ত্রীগণ (তোমাদের জন্যে অবৈধ); কিন্তু তোমাদের দক্ষিন হস্ত যাদের অধিকারী (যুদ্ধবন্দিনী)- আল্লাহ তোমাদের জন্যে তাদেরকে বৈধ করেছেন”। অর্থাৎ- পিরিয়ড শেষ হলে তারা তাদের জন্যে বৈধ (৪:২৪)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যুদ্ধবন্দিনীর সাথে সহবাস বৈধ, তবে শর্ত থাকে যে তার মাসিক স্রাব শেষ গেছে কিংবা গর্ভবতী হলে তার গর্ভ খালাস হয়ে গেছে। তার যদি স্বামী থেকে থাকে, বন্দী হওয়ার পর সে বিবাহ বাতিল বলে গন্য হবে। (কোরাণ-৪:২৪, সহি মুসলিম-৮:৩৪৩২)।&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-৮, হাদিস নং-৩৪৩২:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবু সাইদ আল খুদরি (রাঃ) বলেছেন যে হুনায়েনের যুদ্ধকালে আল্লাহর রাসুল (দঃ) আওতাস গোত্রের বিরুদ্ধে একদল সৈন্য পাঠান। তারা তাদের মুখোমুখি হলো এবং তাদের সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হলো। যুদ্ধে পরাজিত করার পর কিছু বন্দী তাদের হাতে আসল। রাসুলুল্লার কিছু সাহাবি ছিলেন যারা বন্দিনীদের সাথে সহবাস করতে বিরত থাকতে চাইলেন, কারণ তাদের স্বামীরা ছিল জীবিত, কিন্তু বহু ঈশ্বরবাদী। তখন মহান আল্লাহ এ সম্পর্কিত আয়াতটি নাজেল করলেন- “এবং বিবাহিত নারীগণ তোমাদের জন্যে অবৈধ, তবে যারা তোমাদের দক্ষিন হস্তের অধিকারে আছে তাদের ছাড়া”।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-6078127965784111312?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/6078127965784111312/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/6078127965784111312'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/6078127965784111312'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/06/blog-post.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৬'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-918524774021090955</id><published>2009-05-20T16:17:00.000+06:00</published><updated>2009-05-20T16:17:00.078+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৫</title><content type='html'>নৈতিকতা এবং ন্যায়বিচারের কথা ভাবছেন আপনি? হ্যাঁ, অসহায় নিরপরাধ বন্দিনীদের সাথে দয়াল নবীর ন্যায়বিচারের এই হলো নমুনা। শুধু রায়হানা নয়, জাওয়াহিরা এবং সাফিয়া নাম্নী আরও দুই রক্ষিতা ছিল নবীর। জওয়াহিরা তার হাতে আসে বানু আল-মুস্তালিক অভিযান থেকে, সাফিয়া আসে খায়বারের বানু নাজির গোত্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযান থেকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে মহম্মদের উপপত্নীদের অধিকাংশই ছিল হয় ইহুদি নয়তো খৃষ্টান। (রায়হান, জওয়াহিরা ও সাফিয়া ছিল ইহুদি, মারিয়া কিবতি ছিল খৃষ্টান)। মুখ বাঁচাতে ইসলামপন্থীরা এখনই সমস্বরে কোরাস গেয়ে উঠবেন যে মহম্মদ বড়োই দয়ালু ছিলেন, ঐসব অসহায় তরুনীদের দুঃখ দেখে তার কোমল প্রাণ কেঁদে উঠল। তাই তিনি তাদের গ্রহন করে দাসী হিসেবে বিক্রি হওয়ার হাত থেকে তাদের রক্ষা করেছেন। তারা আমাদেরকে আরও বিশ্বাস করতে বলবেন যে ঐসব বন্দিনীরা মহম্মদকে বিয়ে করে খুবই সুখী হয়েছিল কারণ মহম্মদকে দেখামাত্র তার প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে পড়েছিল তারা। কী অবিশ্বাস্য অপুর্ব যুক্তি, লিখিতভাবে মানুষের ইতিহাস শুরু হওয়ার পর থেকে এমন অকাট্য যুক্তি কেউ আবিস্কার করতে পেরেছে বলে অন্ততঃ আমার জানা নেই। মাত্র ঘন্টাকয়েক আগে যার হাতে তার স্নেহময় পিতা প্রাণ দিয়েছে, বড় আদরের ভাইটি অকালে ঝরে গেছে, প্রেমময় স্বামীর প্রিয় মুখটি অশ্বের খুরাঘাতে দলিতমথিত হয়েছে- সেই হত্যাকারীর প্রেমে সে রাতারাতি পাগল হয়ে গেল ! মহম্মদ যা করেছেন, সে যুগে তাই ছিল রীতি। একবিংশ শতাব্দির দোরগোড়ায় এসে কতগুলি খোড়া যুক্তি দিয়ে সেই বন্য রীতিকে জাষ্টিফাই করা অমানবিক। মানবতার প্রতি চরম অবমাননাকর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর আগেও বলা হয়েছে, কাফেরদের বিরুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর পরিচালিত অভিযানের পেছনে ড্রাইভিং ফোর্স হিসেবে কাজ করেছে কাফের রমনীদের রসালো শরীরের প্রতি জিহাদিদের অপরিমিত লোভ। এতই প্রচন্ড ছিল সেই লোভ যে কাংখিত নারীটি করায়ত্ত হওয়ার পর বিন্দুমাত্র বিলম্ব সইতো না জিহাদিদের। বন্দিনীদের ঋতুস্রাবও নিবৃত্ত করতে পারতো না তাদের, তার মাঝেই বন্দিনীদের উপর চড়ে বসতো তারা। এমতবস্থায় স্বয়ং আল্লাহপাককে বাণী নিয়ে এগিয়ে আসতে হলো, ডিক্রি জারী করতে  হলো  যে  পিরিয়ড শেষ হওয়ার  পরেই কেবল  বন্দিনীদের  ধর্ষণ করা  যাবে। ঐসব ইসলামী  সৈনিকদের যৌনতাড়না এতটাই বর্বর ও ঘৃন্য ছিল যে তারা এমনকি কোনপ্রকার গোপনীয়তা অবলম্বনেরও ধার ধারত না। এমনও হয়েছে যে স্বামীদের সামনেই বন্দিনীদের উপর ঝাপিয়ে পড়েছে জিহাদিরা। স্ত্রীকে এক নরপশু খাবলে খাচ্ছে, বন্দী স্বামী চোখ মেলে তাই দেখছে। মানবতার এত বড় অপমান বিশ্ব সংসারে আর কখনও ঘটেছে কী?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নীচের হাদিস দুটি পড়ুন এবং যুদ্ধবন্দীদের মর্যাদার প্রশ্নে জেনেভা কনভেনশনে রচিত আইনের সাথে আল্লাহ প্রদত্ত ইসলামী আইনের তুলনা করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথম হাদিসটিতে বলা হয়েছে যে কিছু কিছু বন্দিনী ছিল যারা ছিল বিবাহিতা এবং তাদের স্বামী তখনও বেচে, যদিও স্বামীরা ছিল অমুসলিম কাফের। এই ধরণের বন্দিনীদের সাথে সেক্স করতে কোন কোন জিহাদি সঙ্কোচ বোধ করত। কেউ কেউ আবার পরাজিত শত্রুটির সামনেই তার স্ত্রীকে ভোগ করতে বেশী পছন্দ করত। এ এক ধরণের যৌনবিকৃতি, যার কিছু নমুনা আমরা দেখেছি একাত্তরে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়। পাঞ্জাবি এবং পাঠান সৈন্যরা একাত্তরে বাঙালি রমনীদের উপর যা করেছে, তার পুর্ণ সমর্থন মেলে এই হাদিসগুলি হতে। ইয়াহিয়ার জল্লাদ বাহিনী একাত্তরে যা কিছুই করে থাকুক, ইসলামী শাস্ত্রের বাইরে কিছু করেনি। ইসলামের প্রাথমিক গাজওয়াগুলিতে নবীর বাহিনী ঠিক এমনটিই করত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-918524774021090955?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/918524774021090955/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post_20.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/918524774021090955'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/918524774021090955'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post_20.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৫'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-3074400068553301604</id><published>2009-05-16T16:16:00.000+06:00</published><updated>2009-05-16T16:17:32.007+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৪</title><content type='html'>গাজওয়ায় যেসব নারীদের বন্দী হতো, তাদের মধ্য থেকে মহম্মদ (দঃ) স্বয়ং বেশ কয়েকজনকে নিজের স্ত্রী কিংবা উপপত্নী হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন। সবচেয়ে সুন্দরী এবং সবচেয়ে সেক্সি মেয়েটিকেই তিনি নিজের জন্যে রাখতেন। নিজের জামাইদেরকেও তিনি যুদ্ধবন্দিনীদের ভাগ দিতে কসুর করেননি, হযরত আলী এবং হযরত ওসমানকেও তিনি উদারভাবে মালে গনীমৎ বন্টন করেছেন। নীচের হাদিসটিতে দেখা যাবে, কীভাবে মা ফাতেমার স্বামী নবী জামাতা শেরে খোদা হযরত আলী বন্দিনীর সাথে সেক্স করছেন, যে বন্দিনীকে তিনি শ্বশুরের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পেয়েছেন। একদিক বিবেচনা করলে মহম্মদকে (দঃ) বরং বেশ উদারই মনে হয় এ ক্ষেত্রে। এই অধুনিক যুগেও কয়টা শ্বশুর আছে যে নিজের মেয়ের জামাইকে অন্য মেয়ের সাথে সেক্স করতে দেখেও সহ্য করবে কিংবা তার জন্যে একটি সেক্স-পার্টনার জুটিয়ে দেবে?&lt;br /&gt;সহি বুখারিঃ ভলিউম-৫, বুক নং-৫৯, হাদিস নং-৬৩৭:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বুরাইদা কর্তৃক বর্ণিতঃ&lt;br /&gt;নবী আলীকে ‘খুমুস’ আনতে খালিদের নিকট পাঠালেন (যুদ্ধলব্ধ মালের নাম খুমুস)। আলীর উপর আমার খুব হিংসা হচ্ছিল, সে (খুমুসের ভাগ হিসেবে প্রাপ্ত একজন যুদ্ধবন্দিনীর  সাথে যৌনসঙ্গমের পর) গোসল সেরে নিয়েছে। আমি খালিদকে বললাম- “তুমি এসব দেখ না”? নবীর কাছে পৌছলে বিষয়টি আমি তাকে জানালাম। তিনি বললেন- “বুরাইদা, আলীর উপর কি তোমার হিংসা হচ্ছে”? আমি বললাম-“হ্যা, হচ্ছে”। তিনি বললেন-“তুমি অহেতুক ইর্ষা করছ, কারণ খুমুসের যেটুকু ভাগ সে পেয়েছে তার চেয়ে আরও বেশী পাওয়ার যোগ্য সে”।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যুদ্ধ জয়ের পর শত্রুদের সুন্দর ও সেক্সি মেয়েগুলি তাদের হাতে আসবে, এই বিবেচনাই ছিল ইসলামের প্রাথমিক যুগের জিহাদিদের অন্যতম প্রধান ড্রাইভিং ফোর্স। অন্ততঃ ইবনে ইসহাকের সিরাতে রাসুলুল্লাহ গ্রন্থ পাঠ করলে এই চিত্রই পাঠকের মনে সুস্পষ্ট হবে। বৃদ্ধা, কুৎসিৎ এবং খুব সেক্সি নয় এমন নারী জিহাদিদের কাম্য ছিল না। এদেরকে বোঝা হিসেবেই গন্য করত তারা। মহম্মদের (দঃ) সবচেয়ে প্রামান্য এই জীবনচরিত পাঠ করে আমরা জানতে পারি, হুনায়েনের যুদ্ধে এক বৃদ্ধাকে ছেড়ে দেওয়া হলো, কারণ তার মুখমন্ডল ছিল শীতল, বক্ষদেশ সমতল, সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা ছিল না তার এবং বুকে দুধের ধারা শুকিয়ে গেছে। সুতরাং ছয়টি উটের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হলো (রেফারেন্স-১০, পৃ-৫৯৩)। এ কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটাই ছিল রীতি। কদাকার হাসের ছানাটিকে ছেড়ে দাও, বুড়ি দিদিমাই বা কোন্ কাজে আসবে। তার বিনিময়ে বরং কয়েকটি উট-দুম্বা পেলেও লাভ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নারীমাংসের প্রতি জিহাদিদের লোভের আরও প্রমান মেলে তায়েফ অবরোধের বিবরণ থেকে। তায়েফে ছিল তাফিক গোত্রের বাস। সুন্দরী এবং সেক্সি হিসেবে তাফিক-মেয়েদের নামডাক ছিল প্রচুর। এই যুদ্ধে অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে অধিকাংশই যোগ দিয়েছিল লুটতরাজ ও সুন্দরী তায়েফনন্দিনীদের সাথে সেক্স করার লোভে। জনৈক জিহাদির বিবরণ হতে দেখা যায় যে সে অকপটে স্বীকার করছে- সে যুদ্ধ করার জন্যে এই অভিযানে শরিক হয়নি, বরং একটি সুন্দরী তাফিক রমনী কব্জা করা এবং তাকে গর্ভবতী করার উদ্দেশ্যেই সে অভিযানে এসেছে, কারণ সে জানে যে তাফিক নারীরা বুদ্ধিমান সন্তানের জন্ম দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বানুকুরাইজা নামক ইহুদি গোত্রটির সমস্ত পুরুষ সদস্যদের হত্যা করার পর তাদের ধনসম্পত্তি ও নারীগন মুসলমানদের দখলে আসে। রায়হানা নাম্নী এক সুন্দরী ইহুদিনীকে নবী নিজের জন্যে নির্বাচিত করেন। তিনি রায়হানাকে বিয়ে করতে চাইলে রায়হানা সে প্রস্তাব অস্বীকার করে; বিবাহিত স্ত্রীর হওয়ার পরিবর্তে তার নিজ ধর্মে (ইহুদি ধর্মে) অটল থেকে নবীর একজন উপপত্নী হিসেবে থাকতেই পছন্দ করে সে। এমতবস্থায় উপপত্নী হিসেবেই রাসুলের হারেমে ঠাই হয় রায়হানার। ইবনে ইসহাকের বর্ণনা হতে আমরা জানতে পারি, মুসলমানগণ যখন বানু হাওয়াজিন গোত্রকে পরাজিত করে, প্রায় ৬ হাজার নারী ও  শিশু বন্দী  হয় মুসলমানদের হাতে।  নারীমাংসের এতবড় চালান  ইতিপুর্বে জিহাদিদের হাতে আর আসেনি। নারীদেরকে জিহাদিদের মধ্যে যথারীতি বন্টন করে দেয়া হয়। রায়তা নাম্নী সুন্দরী বন্দিনীটি হযরত আলীর ভাগে পড়ে, জয়নাব নাম্নী আরেক হতভাগী পড়ে হযরত ওসমানের ভাগে। নারী-মাংসের এক ভাগ হযরত ওমরের ভাগ্যেও জুটেছিল, তবে ভাগটি তিনি নিজে না নিয়ে ভোগ করার জন্যে তা প্রিয় পুত্র আব্দুল্লাহর হাতে তুলে দেন (প্রাগুক্ত, পৃ-৫৯২-৫৯৩)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-3074400068553301604?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/3074400068553301604/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post_16.html#comment-form' title='12 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/3074400068553301604'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/3074400068553301604'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post_16.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৪'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>12</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-8951810990737942814</id><published>2009-05-13T16:14:00.000+06:00</published><updated>2009-05-16T16:15:55.937+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৩</title><content type='html'>&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;উপপত্নী প্রথা (concubinage):&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;‘ডিকশনারী অব ইসলাম’ (রেফারেন্স-৬, পৃষ্ঠা-৫৯) গ্রন্থ অনুসারে উপপত্নী বা ‘কঙ্কুবাইন’ শব্দের আরবী প্রতিশব্দ সুরিইয়া, বহুবচনে সারারি। ইসলাম ধর্ম উপপত্নী প্রথা পালন করার পক্ষে খোলা লাইসেন্স দিয়ে রেখেছে। একটিমাত্র শর্ত আছে, উপপত্নীটির ষ্ট্যাটাস হতে হবে দাসী। স্বাধীন নারীকে উপপত্নী করা চলবে না।&lt;br /&gt; &lt;br /&gt;দাসী তিন ধরণের- (১) যুদ্ধবন্দিনী, (২) বাজার হতে নগদ মুল্যে ক্রয় করা দাসী, এবং (৩) দাসীর সন্তানসন্ততি (দাসীর সন্তানসন্ততিও পুরুষানুক্রমিকভাবে দাস বা দাসী)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যুদ্ধবন্দিনী যদি বিবাহিতাও হয়, কোরাণের নিয়মানুযায়ী (৪:২৮) তাদের ভাগ্য সম্পুর্ণরূপে বিজয়ী মুসলমানদের হাতে সমর্পিত। “তোমাদের জন্যে অবৈধ করা হয়েছে নারীদের মধ্যে সধবাগণকে (অন্যের বিবাহিত স্ত্রীগণকেও); কিন্তু তোমাদের দক্ষিন হস্ত যাদের অধিকারী- আল্লাহ তোমাদের জন্যে তাদেরকে বৈধ করেছেন”। এই উপপত্নীপ্রথা স্বয়ং মহম্মদ (দঃ) কতৃক স্বীকৃত এবং নিজের জীবনে তিনি তা পালনও করে গেছেন। বানু কুরাইজা নামক ইহুদি গোত্রের সাথে যুদ্ধান্তে (৫ হিজরি সালে) তিনি রায়হানা নাম্নী এক সুন্দরী ইহুদিনীকে উপপত্নী হিসেবে গ্রহন করেন। মিশরের শাসনকর্তা কর্তৃক উপহার হিসেবে প্রদত্ত এক খ্রীষ্টান ক্রীতদাসীও তার উপপত্নী ছিল যার নাম ছিল মারিয়া কিবতি। জালালানের (কোরাণের একজন শীর্ষস্থানীয় ব্যাখ্যাকারক) উদ্ধৃতি দিয়ে ডিক্সনারি অব ইসলাম লিখেছে (রেফারেন্স-৬, পৃ-৫৯৫-৬০০):&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(১) দাসী যদি বিবাহিতাও হয়, তাকেও অধিকারে নেয়ার ক্ষমতা আছে মনিবের। সুরা ৪:২৮; “তোমাদের দক্ষিন হস্ত যাদের অধিকারী- আল্লাহ তোমাদের জন্যে তাদেরকে বৈধ করেছেন”। এই আয়াতের ব্যাখ্যায় জালালান বলেন- “অর্থাৎ, যাদেরকে তারা যুদ্ধের ময়দানে আটক করেছে, তাদের সাথে সহবাস করা তাদের জন্যে বৈধ, যদি তাদের স্বামীগণ দারুল হরবে জীবিতও থাকে” (দারুল হরব অর্থ- অমুসলিম রাষ্ট্র বা দেশ)। (পাঠক-পাঠিকাবর্গ, ডিক্সনারি অব ইসলাম গ্রন্থটিতে ৪:২৮ নং আয়াত হিসেবে যে আয়াতটির উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে, আসলে সেটি কোরাণের ৪:২৪ নং আয়াত (সুরা নিসা)। মাওলানা ইউসুফ আলী, পিকথল এবং যে কোন বাংলা তরজমায় একে ৪:২৪ আয়াত হিসেবেই পাওয়া যাবে। এই অধ্যায়ের প্রথমেই উক্ত আয়াতটির বর্ণনা রয়েছে।)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসলামপন্থীরা বয়ান করে থাকেন যে আদি ইসলামের স্বর্গীয় ও আধ্যাত্মিক রূপে মুগ্ধ হয়েই জিহাদিরা মহম্মদের (দঃ) সঙ্গে গাজওয়ায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল (গাজওয়া শব্দের অর্থ- নারী ও ধনসম্পত্তি লুটপাট করার জন্যে বিধর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযান)। কিন্তু মহম্মদের (দঃ) জীবনী পাঠ করলে সম্পুর্ণ ভিন্ন চিত্র ভেসে উঠে আমাদের সামনে। এইসব লুন্ঠনকারী দস্যুদের মুল আকর্ষণ ছিল কাফের রমনীদের সাথে অপরিমিত সেক্স করা এবং তাদের ধনসম্পত্তি লুটপাট করা। আমরা দেখতে পাই, যখনই মুসলমানরা কোন অমুসলিম গোত্রকে আক্রমন করেছে, তারা তাদের নারীদিগকে এক জায়গায় জড়ো করে বন্দী করেছে। বৃদ্ধা এবং শিশুদিগকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হত্যা করা হতো, কারণ এই প্রজাতিগুলি জিহাদিদের কোন কাজে আসবে না, ভার বাড়াবে মাত্র। তরুনী এবং সেক্সি কাফের রমনীদের বাছাই করা হতো এবং জিহাদিদের মধ্যে বন্টন করা হতো। যুদ্ধের ময়দানেই তাদের উপর সওয়ার হয়ে অপরিসীম যৌনক্ষুধা মিটিয়ে নিত জিহাদিরা। অতঃপর হয় তাদেরকে দাসী হিসেবে অন্য কারও কাছে বিক্রি করা হতো নয়তো মুক্তিপনের বিনিময়ে আত্মীয়দের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হতো (যদি মুক্তিপণ দিয়ে স্ত্রীকন্যাকে ফিরিয়ে নেয়ার মতো কোন আত্মীয় অবশিষ্ট থাকতো)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিচে তাবুক যুদ্ধের একটি বর্ণনা পেশ করা হলো। ইবনে ইসহাক রচিত মহম্মদের জীবন চরিত গ্রন্থ হতে বিবরণটি নেয়া হয়েছে। (রেফারেন্স-১০, পৃ-৬০২-৬০৩)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তায়েফ ও হোনায়েন যুদ্ধের পর মহম্মদ কয়েক মাস মদীনায় অবস্থান করলেন। অতঃপর তিনি বাইজেন্টাইনদের উপর আক্রমন পরিচালনা করার প্রস্তুতি নিতে আদেশ দিলেন। তখন ছিল ঘোর গ্রীষ্মকাল। আরব উপদ্বীপে সে বৎসর প্রচন্ড খরা চলছিল, সুর্যের তাপ ছিল অসহনীয়। এই সময়ে অভিযানে বের হতে অনেকেরই ঘোরতর অনিচ্ছা ছিল। অভিযান থেকে রেহাই পেতে কেউ কেউ নবীর কাছে প্রার্থনা জানাল। তদসত্ত্বেও অভিযানের আয়োজন চলল জোর কদমে। জা'দ বিন কায়েস নামক জনৈক মুসলমানকে নবী জিজ্ঞেস করলেন- সে জিহাদে যেতে প্রস্তুত কিনা। উত্তরে জা'দ এই বলে অস্বীকৃতি জানাল যে- সে খুব স্ত্রীলোক পছন্দ করে। বাইজেন্টাইন রমনীরা অপুর্ব সুন্দরী, তাদের দেখলে সে নিজকে আয়ত্বে রাখতে পারবে না। সুতরাং তাকে যেন রেহাই দেয়া হয়। মহম্মদ (দঃ) তাকে ছেড়ে দিলেন, অতঃপর জা’দকে উদ্দেশ্য করেই পবিত্র কোরাণের অত্র আয়াত নাজেল হলো- “তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলে যে আমাকে (যুদ্ধে না যেতে) অনুমতি দিন...”(৯:৪৯, সুরা তাওবা)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-8951810990737942814?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/8951810990737942814/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post_13.html#comment-form' title='4 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8951810990737942814'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8951810990737942814'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post_13.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৩৩'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-7412930628070043009</id><published>2009-05-10T22:09:00.000+06:00</published><updated>2009-05-10T22:09:00.410+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৩২</title><content type='html'>জাওজ হচ্ছে পত্নী, আজওয়াজ পত্নীগণ। বাংলা তরজমাকারীরা কেন পবিত্র গ্রন্থের তরজমায় এরূপ করেছেন তা তারাই ভাল বলতে  পারবেন। তবে ইংরেজী  অনুবাদকারীরা  তা করেননি,  ষ্পষ্টভাবে ওয়াইভস (wives)  বলে অনুবাদ করেছেন। পাঠকরা যাতে বাজারে প্রচলিত বাংলা অনুবাদ গ্রন্থগুলি পড়ে কোনপ্রকার ধন্দে না পড়েন, তাই এত কথা বলা। সে যাহোক, বর্তমান জমানায় যুদ্ধবন্দী কারা? এই প্রশ্নের জবাব খুজতে বেশীদুর যাওয়ার প্রয়োজন নেই। যেহেতু কাফেরদের সাথে চিরস্থায়ী যুদ্ধ চালিয়ে  যেতে হবে বলে ইসলাম প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, সুতরাং  কাফেরদের দেশের সমস্ত রমনীই অন্ততঃ তাত্ত্বিকভাবে এই ক্যাটাগরিতে পড়ে। এর অর্থ এই দাঁড়ায় যে কাফেরদের দেশে বসবাসরত একজন মুসলমান (তা সে বিবাহিত বা অবিবাহিত যাই হোক না কেন) যে কোনসংখ্যক কাফের রমনীর সাথে ঘুমাতে পারে (অর্থাৎ সেক্স করতে রে)। এই কাজের জন্যে জিনা বা ব্যভিচারের দায়ে লজ্জিত বা দন্ডিত হওয়ার বিন্দুমাত্রও শঙ্কার কারণ নাই তার। অনেক ইসলামপন্থী হয়তো গর্ব করে বলেই বসবেন যে এইসব কাফের নারীরা মুসলমান পুরুষের স্বাদ গ্রহন করতে পারছে - এটা তাদের চৌদ্দ পুরুষের ভাগ্য। একবার থাইল্যান্ডের এক মেসাজ পার্লারে কয়েকজন পাক্কা মুসলমানের সাথে দেখা হয় আমার। থাই যৌনকর্মীদের সাথে তারা কী করছে- আমার এই প্রশ্নের জবাবে তারা অম্লানবদনে বলল যে থাই রমনীদের সাথে সেক্স করা দোষের কিছু না। কারণ থাইল্যান্ড কাফেরদের দেশ আর কাফের রমনীদের সাথে সেক্স করা পুরোপুরি ইসলাম সম্মত। বর্তমানে পৃথিবী জুড়ে মুসলমানরা কাফেরদের হাতে নির্যাতিত হচ্ছে, বিশ্বের সমস্ত অমুসলিমদের সাথে যুদ্ধাবস্থায় আছে মুসলমানরা। যুদ্ধাবস্থায় সমস্ত কাফের রমনীরাই গনীমতের মাল হিসেবে বিবেচিত হওয়ার যোগ্য, তা সে যেখানেই থাকুক না কেন। তারা আমাকে আরও বলে যে কোন মুসলমান যদি অমুসলিম দেশে ভ্রমন করতে যায়, অমুসলিম রমনী ভোগ করায় কোন দোষ নেই, একাজ পুরোপুরি শরীয়তসম্মত। তাদের কথাকে তখন মোটেও আমলে নেইনি আমি। ভেবেছিলাম এইসব মোল্লারা ইসলামের কিছুই জানে না, নিজেদের ভোগবাসনা চরিতার্থ করতে যা তা বানিয়ে বলছে। এর কয়েক বছর পর আমি ইসলাম সম্পর্কে ষ্টাডি করতে মনস্থ করি। গভীরভাবে অধ্যয়নের পর বিস্ময়ে যেন বোবা হয়ে গেলাম আমি। বুঝতে পারলাম, থাইল্যান্ডে যাদেরকে আমি কাঠমোল্লা ভেবে মনে মনে গাল দিয়েছিলাম, তারা ঠিক কথাটিই বলেছিল সেদিন। জীবন্ত ইসলাম হিসেবে মুসলমানরা যা মান্য করে থাকে, সেই শারিয়ার বাইরে কিছুই করেনি তারা! বিশ্বাস হচ্ছেনা তো? তা’হলে শারিয়া বর্ণিত নীচের আইনটি পড়ে দেখুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিদেশের মাটিতে জিনা বা ব্যভিচার করলে কোন শাস্তি নাই (রেফারেন্স-১১, পৃ-১৮৫)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিদেশের মাটিতে বেশ্যাবৃত্তি সংঘটন (Committing whoredom) শাস্তিযোগ্য নয়-&lt;br /&gt;যদি কোন মুসলমান বিদেশের মাটিতে কিংবা বিদ্রোহী অধ্যুষিত অঞ্চলে বেশ্যাবৃত্তি সংঘটনের কারণে দোষী সাব্যাস্ত হয়, এবং অতঃপর মুসলিম রাষ্ট্রে প্রত্যাবর্তন করে, তার উপর শাস্তি&lt;br /&gt;প্রয়োগযোগ্য হবে না, এই কারণে যে একজন ব্যক্তি, সে যেখানেই থাকুক না কেন, মুসলিম ধর্ম বিশ্বাস গ্রহন করার কারণে, সেখানকার (অর্থাৎ মুসলিম রাষ্ট্রের) সমস্ত বাধ্যবাধকতা পালন করে চলতে নিজেকে দায়বদ্ধ করেছে। এর পক্ষে আমাদের পন্ডিতজনদের (Doctors) দ্বিবিধ যুক্তি রয়েছে:-&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;প্রথমতঃ&lt;/span&gt;- নবী বলেছেন যে- “বিদেশের মাটিতে শাস্তি প্রদান করা যায় না”;&lt;br /&gt;এবং&lt;span style="font-weight: bold;"&gt; দ্বিতীয়তঃ&lt;/span&gt;- শাস্তি প্রদানের বিধানগুলির অভিপ্রায় হচ্ছে (অপরাধ) রোধ করা কিংবা সতর্ক করা;&lt;br /&gt;এক্ষেত্রে বিদেশের মাটিতে একজন মুসলমান ম্যাজিষ্ট্রেটের কোন কর্তৃত্ব নাই, সুতরাং বিদেশের মাটিতে বেশ্যবৃত্তি সংঘটনের দায়ে যদি কোন ব্যক্তির উপর শাস্তির বিধান প্রয়োগ করা হয়, তা’হলে উক্ত বিধান অর্থহীন, কারণ বিধানের উদ্দেশ্যই হচ্ছে যেন শাস্তি কার্য্যকরী হতে পারে; এবং যেহেতু বিদেশের মাটিতে ম্যাজিষ্ট্রেটের কর্তৃত্ব নাই, শাস্তি কার্যকর করা অসম্ভব; যা থেকে প্রতীয়মান হয় যে বিদেশের মাটিতে বেশ্যাবৃত্তি সংঘটনের দায়ে সেখানে শাস্তি প্রয়োগযোগ্য নয়; এবং উক্ত ব্যক্তি যদি পরবর্তীতে বিদেশের মাটি হতে মুসলমান রাষ্ট্রে আগমন করে, তার উপর শাস্তি প্রয়োগ করা যাবে না; কারণ বেশ্যাবৃত্তি সংঘটনের সময় যেহেতু শাস্তি প্রদান করা হয় নাই, পরবর্তীতে তা প্রদান করা যাবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-7412930628070043009?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/7412930628070043009/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post_10.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/7412930628070043009'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/7412930628070043009'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post_10.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৩২'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-1634989348971392920</id><published>2009-05-08T22:06:00.000+06:00</published><updated>2009-05-08T22:09:28.614+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা ৩১</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;পঞ্চম খন্ড&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে সেক্সঃ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;যুদ্ধে অধিকৃত নারী/ যৌনদাসীর সাথে সেক্স:-&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসলাম যুদ্ধে অধিকৃত নারীদের সাথে অবাধ সেক্স করার অনুমতি দেয়। এই নিয়ম ইসলামের সোনালি যুগে প্রচলিত ছিল (এবং অন্ততঃ তাত্ত্বিকভাবে সে আইন এখনও বহাল আছে)। স্বয়ং রাসুলে করিম এই নিয়ম পালন করেছেন। কোরাণের যে সমস্ত আয়াতে এই ধরণের সেক্স করার অনুমতি দেয়া হয়েছে, তার গোটাকয়েক নিচে উদ্ধৃত করা হলো।&lt;br /&gt;০০৪.০২৪ (সুরা নিসা):&lt;br /&gt;এবং তোমাদের জন্যে অবৈধ করা হয়েছে নারীদের মধ্যে সধবাগণকে (অন্যের বিবাহিত স্ত্রীগণকেও); কিন্তু তোমাদের দক্ষিন হস্ত যাদের অধিকারী- আল্লাহ তোমাদের জন্যে তাদেরকে বৈধ করেছেন, এতদ্ব্যতীত তোমাদের জন্যে বৈধ করা হয়েছে যে, তোমরা স্বীয় ধনসম্পদের দ্বারা বিবাহবদ্ধ করার জন্যে তাদেরকে অনুসন্ধান কর ব্যভিচারের জন্যে নয়, অনন্তর তাদের জন্যে যে ফলভোগ করেছ তজ্জন্য তাদেরকে তাদের নির্ধারিত পাওনা প্রদান কর এবং কোন অপরাধ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পর সম্মত হও, নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাজ্ঞানী বিজ্ঞানময়।&lt;br /&gt;০২৩.০০১-০০৫ (সুরা মুমেনুন):&lt;br /&gt;০১- অবশ্যই সফলকাম হয়েছে মুমিনগণ।&lt;br /&gt;০২- যারা বিনয়নম্র নিজেদের নামাজে।&lt;br /&gt;০৩- যারা অসার ক্রিয়াকলাপ হতে বিরত থাকে।&lt;br /&gt;০৪- যারা যাকাত দানে সক্রিয়।&lt;br /&gt;০৫- যারা নিজেদের যৌন অঙ্গকে সংযত রাখে।&lt;br /&gt;০৬- নিজের স্ত্রীগণ ও অধিকারভুক্ত দাসীগণ ব্যতীত, এতে তারা নিন্দনীয় হবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;০৭০.০২৫-০৩৫ (সুরা মা’আরিজ):&lt;br /&gt;০২৫- প্রার্থী ও বঞ্চিতের,&lt;br /&gt;০২৬- এবং (যারা) কর্মফল দিবসকে সত্য বলে জানে,&lt;br /&gt;০২৭- আর যারা তাদের প্রতিপালকের শাস্তি সম্পর্কে ভীত সন্ত্রস্ত&lt;br /&gt;০২৮- নিশ্চয়ই তাদের প্রতিপালকের শাস্তি হতে নিঃশঙ্ক থাকা যায় না-&lt;br /&gt;০২৯- এবং যারা নিজেদের যৌন অঙ্গকে সংযত রাখে,&lt;br /&gt;০৩০- তাদের পত্নীগণ এবং অধিকারভুক্ত দাসীগণ ব্যতীত, এতে তারা নিন্দনীয় হবে না-&lt;br /&gt;০৩১- তবে কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা হবে সীমা লঙ্ঘনকারী,&lt;br /&gt;০৩২- এবং যারা তাদের আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে,&lt;br /&gt;০৩৩- আর যারা তাদের সাক্ষদানে অটল,&lt;br /&gt;০৩৪- এবং নিজেদের নামাজে যত্নবান-&lt;br /&gt;০৩৫- তারা সম্মানিত হবে জান্নাতে;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপরোক্ত আয়াত অনুসারে একজন মুসলমান পুরুষ, সে বিবাহিত হোক আর অবিবাহিত হোক, ক্রীতদাসী কিংবা যুদ্ধে বন্দীকৃত  নারীদের সাথে অবাধ যৌনসঙ্গম করতে  পারে। আয়াতে বর্ণিত  ‘তোমাদের দক্ষিনহস্ত যাদের অধিকারী’ (আরবী -‘মালাকুল ইয়ামিন’, ইংরেজী-‘your right hand possess’) --এই কথার অর্থ হচ্ছে অধিকারভুক্ত দাসী বা যুদ্ধবন্দিনী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটি একটি আরবী বাগধারা। এখানে আরও একটি বিষয় উল্লেখযোগ্য। পবিত্র কোরাণের অধিকাংশ বাংলা তরজমায় দেখা যায়- তরজমাকারীরা এভাবে তরজমা করেছেন--‘তোমাদের পত্নী এবং অধিকারভুক্ত দাসীগণ ব্যতীত’। তারা পত্নী বলে একবচনে অনুবাদ করেছেন, পত্নীগণ বলেননি। মুল আরবী আয়াতে আছে ‘আজওয়াজ’ শব্দটি- যা জাওজ শব্দের বহুবচন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-1634989348971392920?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/1634989348971392920/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post_08.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1634989348971392920'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1634989348971392920'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post_08.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা ৩১'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-2960959022440227887</id><published>2009-05-05T21:36:00.001+06:00</published><updated>2009-05-05T21:36:00.144+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্রিস্টোফার হিচেনস'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বাস্তবতা'/><title type='text'>বিশ্বাসকে বিশ্বাস - ২</title><content type='html'>উদাহরণস্বরূপ যে কোন মানবতাবাদী ব্যক্তি নিশ্চয় বলবেন যে, অবৈতনিক ডাক্তার, নার্স, টিকাদানকারী প্রমুখের দ্বারা কলকাতা শহর যথেষ্ঠ উপকৃত হচ্ছে। যারা ক্রুশবিদ্ধ করে মেরে ফেলার মত রহস্যময় ঘটনার তুলনায় দারিদ্র ও মৃত্যুকে বেশি মূল্য দেয়, সেইসব মানুষদের সচেতনতা থেকে কলকাতার কি উপকৃত হচ্ছে না? সেখানে এ ধরণের সক্রিয় মানুষদের সংখ্যা সত্যিই বেশি (ইউনিসেফ এর পক্ষ থেকে ব্রাজিলের ফটোগ্রাফার সেবাস্টিও সালগাতো পোলিও টিকা প্রদানের ব্যাপক কর্মযজ্ঞ নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি তৈরি করছিলেন, সেসময় আমিও তার সাথে ছিলাম।) কিন্তু কিছু বিশেষ কারণ রয়েছে যা সেই মহিলার জন্যই শুধু প্রযোজ্য। তিনি তারা সারাটা জীবন জন্মনিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে কাজ করে গেছেন। বাংলার (পশ্চিম বাংলা) জন্য এই ধরণের কাজের নিশ্চয় কোন প্রয়োজন ছিল না এবং এখনও নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটা অসম্ভব নয় যে বিশ্বাসের ফেরীওয়ালারা তাদের সেবার বিষয়কে বিশেষ ঘটনা হিসেবে মূল্যায়ন করে থাকে। তাদের নিজেদের আত্মার কষ্টকর অভিজ্ঞতা থেকেই তারা মানুষকে 'বিষয়' করে তোলে। তাই মনে হয় মাদার তেরেসা ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি তার দৃঢ় বিশ্বাস যত হারাবেন, ততই তিনি দরিদ্রতমদেরকে তার অবলম্বন ও দয়ার ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করে বিবাহ বিচ্ছেদ, গর্ভপাত এবং জন্মবিরতিকরণ ওষুধের বিরুদ্ধে লোক দেখানো লড়াই চালিয়ে চাতুর্যের সাথে নিজের সন্দেহকে আড়াল করবেন। আর এসব কি তার কীর্তিগুলোর মর্যাদা কমিয়ে দেয় না? তার জন্য একজন সহায়হীন ভিখিরি ঠিক তাই- এই সহায়হীনতা খুব সহজে তার (মাদার তেরেসার) প্রচারণাকে সক্রিয় রেখেছে। তার দেয়া কথা অনুযায়ী ভুখা বাঙালিকে খাদ্য যোগান দেয়ার বিষয়টি এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু দাতব্য কার্যাবলীর নামে সংগৃহীত টাকার বেশিরভাগ পবিত্র উদ্দেশ্যে তৈরি করা কনভেন্ট এর দালান তৈরিতে ব্যয় করা হয়েছে। এ কাজে মাদার তেরেসা আনন্দের সাথেই সম্মতি দিতেন। আর এসব তার নিজস্ব উদ্দেশ্য ও ক্যাথলিক মতবাদ বিষয়ে তার নিজস্ব শিক্ষাকেই প্রতিষ্ঠিত করত। এই জাতীয় ধর্মীয় নেতাগিরি দরিদ্রতার কোন নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে; নারীরা সন্তান জন্মদানের যন্ত্র- এই অবস্থা ও মর্যাদার কোনরূপ পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যখন দায়িত্বহীন, ভণ্ডামীপূর্ণ এবং দূর্নীতিগ্রস্থ- শুধুমাত্র তখনই যে বিশ্বাস শব্দটি বিষাক্ত এবং বিপদজনক তা নয়; যখন এটা নিখাদ বিশ্বাস তখনও। বলা যায় যে, 'বিশ্বাসের নিশ্চয়তা' ও 'বিশ্বাসের অধিকার' বিষয়গুলো শুধুমাত্র চার্চের শক্তি বৃদ্ধিতে নয় (যে কাজটি মাদার তেরেসা সবসময় করতেন) ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তিদেরকে প্রভাবিত করতেও ব্যবহার করা হয়। অসংখ্য প্রমাণসাপেক্ষে আমরা জানি যে তিনি এবং তার অনুসারীরা কিভাবে এই বৃত্তটি তৈরি করেছিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তোমার আশঙ্কাকে দমন কর, হতাশা থেকে মুক্ত হও, তোমার উৎসাহকে পুনর্গঠন কর, আমরা তোমাকে সন্ন্যাসী বানিয়ে দেব এবং পরে তুমি তোমার মৃত্যুর পরেও রোগাক্রান্তকে সুস্থ করে তুলতে পারবে। এটা এই পয়েন্টে ঠিক সেটাই যে, তাদের পলায়নবৃত্তি একটি হাস্যকর চক্রকে সম্পূর্ণ করে তোলে এবং বলা হয় যে, যতদিন এই রহস্যজাল অটুট থাকবে ততদিন তুমি যা খুশি তাই করার অনুমতি পাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবার বলি, যিনি ধর্মযাজকদের সামনে একজন রিক্রুটিং সার্জেন্ট এর মতো দৃঢ়তার সাথে দাঁড়িয়ে থাকতে পারতেন, সেই অভাগা বৃদ্ধা মহিলা তার নিজস্ব বিশ্বাসকে অতিব্যবহারে নিঃশেষ করে ফেলেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;সমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-2960959022440227887?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/2960959022440227887/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post_05.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/2960959022440227887'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/2960959022440227887'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post_05.html' title='বিশ্বাসকে বিশ্বাস - ২'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-5712226638739865173</id><published>2009-05-01T21:22:00.002+06:00</published><updated>2009-05-01T21:22:00.631+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ক্রিস্টোফার হিচেনস'/><title type='text'>বিশ্বাসকে বিশ্বাস</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ক্রিস্টোফার হিচেনস&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;মূল লেখা: Belief in Belief - Christopher Hitchens.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটি প্রশ্ন সম্পর্কে আমি প্রায়ই (এবং সবসময়) খুব আগ্রহ বোধ করি। সেটা হলঃ আমি জানি যে আমি কোনরকম স্রষ্টা বা কোন ধর্মে বিশ্বাস করি না। আমি বিপরীতপক্ষকে আমার অবস্থান এমনভাবে ব্যাখ্যা করে বলতে পারবো যে তারা বিষয়টা অন্ততঃ বুঝবে। যারা বলে যে 'তারা বিশ্বাস করে' তারা কি এরকম করে বলতে পারবে? সংক্ষেপে বলা যায় যে, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বীরা কি এই পুরাতন বিতর্ক সম্পর্কে যা চিন্তা করে তা কি সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলা দরকার। সম্প্রতি এটা প্রকাশ হয়ে পড়েছে যে, মাদার তেরেসা গত অর্ধশতকে 'যিশুখ্রিস্টের নৈশভোজের উৎসবে' যিশুখ্রিস্টের উপস্থিতি অনুভব করতে পারেননি। কিংবা তার প্রার্থনা ঈশ্বর শুনছেন এমনটাও তার মনে হয় নি (তার হতাশাপূর্ণ চিঠিগুলি নিয়ে লেখা 'মাদার তেরেসা, এসো আমাকে আলোময় করো' নামক সাম্প্রতিক বইটি দেখুন)। একারণে তার ভক্ত শুভানুধ্যায়ীরাও তাকে তেমন বুদ্ধিদীপ্ত বলে মনে করেনি। তিনিও তার সন্দেহ ও অবিশ্বাসের সাথে অনবরত এক পুরাতন পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশ্বাসকে আরও অসংযত ও মর্ষকামী হিসেবে উপস্থাপন করতেও তার দ্বিধা ছিল না। 'বিশ্বাসকে বিশ্বাস' বিষয়ে ড্যানিয়েল ডেনেটের হাইপোথিসিস যে সিদ্ধান্ত টেনেছে তা সত্যিই অসাধারণ। এই অদ্ভুত আইডিয়াটা এমন যে 'বিশ্বাস' নিজে হয়তো বিশৃঙ্খল, এলোমেলো এবং হাস্যকর রকমের মজার। কেবল নিজেকে জাহির করার ভঙ্গি দেখে মনে হয়, হয়তো এই দায়িত্বটাই বিশ্বাসের একমাত্র অবলম্বন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যদিও আমি তাকে কখনও কখনও ভন্ড বলে উল্লেখ করেছি, (দুভেলিয়ার পরিবারের মতো দরিদ্র পরিবারের প্রতি নিষ্ঠুর ধনীদের পক্ষে থাকা এবং তার অন্যান্য দূর্নীতিপূর্ণ কাজগুলোর জন্য) কিন্তু এখন মাদার তেরেসাকে একজন ফালওয়েল, হ্যাগারড, শার্পটন অথবা একজন রবার্টসনের সাথে একই সারিতে রাখতে দ্বিধা করবো। এই মানুষগুলো জীবনে কখনও কোন সত্যিকারের কাজ করেনি। এবং আসলে তারা একধরণের জীবাণুর মত। তারা তাদের সহজ জীবনের সৌভাগ্যময় প্রতিটি দিন ধোঁকাবাজির প্রচারণা দিয়ে শুরু করে। তাদের কাছে ধর্ম ব্যবসা করার একটি উপায় অথবা হুমকি দিয়ে টাকা কামানোর ফন্দি মাত্র।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি মনে করি একই কথা শিশু ধর্ষণের (কেন যে আমরা এই প্রসঙ্গে অপেক্ষাকৃত কোমল শব্দ 'নির্যাতন' ব্যবহার করি?) অভিযোগে দণ্ডিত অসংখ্য যাজকদের ক্ষেত্রেও খাটে। তাদের চরম অপরাধটি কোনক্রমে সাধারণ ভণ্ডামী নয়। কোন প্রিস্ট দশ সেকেন্ডের জন্যেও একথা বিশ্বাস করবেন না যে ঐশী বিচার তার মৃত্যুহীন আত্মাকে এমন কোন শাস্তি দিতে পারে। চরম অশ্লীল, নোংরা, মারাত্মক অপরাধীদেরকে যে সব শাসক শাস্তি থেকে বাঁচায়, তারাও এমনটা বিশ্বাস করে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু ধর্মের যে দিকটি ফন্দিবাজ ও ঝগড়াটে তার যুদ্ধ উন্মাদনা, বর্বরতা, নৃশংসতা, উৎপীড়ন, নির্যাতনের কাহিনীটুকুই সব নয়। যারা অন্যকে সাহায্য করে, নম্রভদ্র জীবন যাপন করে তাদের বিষয়ে কি বলবেন? তারা তো নবী, ধর্মীয় কাহিনী, পবিত্র আত্মা এবং এই ধরণের নানারকম উপমা-রূপকের সাথে নিজেদের সুকীর্তিগুলোকে এক করে দেখে। এই ধরণের মানুষদের সাথে কথা বলতে গিয়ে দেখেছি- তারা যা বোঝাচ্ছে তা সম্পর্কে ঠিক যা বলতে চায় কিংবা তারা যা বলছে তা যে ঠিক কি বোঝায় - তা অনুধাবন করে আমি অবাক হয়ে যাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;মূল লেখার &lt;a href="http://www.secularhumanism.org/index.php?section=library&amp;amp;page=hitchens_28_1"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-5712226638739865173?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/5712226638739865173/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5712226638739865173'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5712226638739865173'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/05/blog-post.html' title='বিশ্বাসকে বিশ্বাস'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-2750605530802580451</id><published>2009-04-20T21:19:00.000+06:00</published><updated>2009-04-29T21:21:41.942+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা- ৩০</title><content type='html'>রিযার ধারণা স্বামীস্ত্রীর মধ্যে প্রয়োগ করলে কী হবে? স্বামীর পাকস্থলীতে যদি স্ত্রীর দুধ ঢুকে যায় তখন? ওয়াস্তাগফিরুল্লাহ, নাউজুবিল্লাহ! কোন সুস্থ মস্তিষ্কের  মুসলমান এরূপ কথা চিন্তাও করতে পারে না। পাঠক, আসুন না একবার চেষ্টা করে দেখি ইসলামের পবিত্র কেতাবগুলিতে এসম্পর্কে কোন বিধান খুজে পাওয়া যায় কিনা। যদি আপনি আপনার স্ত্রীর বুকের দুধ খান, সেজন্যে স্ত্রীর সাথে আপনার সম্পর্ক হারাম হয়ে যাবে না। দুই বছর বা তার চেয়ে কম  বয়েসে বুকের  দুধ খেলে তবেই কেবল তাদের মধ্যে  (দুগ্ধদাত্রী  এবং শিশুটি) আত্মীয়তা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত  হয়। (৩০.২.১৪)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুয়াত্তাঃ বুক নং-৩০, হাদিস নং-৩০.২.১৪:&lt;br /&gt;আবুমুসা আল আশারিকে জনৈক লোক জিজ্ঞেস করল- “আমি আমার স্ত্রীর স্তন্য হতে কিছু&lt;br /&gt;দুধ খেয়ে ফেলেছি, তা আমার পাকস্থলিতে চলে গেছে”। আবু মুসা বললেন- “আমি তোমাকে শুধু এটুকুই বলতে পারি যে সে তোমার জন্যে হারাম হয়ে গেছে”। (তখন) আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ বললেন- “তুমি কী বলছ তা ভেবে দেখ”। আবু মুসা বললেন- “তা’হলে তোমারমত কী”? আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ বললেন- “দুধ খাওয়ার কারণে আত্মীয়তা প্রতিষ্ঠিত হয় কেবল প্রথম দু’বছরে”। (অর্থাৎ দুই বছর বা এর কম বয়েসী শিশু যখন মা ছাড়া অন্য নারীর দুধ পান করে, তখনই কেবল শিশুটি এবং দুগ্ধদানকারী স্ত্রীলোকটির মধ্যে আত্মীয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়। আবু মুসা বললেন- “এই জ্ঞানী লোকটি যতক্ষন আমাদের মাঝে থাকবেন, তোমরা আমাকে কোন কিছুর ব্যপারে জিজ্ঞেস করো না”।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ কে  ছিলেন? যে দশজন সাহাবি রাসুলের সবচেয়ে  ঘনিষ্ট ছিলেন এবং মৃত্যুর পুর্বেই  যাদেরকে বেহেশতের সুসংবাদ দেয়া হয়েছিল (আশারা মোবাশ্বেরা- সুসংবাদপ্রাপ্ত দশ জন), আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ তাদের অন্যতম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইবনে মাসুদ উচ্চারিত প্রতিটি বাক্যকে সত্য বলে ধরে নেয়া হয়, মহম্মদের (দঃ) ঠিক পরেই ছিল তাদের স্থান। এরকম উচ্চমর্যাদাশীল সাহাবির মুখে এ কি কথা, স্ত্রীর দুধ খাওয়ার পরও দাম্পত্যসম্পর্ক টিকে থাকে! আশ্চর্য!&lt;br /&gt;এই রকমই আরেকটি হাদিস দেখুন নীচে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;দুধেল নারী সাথে সঙ্গম করা হালাল (৮.৩৩৯১)।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-৮, হাদিস নং -৩৩৯১:&lt;br /&gt;জুদাইমা বিনতে ওয়াহাব আল আসাদিয়া (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে তিনি আল্লাহর রাসুলকে (দঃ) বলতে শুনেছেনঃ আমি দুধেল স্ত্রীর সাথে সহবাস নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু দেখতে পেলাম যে রোমান এবং পারসিকরা তা করে থাকে এবং শিশুটির তাতে কোন ক্ষতি হয় না। (ইমাম মালিক বলেছেনঃ এই হাদিসের খালাফ বর্ণিত যে ভার্সনটি আছে তাতে যে নামটি আছে তা হচ্ছে জুদামাত আল-আসাদিয়া। তবে ইয়াহিয়া বর্ণিত ভার্সনে যে নামটি আছে সেটিই সঠিক, অর্থাৎ নামটি হবে জুদাইমা আল-আসাদিয়া)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বয়ঃপ্রাপ্ত স্বামী কর্তৃক দুধেল স্ত্রীর স্তন্য চোষণ করা কিংবা দুধ পান করা কেন অসিদ্ধ নয়, নিম্নে উদ্ধৃত ইমাম মালিকের পংক্তিগুলি হতে তার জবাব মেলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যখন কোন বয়ঃপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বীয় স্ত্রীর দুধ পান করে, সেটা স্বাভাবিক খাদ্য মাত্র, ধাত্রীদুগ্ধ (ফষ্টার মিল্ক) নয়!&lt;br /&gt;এ এক আজব আইন! দু’বছরের কমবয়েসী কেউ (শিশু স্বামীও হতে পারে) এক ফোটামাত্র খেলেও তা হলো ফষ্টার মিল্ক, দুবছর পার হলেই সেই একই দুধ হয়ে যায় স্বাভাবিক খাদ্য। কী বিচিত্র এই নিয়ম সেলুকেস!&lt;br /&gt;মুয়াত্তাঃ বুক নং-৩০, হাদিস নং-৩০.১.১১:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মালিকের সুত্র  উল্লেখ করে ইয়াহিয়া বলেন যে ইয়াহিয়া ইবনে সাইদ বলেছেন যে তিনি সাইদ  আল মুসাবকে বলতে শুনেছেন- “শিশুটি যখন দোলনায় থাকে, তখনই কেবল দুধপান সংক্রান্ত নিয়মকানুন প্রযোজ্য। অন্য সময়ে এ থেকে (বুকের দুগ্ধপান থেকে) কোন রক্তের সম্পর্ক জন্মায় না”।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মালিকের সুত্র উল্লেখ করে ইয়াহিয়া আমাকে বলেন (ইবনে শিহাবের সুত্রে) যে তিনি বলেছিলেন- “বুকের দুধ পান, তা সে যত অল্প কিংবা যত বেশীই হোক না কেন, (সম্পর্ককে) হারাম করে ফেলে। দুগ্ধপানের মধ্য দিয়ে যে আত্মীয়তা প্রতিষ্ঠিত হয়, তা পুরুষকে মাহরিম করে”। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইয়াহিয়া বলেন যে তিনি মালিককে বলতে শুনেছেন- “দুই বছর বা এর কম বয়েসী শিশুদের ক্ষেত্রে বুকের দুগ্ধপান, তা সে যত অল্প বা বেশী হোক না কেন, হারাম (সম্পর্কের) সৃষ্টি করে। দুই বছর বয়সের পরে যদি তা করা হয়, তা সে কম-বেশী যাই হোক না কেন, সেজন্যে কোন কিছু হারাম হয়ে যায় না। এ নেহায়েতই খাদ্যের মতো”।&lt;br /&gt;এবং সর্বশেষে মুক্তাসদৃশ নীম্নোক্ত হাদিসটি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুনান আবু দাউদঃ বুক নং-৩৪, হাদিস নং-৪২১০:&lt;br /&gt;আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ হতে বর্ণিতঃ আল্লাহর রাসুল (দঃ) দশটি জিনিস অপছন্দ করতেন: হলুদ রং করা, শাদা চুল কলপ করা, পোষাকের প্রান্তভাগ মাটি ছুয়ে যাওয়া, স্বর্ণের তৈরী আংটি পড়া, সাজ-সজ্জা করে গায়ের মেহরাম পুরুষের সামনে যাওয়া (বাপ, ছেলে, ভাই ইত্যাদি চৌদ্দপ্রকার সম্পর্ক আছে যাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম, এরূপ সম্পর্কের ইসলামি নাম মেহরাম; এর বাইরে যাবতীয় সম্পর্ক গায়ের মাহরাম, যাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক বৈধ), পাশা খেলা, যাদু বা ইন্দ্রজাল করা, তাবিজ/কবজ ব্যবহার করা, বীর্যপাতের ঠিক আগ মুহুর্তে যোনির ভেতর হতে লিঙ্গ বের করে আনা - তা সে নিজের স্ত্রী হোক বা অন্য মেয়েলোক হোক (অর্থাৎ উপপত্নী বা যৌনদাসী) এবং এমন মেয়েলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করা যে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছে। তবে তিনি এগুলিকে হারাম বলে ঘোষণা করেননি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-2750605530802580451?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/2750605530802580451/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/04/blog-post_20.html#comment-form' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/2750605530802580451'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/2750605530802580451'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/04/blog-post_20.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা- ৩০'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-3577736988965583359</id><published>2009-04-15T21:16:00.000+06:00</published><updated>2009-04-29T21:19:08.296+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৯</title><content type='html'>একজন স্ত্রীলোক তরুন বয়স্ক কোন পুরুষকে তার বুকের দুধ খেতে দিলে তরুনটি তার জন্যে হারাম হয়ে যায়।&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-০০৮, হাদিস নং-৩৪২৬:&lt;br /&gt;ইবনে আবু মুলায়েকা বর্ণনা করেছেন যে আল কাশেম বিন মহম্মদ বিন আবু বকর তার কাছে বলেছেন যে আয়েশা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে সাহলা বিনতে সুহাইল বিন আমর আল্লাহর রাসুলের (দঃ) কাছে আসল এবং বলল- রাসুলুল্লাহ। সেলিম (আবু হোজাইফার মুক্ত ক্রীতদাস) আমাদের গৃহে আমাদের সাথে থাকে, এবং একজন পুরুষ যা অর্জন করে তা সে অর্জন করে ফেলেছে (অর্থাৎ সাবালকত্ব), এবং সেই জ্ঞান অর্জন করেছে যে জ্ঞান একজন পুরুষ অর্জন করে (অর্থাৎ যৌনবিষয়কজ্ঞান)। তদুত্তরে তিনি বললেন- তাকে তোমার বুকের দুধ খাওয়াও, এতে সে তোমার জন্যে মেহরিম হয়ে যাবে। সে (ইবনে মুলায়েকা) বলেন- আমি ভয় বশতঃ এই হাদিসটি বছর খানেকের জন্যে কারও কাছে বলিনি। অতঃপর একদিন কাশেমের সাথে আমার দেখা হলে আমি তাকে বললাম- আপনি আমাকে যে হাদিসটি বলেছিলেন আমি তা কারও কাছে বলিনি। তিনি বললেন- কোন্ হাদিস? আমি হাদিসটির কথা উল্লেখ করলে তিনি বললেন- আমার কথা বলে তুমি হাদিসটি বর্ণনা করতে পার যে আয়েশার (রাঃ) কাছ থেকে আমি উহা শুনেছিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-০০৪, হাদিস নং-৩৪২৮: &lt;br /&gt;জয়নাব বিন্তে আবু সালামা হতে বর্ণিতঃ আমি রাসুলুল্লাহর (দঃ) স্ত্রী উম্মে সালামাকে আয়েশার কাছে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহর কসম, আমি এমন তরুন পুরুষের সামনে যেতে চাই না যে ফষ্টারেজ পিরিয়ড পার করেছে (বুকের দুধ খাওয়ার মেয়াদ পার করেছে)। তখন আয়েশা বললেনঃ ‘কেন? সাহলা বিন্ত সুহাইল রাসুলুল্লাহর (দঃ) কাছে এসে বলেছিল- ইয়া রাসুলুল্লাহ। আল্লাহর কসম, সেলিম (আমাদের ঘরে) ঢুকে বিধায় আবু হুযাইফার মুখে আমি চরম বিরক্তি দেখেছি। প্রতিউত্তরে আল্লাহর রাসুল (দঃ) বললেন- তাকে তোমার বুকের দুধ খাওয়াও। সে বলল- তার মুখে যে দাড়ি। কিন্তু তিনি (আবারও) বললেন-তাকে বুকের দুধ খাওয়াও, তা’হলেই আবু হুযাইফার মুখে যা আছে দুর হয়ে যাবে (অর্থাৎ বিরক্তি চলে যাবে)। (পরবর্তীতে) সে (সাহলা) বলেছিল- (আমি সেরূপ করেছিলাম) এবং আল্লাহর কসম করে বলছি, এর পরে আর আমি আবু হুযাইফার মুখে (বিরক্তির) চিহ্ন দেখতে পাইনি।&lt;br /&gt;(হুবহু একই ঘটনা নিয়ে আরও দু’টি হাদিস- সুনান আবু দাউদঃ ভলিউম-২, হাদিস নং-২০৫৬, পৃ-৫৪৯ এবং মুয়াত্তাঃ সেকশন-৩০, হাদিস নং-১২, পৃ-২৪৫-২৪৬। কলেবর বড় হওয়ায় হাদিসগুলি উল্লেখ করা গেল না)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ এক আজব নিয়ম! বক্ষ নারীদেহের সর্বশ্রেষ্ঠ কামকেন্দ্র, পুরুষ তো দুরের কথা যুবতী নারীর উত্তাল বুক দেখে অচেতন গাছপালাও নাকি ভির্মি খায়। রবীন্দ্রনাথের চিত্রাঙ্গদা কাব্যে পড়েছি, রূপসী চিত্রাঙ্গদা বিজন বনে ফুলগাছের নীচে শুয়ে আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাহাড়ের মতো উচু কিন্তু নবনীর মতো কোমল বস্তু দুটির মোহনীশক্তি এতই বেশী যে থোকায় থোকায় ফুটে থাকা ফুলগুলিও তা দেখে মুর্ছিত হয়ে পড়ল এবং চিত্রাঙ্গদার বুকে পড়ে আত্মহত্যা করল।&lt;br /&gt;“স্তনতটমুলে ফুলগুলি বিছাইল আপনার মরণ শয়ন”। অথচ ইসলামের সমাধান কতোই না সরল। বুক খুলে অনাত্মীয় পুরুষকে এক চুমুক ‘ডুডু’ খাইয়ে দাও, বাস্- সে মেহরিম হয়ে  গেল। এতে  করে হিজাব পড়ার ঝামেলাও অংশত  কমে  যাবে  বলে মনে হয়।  কোরাণ-হাদিস  যেহেতু আল্লাহপাকের অপরিবর্তনীয় বিধান যা কেয়ামতের আগ পর্য্যন্ত পালন করে যেতে হবে, সুতরাং সহি হাদিস বর্ণিত এই সুন্দর নিয়মটি আমাদের ইসলামপন্থী ভাইয়েরা তাদের স্ত্রীকন্যকে পালন করতে উদ্বুদ্ধ করবেন আশা করি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রীতদাসী কিংবা যুদ্ধবন্দিনী একজন মুসলমান পুরুষের জন্যে পুরোপুরি বৈধ, এদের সাথে যৌনসঙ্গম করায় ইসলামী আইনে কোন বাধা নেই। তবে একজন মুসলিম মেয়ের ক্ষেত্রে নিয়মটা কী? ছেলেদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে একজন মুসলমান মেয়ে কি পারে তার ক্রীতদাসের সাথে সেক্স করতে? না, মেয়েদেরকে এরূপ যৌন-উৎসবে গা ভাসানোর অনুমতি দেয়া হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুতরাং সে যখন দেখবে তার স্বামী ক্রীতদাসী কিংবা কোন মালে গনীমত মেয়ের সাথে অবাধে সেক্স করছে, তার মনে ঈর্ষা জাগাটা খুবই স্বাভাবিক। স্বামীকে এই অশ্লীলতা থেকে বিরত রাখতে সে কী করতে পারে? সে কি স্বামীকে থামাতে রিযার নিয়ম প্রয়োগ করতে পারে? সে যদি তরুনী ক্রীতদাসীটিকে তার বুকের দুধ খাওয়ায়, তাহলেই তো ক্রীতদাসীটি তার স্বামীর জন্যে হারাম হয়ে যাবে। হ্যা পাঠক, ঠিক এমনই একটা ঘটনা ঘটেছিল একবার। একজন ঈর্ষাপরায়ণ স্ত্রী তার তরুনী ক্রীতদাসীকে বুকের দূধ খাইয়ে দিয়েছিল এই আশায় যে তার কামার্ত স্বামীটি আর তার কাছে যেতে পারবে না। কিন্তু হায়, মেয়েটির ফন্দি কাজে লাগে নাই, উল্টো ইসলামী শাস্তির আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হতে হয়েছিল তাকে। খলীফা উমর মেয়েটিকে প্রহার করার আদেশ দিয়ে মুসলমান পুরুষের জন্যে ক্রীতদাসী ভোগের অপ্রতিহত অধিকার সংরক্ষণ করেছিলেন। ঘটনাটি আপনার কাছে জন্যে হৃদয়বিদারক বলে মনে হচ্ছে, তাই না? ঘটনাটির বিস্তারিত বিবরণ মুয়াত্তা থেকে জেনে নিন। চার মাজহাব সুন্নী মুসলমানদের চারটি স্তম্ভ, এর অন্যতম প্রধান রূপকার হযরত ইমাম মালিক (রঃ) মুয়াত্তা গ্রন্থের প্রনেতা। মুয়াত্তা মালেকি মাজহাবের প্রধান আইন বই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুয়াত্তাঃ বুক নং-৩০, হাদিস নং-৩০.২.১৩:&lt;br /&gt;আব্দুল্লাহ ইবনে দিনার বলেন- “লোকদেরকে যেখানে বিচার করা হয় সেখানে একদিন আমি আব্দুল্লাহ ইবনে উমরের সাথে বসা ছিলাম। তখন একজন লোক তার কাছে আসল এবং বয়স্ক লোকদেরকে বুকের দুধ খাওয়ানোর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করল। উত্তরে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর বলল-‘একবার এক লোক উমর ইবনে খাত্তাবের কাছে এসে বলল-‘আমার একটি ক্রীতদাসী আছে, তার সাথে আমি নিয়মিত যৌনসঙ্গম করি। আমার স্ত্রী তার কাছে গিয়ে তাকে বুকের দুধ খাইয়েছে। এরপর যখন আমি মেয়েটির কাছে গেলাম, আমার স্ত্রী আমাকে বের হয়ে যেতে বলল, কারন সে নাকি তাকে বুকের দুধ খাইয়েছে’।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উমর লোকটিকে স্ত্রীকে প্রহার করার আদেশ দিলেন এবং (আগের মতোই) সে তার দাসীমেয়েটির কাছে যেতে পারবে বললেন। কারণ বুকের দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে যে আত্মীয়তা প্রতিষ্ঠিত হয় তা কেবল ছোটদের বেলায়।”&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-3577736988965583359?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/3577736988965583359/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/04/blog-post_15.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/3577736988965583359'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/3577736988965583359'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/04/blog-post_15.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৯'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-911821483315082040</id><published>2009-04-10T01:46:00.000+06:00</published><updated>2009-04-10T01:49:29.971+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আত্মকথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বাস্তবতা'/><title type='text'>কেন আমি নাস্তিক থেকে গেলাম - শবনম নাদিয়া -০২</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কেন আমি নাস্তিক থেকে গেলাম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;- শবনম নাদিয়া&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;(Why I remain an atheist- Shabnam Nadiya)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold; font-style: italic;"&gt;অনুবাদ: অগ্নি অধিরূঢ়&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;a style="font-style: italic;" href="http://agnisetu.blogspot.com/2009/04/blog-post.html"&gt;পূর্ব প্রকাশের পর&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খুব অল্প সময়ের মধ্যে মানুষ যা বলছে তাকে সন্দেহ করা থেকে আল্লাহর উপস্থিতিতে সন্দেহ করা শুরু করে দিলাম। কিন্তু এটা সহজে হয় নাই। আমি দেখলাম যে, যাদেরকে আমরা যুক্তিবাদী কিংবা অনুভূতিপ্রবণ মানুষ বলে মনে করি, তারাও ইসলাম সম্পর্কে কোন স্পর্শকাতর প্রশ্নকে সহানুভূতির সাথে গ্রহণ করেনা। প্রশ্নকে পছন্দ না করার একটি অবকাঠামো দাড়িয়ে গেছে। কেউ কেউ আছেন যারা উত্তরের সাপেক্ষে প্রশ্নকে পছন্দ করেন। আবার আরেক ধরণের মানুষ আছেন (যাদের আমরা গণতান্ত্রিক, উদারমনা, আধুনিক চিন্তার মুসলমান বলি), এরা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্টের উপর করা প্রশ্নকে পছন্দ করেন। এসব প্রশ্নের উত্তর সবসময় যুক্তিকে বাদ দিয়ে বিশ্বাসকেই প্রতিষ্ঠিত করে। এই সমসাময়িক সময়গুলোতে আমার বিশ্বাস হালকা হয়ে গিয়েছিল। আমি একটি উপসংহারে পৌছে গিয়েছিলাম। আমি ইসলামের বিভিন্ন বর্বর-অসভ্য নিয়মকানুনগুলোকে চিহ্নিত করতে পেরেছিলাম। ইসলামের বিভিন্ন অসঙ্গতি, স্ববিরোধী বক্তব্যগুলোকে সুচারুভাবে বিশ্লেষণ করে আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে আসলে এই ধর্ম হাজার বছরের পুরনো একটি মতবাদ ছাড়া আর কিছুই নয়। মোহাম্মদের অনেক আচরণ এবং কাজ (বহুগামীতা, শিশুবিবাহ, নারীদেরকে গণিমতের মাল হিসেবে ঘোষণা দেয়া) দেখে মনে হয় তিনি আসলে তার নিজের সময়ের সন্তান ছিলেন। এই বিশ্বাস আমি ততদিন পর্যন্ত বহন করেছি, যেদিন এক অন্যরকম উপলব্ধি আমি অনুভব করলাম। আমার মনে হল, যদি আধুনিক চিন্তার আলোকে ইসলামী ভাবধারাকে বর্বর ও অসভ্য বলে মনে হয়, তাহলে বুঝতে হবে ইসলাম ও নবী মোহাম্মদের উপযোগীতা আসলে মানবজাতির ইতিহাসের এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় ছিল। অথচ এখনও কোরানের বাণীকে সকল সময়ের জন্য এক ঐশী উপহার বলে মনে করা হয় এবং নবীর জীবনকে ভালো মুসলমানের জন্য আদর্শ বলে প্রচার করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি যা ভাল বলে মনে করি তার সাথে ইসলামের ভিন্ন জিনিসগুলোকে (যেসব বিষয়কে আমার নোংরা বলে মনে হয়েছে) কিভাবে এক করবো? আমি দেখেছি যে ইসলামের দৃষ্টিতে নারীরা দ্বিতীয় শ্রেণীর মানুষ। কিভাবে আমি নিজেকে এই ধরণের হীনস্থানে রাখবো, আমিত্ব নিয়ে আমার যে গর্ব, তাকে কিভাবে আমি অস্বীকার করবো? আমি প্রথমেই ধর্মকে ছুঁড়ে ফেলেছি শুধুমাত্র এই ছোট কারণে যে যদি আমি কেতাবে যা লেখা রয়েছে তাকে বিশ্বাস করে যাই, তাহলে আমার মনের অবাধ বিচরণের জন্য কোন প্রশস্ত জায়গা থাকবে না। আরও এজন্য যে ধর্মীয় নিয়মকানুনগুলো সংকীর্ণ মানসিকতার এবং এগুলো কল্পনার অসংখ্য সম্ভাবনাকে বিকশিত করার বদলে আমার পৃথিবীকে ছোট করতে বাধ্য করে। এটা কোন বিষয় নয় যে, আমি কত বেশি পড়েছি, কত বেশি আমি জানি, আমার বুকে মানুষের জন্য কত বেশি ভালবাসা ও আগ্রহ রয়েছে তা কোন বিষয় নয়। আমার প্রজ্ঞা, আমার বুদ্ধি, হাসি-আনন্দের জন্য আমার পক্ষপাত- এসব কোন বিষয় নয়। আমি কখনো, কোনক্রমেই একেবারে ক্ষুদ্রমনা পুরুষটির মত ভাল বলে বিবেচিত হব না। কারণ আমি একজন নারী। আমি একজন পুরুষের বীজ বপনের জন্য জমি মাত্র। আমি একজন যোদ্ধার কাছে শুধুমাত্র একজন গনীমতের মাল। সন্তান জন্মদানের ক্ষমতার কারণে আমি সময়ে সময়ে অপবিত্র, একজন পুরুষের মত করে আমার কথা বিশ্বাসযোগ্য নয়, পুরুষরা আমার প্রেমে পরে সেজন্য আমি দোযখের দ্বার। এইসব বিষয়কে মেনে নিয়ে কিভাবে আমি জীবন যাপন করবো? আমি তাই এসব অপধারণা বিশ্বাস করা বন্ধ করলাম। কিন্তু তাহলে এসব অপবিশ্বাসের বিকল্প কি? বরং অবিশ্বাস আমাকে যা দিতে চেয়েছে, বিশ্বাস তা দিতে পারেনি। বিষয়টা ভেঙ্গেই বলি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নাস্তিকতা মানুষকে পূর্ণবয়স্ক বলে মনে করে- অথচ ধর্মগুলো তা করে না। নাস্তিকতা মনে করে মানুষ নিজে নিজে সৎ মার্জিত জীবন যাপন করতে পারে, কারণ ভাল কাজ করা মানুষের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য। ভাল কাজ করানোর জন্য মানুষকে পরকালে শাস্তির ভয় দেখানো বা হুমকি দেয়া কিংবা বেহেশতের লোভ দেখানোর কোন দরকার নেই। ধর্ম মানুষের মানবীয় সামর্থকে ছোট করে দেখে। ধর্মীয় বিশ্বাস এমন মনে করে যে যে, একজন পুরুষের নিজের মনমতো করে স্ত্রী, সন্তান, পরিবার, বন্ধুবান্ধবদের বিশ্বাস করা উচিত নয়। যদি দোজখের আগুনে পুড়ে যাওয়ার ভয় না থাকে তাহলে নারীরা নিজেদের মর্যাদা নষ্ট করবে এবং তার পরিবারের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করবে। অবিশ্বাস আমার প্রতি যে শ্রদ্ধা দেখিয়েছে, আমাকে যে মর্যাদা দিয়েছে তার কাছে ধর্মীয় বিশ্বাসের কোন তুলনাই চলে না। যদি আমি ধর্মে বিশ্বাসী হই, তাহলে নিজেকে নারী হিসেবে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে মর্যাদায় অবনমিত করতে হবে। আমি যদি ধর্মীয় ভাবাপন্ন প্রাণী হই, তাহলে বলতে হবে যে, তারকারাজির দিকে তাকিয়ে তার (His) গুণগান করার জন্য এক ঐশী উদ্দেশ্যে আমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে। এইসব ধারণার বিপরীতে আমি এই সিদ্ধান্ত বেছে নিয়েছি যে, আমি একজন মানুষ, প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাসে সর্বোচ্চ স্থানে আমার অবস্থান এবং আমার নিজের সামনে রয়েছে অসীম সম্ভাবনা, আমি একজন সীমানাহীন আকাশ, আমি সূর্যের হাসি। আমার নিজের জাহাজের ক্যাপ্টেন আমি নিজেই। আমার বালো কিছু করা উচিত, কারণ আমি শয়তান নই। এটা শুধু এ কারণে নয় যে মৃত্যুর পরে আমি ভাল সময় কাটাবো। আমি ভাল কিছু করবো কারণ তা ভাল। ভাল কিছু করার জন্য আলাদা কোন লোভ বা হুমকি আমার দরকার নেই। একজন মানুষ হিসেবে অন্য সমস্ত প্রাণীদের চাইতে আমার এক অনন্য ক্ষমতা আছে, যার দ্বারা আমি ভাল মন্দ'র পার্থক্য করতে পারি। আমার নিজের ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগানোই এর জন্য যথেষ্ঠ। আমার এই ছোট্ট জীবনে এই বিষয়টি ও বিশ্বাসের প্রকৃতি নিয়ে কয়েকজন বিশ্বাসীর সাথে আলোচনা করেছি। এক পর্যায়ে তারা প্রত্যেকেই আমার অবিশ্বাসের কথা জেনে অপমানিত বোধ করেছেন। তাদের বেশিরভাগ আমাকে বলেছে যে যেভাবেই আমি তৃপ্তি খুঁজে পাই না কেন, এই পৃথিবীর জীবন কতই না ক্ষণস্থায়ী ও মূল্যহীন। আমার মধ্যে বিশ্বাসী হবার জন্য কতটা যে আকুল আকাঙ্ক্ষা তা বুঝতে তাদের প্রত্যেকে ব্যর্থ হয়েছে। বিশ্বাসী থাকার অর্থ সবকিছু জানে ও সবকিছু দেখছে এমন একজন পরম পিতা আমার দিকে সবসময় তাকিয়ে আছে। আমার জীবনে কিছু খারাপ ঘটলে তিনি কোন না কোন উপায়ে তার প্রতিকার করবেন। এ জীবনে না হলে পরকালে করবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটা জেনে যে শয়তান বিজয়ী হতে পারবে না, এই পৃথিবীতে নিরাপরাধের উপর নির্যাতনের প্রতিশোধ নেয়া হবেই। পৃথিবীর সবকিছু ঠিকঠাক রেখে আল্লাহ বেহেশতে বসে আছেন- এর চাইতে স্বস্তিদায়ক আর কি হতে পারে! সবকিছু দৈবের হাতে ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি বেশ কৌতুকপ্রদ। বিশ্বাস করার জন্য অনেককিছু আমাকে দেয়া হয়েছে। কিন্তু শেষপর্যন্ত আমি নাস্তিকতার পাথুরে, বন্ধুর পথে পা বাড়িয়েছি। আমি দৈব নিরাপত্তার আচ্ছাদনকে প্রত্যাখ্যান করেছি। কিন্তু এমন একটি জীবন পেয়েছি যা আমাকে জীবনের, আমার অস্তিত্ত্বের প্রত্যেকটি বাঁক, ভাঁজ, ফাটল, মোড় আবিষ্কার করতে ও সেগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ দিয়েছে। আমি প্রশ্ন করেছি এবং ধর্মকে প্রত্যাখ্যান করেছি। নিজেকে একজন নাস্তিক হিসেবে ঘোষণা করছি। কারণ আমার জীবনে ধর্মের অপ্রয়োজনীয়তা ও অসারতার কোন উত্তর খুঁজে পাইনি। কারণ ধর্ম মানুষ হিসেবে আমার সক্ষমতাকে সংকীর্ণ করে তুলেছে। আমি নাস্তিক হিসেবে থেকে গেছি কারণ 'আমি কে' এর উত্তর জানার জন্য ধর্মের যে কোন প্রয়োজন নেই তা আবিষ্কার করতে পেরেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;মূল লেখার &lt;/span&gt;&lt;a style="font-style: italic;" href="http://avijit.humanists.net/article/why_I_remain_atheist.htm"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;সমাপ্ত&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-911821483315082040?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/911821483315082040/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/04/blog-post_10.html#comment-form' title='10 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/911821483315082040'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/911821483315082040'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/04/blog-post_10.html' title='কেন আমি নাস্তিক থেকে গেলাম - শবনম নাদিয়া -০২'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>10</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-6465189473282111429</id><published>2009-04-01T13:42:00.001+06:00</published><updated>2009-04-10T01:50:33.715+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে নারী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আলোচনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আত্মকথা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বাস্তবতা'/><title type='text'>কেন আমি নাস্তিক থেকে গেলাম - শবনম নাদিয়া -০১</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কেন আমি নাস্তিক থেকে গেলাম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;- শবনম নাদিয়া&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;(Why I remain an atheist- Shabnam Nadiya)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold; font-style: italic;"&gt;অনুবাদ: অগ্নি অধিরূঢ়&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;কৈশোরের প্রথম দিকেই আমি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলতে শুরু করি। ধর্মকে আমার নিজের কাছে অন্তসারহীন মনে হবার আগ পর্যন্ত আমি নিজেকে এ বিষয়ে নিরন্তর প্রশ্ন করেছিলাম। যখন বালিকা ছিলাম, তখন ধর্ম, আল্লাহ - এসব সম্পর্কে খুব একটা ভাবিনি। তখন পর্যন্ত ধর্ম সম্পর্কে আমার মনে এক গভীর ধারণা ছিল। অন্যান্য মানুষেরা ধর্ম সম্পর্কে যা মনে করে আমিও তাই ভাবতাম। আমি জানতাম যে আমি একজন মুসলমান, এর অর্থ আরবী জানতে হবে কারণ এটা কোরানের ভাষা, নামাজ পড়তে হবে (এটা প্রত্যেকেই করতো, তবে বেশিরভাগ সময় বয়স্ক আত্মীস্বজন যেমন দাদাভাইয়েরা, এবং বিশেষ করে পুরুষরা সপ্তাহে একদিন জুমার নামাজ পড়তো) এবং মুসলমান থাকার অর্থ ঈদ এবং শবেবরাতের অনুষ্ঠান, দারুণ সব লোভনীয় খাবার, হাতের উজ্জ্বল মেহেদী, চকচকে নতুন পোষাক এবং নতুন জুতোর ঝকমক করে ওঠা। অবশ্য আরও কিছু ছি। এসব আমরা স্কুলে শিখেছিলাম। যেমন সুরা, হাদিস, নবীর জীবনের নানা ছোট ছোট কাহিনী, পাক ও নাপাক ইত্যাদি। আমি এরকম অল্প কিছু জেনেছিলাম। জানতাম আমি ছোট মানুষ, আমি একদিন বড় হয়ে উঠবো, আর যা কিছু জানা দাকার তার সবকিছু বাবা-মা জানেন। আমি শুধু এটুকু জানতাম যে আল্লাহ নামে একজন রয়েছেন। তার নৈকট্য লাভের জন্য আমাকে ভাল আচরণ করতে হবে। কিন্তু সেই বিশেষ মুহূর্তটি যখন এল তখন তার অস্তিত্ত্বই থাকলনা। সেই সন্দেহ, সেই আত্মসন্দেহ, নিজের সাথে করা সেই আপোষ আমার মধ্যে বিশ্বাসের মতো কিছু একটাকে ধরে রাখা - ইত্যাদি অবস্থা অনেক পরে হয়েছে, ফলে অনেক কিছু হারিয়ে ফেলা বা নিজেকে খুব একা মনে করা এধরণের কোন কিছু আমার মনে হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যেমনটা বলছিলাম বিনা প্রশ্নে সবকিছু মেনে না নেয়ার ব্যাপারটি আমার ১১-১২ বৎসরের কোন এক বসন্তের সকালে শুরু হয়েছিল। তখন আমি একটি মক্তবের ছাত্রী ছিলাম। আমার পিতামাতা আমাদেরকে বিভিন্ন পদ্ধতিতে শিক্ষিত করে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। এ লক্ষ্যে আমাকে ও ছোটভাইকে পাশের মক্তবে পাঠিয়েছিলেন। খুব ভোরে অনিচ্ছাসত্ত্বেও জেগে উঠে কায়দা হাতে নিয়ে ঘুম ঘুম চোখে আমাদের রওনা দিতে হত। তখনও আমি ফ্রক পরা ছাড়িনি। কিন্তু মক্তবে যাওয়ার জন্য আমাকে ওড়না ও সালোয়ার পড়তে হত। এক সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরী হয়ে গিয়েছিল। তাড়াতাড়ি করার কারণে মা আমাকে নাইটি পড়া অবস্থায় মক্তবে পাঠিয়েছিলেন। ওড়না পড়িয়ে দিতে অবশ্য তিনি ভুল করেননি। আমার নাইটিটা পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত লম্বা ছিল। এ কারণে আমার মা ভেবেছিলেন সালোয়ার না পরলেও চলবে। আমি আসলে ঠিক সেই পয়েন্টটা বলতে চাচ্ছি যেখানে বলা আছে যে- আমার শরীর ঘাড় থেকে পা পর্যন্ত আবৃত থাকতে হবে এবং মাথা ঢেকে রাখতে হবে। আমার পোষাক এবং ওড়ানা এই কাজটি ঠিকমতো করেছিল। যখন মক্তবে পৌঁছালাম তখন হুজুর আমাকে ডাকলেন। বন্ধুদের সামনে আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন - "তোমার জামার নিচে কি?" তারপর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও তাদের সন্তানদের বিভিন্ন অপকীর্তির কথা চিৎকার করে বলতে লাগলেন। তিনি আমাকে তক্ষুনি মক্তব থেকে চলে যেতে এবং যদি সাহস থাকে তাহলে সঠিকভাবে পোষাক পরে আসতে বললেন। রাগ এবং লজ্জায় আমার কান গরম হয়ে গিয়েছিল। ক্লাসের সবাই আমাকে ব্যাঙ্গ করে হাসছিল। তারপর এক দৌড়ে আমি বাড়ি চলে এলাম। আমি এত বেশি লজ্জা পেয়েছিলাম যে অন্য শিশুদের সামনে আমি অপমানিত বোধ করেছিলাম। এবং সেখানে আরও একটা বিষয় ছিল, আমি নিশ্চিত না কেন, কিন্তু একটি ছোট্ট বিষয় আমি অনুভব করেছিলাম। আমার মনে হয়েছিল 'আমার জামার নিচে কি আছে' এই প্রশ্নটি হুজুর শালীনভাবে করেননি। আমার চোখ ফেটে কান্না আসছিল এবং কাতরভাবে মাকে বলেছিলাম যে আমি আর মক্তবে ফিরে যাব না। মা বিষয়টি গভীরভাবে অনুভব করেছিলেন, তাকে ধন্যবাদ যে আমাকে আর মক্তবে যাবার জন্য জোর করেননি। এই ঘটনাটিকে আমি দুটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;প্রথম কারণ&lt;/span&gt; হল-এই ঘটনা আমকে ভাবতে শিখিয়েছে। নিজের শরীর ঢাকার ধারণাটিকে আমি সতর্কভাবে বিচার করেছি, প্রশ্নবিদ্ধ করেছি। এর উত্তর কেউ যৌক্তিকভাবে আমাকে দেয়নি। আমার মনের বিভ্রান্তিকে দূর করার জন্য বাবাকে প্রশ্ন করলাম। আমার বাবা একজন শিক্ষক। প্রশ্ন করতে উৎসাহ দেয়ার জন্য তিনি প্রায়ই দীর্ঘ আলোচনা করতেন। তিনি বললেন- তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনার তাৎপর্য বুঝতে পারেন এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম। হুজুর আমাকে বালিকা ছাড়া অন্য কিছু মনে করেননি। তার মনে হয়েছিল আমার সালোয়ার পরা উচিত। তিনি হয়তো কোন অশোভন কটাক্ষ করতে চাননি। কিন্তু যেহেতু তিনি স্বল্পশিক্ষিত ছিলেন, সেহেতু দুর্ভাগ্যবশত তিনি উপযুক্ত শব্দ ব্যবহার করতে পারেননি। তার মনে হয়েছে সালোয়ার না পরার অর্থ আমি শালীনভাবে পোষাক পরিনি। এটাই তার কাছে সঠিক মনে হয়েছে। কিন্তু আমার পা আমার পোষাক দিয়ে ঢাকা ছিল- আমি যুক্তি তুলে ধরলাম। আমি সঠিকভাবে নিজেকে আবৃত রেখেছিলাম। বাবা বলল- তাত্ত্বিকভাবে আমি সঠিক। কিন্তু সেই হুজুর যৌক্তিকভাবে চিন্তা করতে শেখেননি। বেশিরভাগ মানুষই এমন। তার কাছে আমি একজন মেয়ে ও আমার নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুযায়ী পোষাক পরা উচিত। যদি আমি তা না করি, তাহলে আমি যাই পরিনা কেন, হুজুরের কাছে তার কোন মূল্য নেই। আমি সঠিক পোষাক পরিনাই বলেই তিনি ধরে নেবেন। এই ঘটনা ও চিন্তা পদ্ধতি আমার ভিতরে এক অন্য রকমের পরিবর্তনের সূচনা ঘটালো। একটি লম্বা পোষাক পরা যদি সঠিক না হয়, তাহলে আমার ফ্রক পরাকে (যা আমার পা দুটোকে খোলা রেখে দেয়) তারা কি আরও খারাপ বলবেন না? কিন্তু আমার বয়সী অন্য মেয়েরা সবাই ফ্রক পরে। আর এটা কাউকে বিব্রত করেনি। এমনকি আমি যদি প্যান্ট পরি (ছেলেদের মত), যদিও তা আমার পা দুটোকে ঢেকে রাখে, তাহলেও তা হয়তো কাউকে বিব্রত করতে পারে। আমি এটা কিভাবে মেনে নেব? আমি বেশিরভাগ মানুষের পালিত ধর্মের অযৌক্তিকতাকে স্পষ্প দেখতে শুরু করলাম। লক্ষ্য করুন আমি মানুষের 'পালিত ধর্ম' শব্দ দুটি ব্যবহার করেছি।  ধর্ম নিজে তখন পর্যন্ত আমার চোখে তার গ্রহণযোগ্যতা হারায়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;দ্বিতীয় কারণ&lt;/span&gt; হল- মক্তবে যেসব মানুষদেরকে আমরা 'বিশ্বাসের শিক্ষক' হিসেবে নিয়োজিত রেখেছি, তারা যে কত ছোট মনের মানুষ তা আমি আবিষ্কার করলাম। এদের মধ্যে কেউ কেউ স্ত্রীকে পেটায়, কেউ আবার বর্বরদের মতো করে ছোট ছেলেদের মারপিট করে। আমি আরও বুঝলাম যে স্ত্রীকে মারার আরও অন্য উপায় আছে। যেমনটা বলা হয় 'হাতে না মেরে ভাতে মারা'। যারা ধমকাধমকি করে দুর্বলকে শাসনে রাখে তারা যে খুব ভাল স্বামী তা হয়তো নয়। কিন্তু সবসময় দেখা গেছে ধর্মীয় শিক্ষকদের এইসব অপরাধকে লঘু পাপ হিসেবে দেখা হয়না। এইসব ঘটনার কারণে আমি নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করা শুরু করলাম। এই ধরণের স্বভাব যাদের তারা আল্লাহর বাণী আমাদের কাছে পৌছে দেয়, শুধুমাত্র এই কারণে কি শ্রদ্ধেয় হতে পারে? এই মানুষরা বোঝে কম, তাদের আত্মা বিভ্রান্ত, এরা আল্লাহর দেয়া জীবনকে কিছু অন্ধ নিয়ম ও প্রথার শিকলে বন্দী করে বাঁচতে চায়। তাদের অনুভূতি, উপলব্ধিকে ভালমতো বিশ্লেষণ না করেই কি তাদেরকে শ্রদ্ধেয় বলে মনে করবো?  আমি সেই হুজুরের প্রতি কৃতজ্ঞতা বোধ করি। অন্ধত্ব আর শালীন ও অশালীনের মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যর্থতার জন্য তাকে আমি চিরকাল মনে রাখবো। আমার কাছে মনে হয়েছে, আমি যদি কিছু নাও পরতাম, এর চাইতেও তার শব্দগুলি শতগুণ বেশি অশালীন ছিল। তার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ যে তার আচরণ, চিন্তাপদ্ধতি আমাকে প্রশ্ন করতে শিখিয়েছে। তার ব্যবহারের কারণে আমি আমার ১৪ বছরের বাড়ন্ত বয়সে সন্দেহবাদী হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু তখনও ধর্মীয় বাতাবরণে আমার বিশ্বাসকে আমি ধরে রেখেছিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;মূল লেখার &lt;/span&gt;&lt;a style="font-style: italic;" href="http://avijit.humanists.net/article/why_I_remain_atheist.htm"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-6465189473282111429?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/6465189473282111429/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/04/blog-post.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/6465189473282111429'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/6465189473282111429'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/04/blog-post.html' title='কেন আমি নাস্তিক থেকে গেলাম - শবনম নাদিয়া -০১'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-8870178598995424106</id><published>2009-03-20T20:26:00.001+06:00</published><updated>2009-04-10T01:53:27.058+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর ও তথ্য'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রিচার্ড ডকিন্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অগ্নি বই'/><title type='text'>রিচার্ড ডকিন্সের দেয়া মুক্তচিন্তার বইয়ের তালিকা</title><content type='html'>রিচার্ড ডকিন্স তাঁর The God Delusion বইটি লিখতে গিয়ে বিভিন্ন বই থেকে সাহায্য নিয়েছেন। নিজ বক্তব্য যুক্তিপূর্ণভাবে প্রকাশ করার জন্য তাঁকে অনেক বই পড়তে হয়েছে। এই বইগুলোর একটি তালিকা The God Delusion বইটির শেষে রয়েছে। রিচার্ড ডকিন্স মনে করেন, যাঁরা ঘটনার কার্যকারণ জানতে আগ্রহী তাদের পাঠ্যতালিকায় নিম্নোক্ত বইগুলো থাকা আবশ্যক। বিভিন্ন ঘটনা, সূত্র, ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ ও প্রচলিত ধর্মীয় ও পৌরাণিক কাহিনীগুলোর পরম্পরা বুঝতে হলে নিবিড় অধ্যয়নের কোন বিকল্প নেই। তাই সন্দেহবাদী, বিজ্ঞানমনস্ক অনুসন্ধিৎসু পাঠকদের জন্য একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থতালিকা থাকা প্রয়োজন। ঈশ্বর, তার সৃষ্টি, প্রকৃতির রহস্য ও বিভিন্ন ঐশী গ্রন্থগুলো সম্পর্কে বদ্ধ ধারণা নয়, খোলামনে চিন্তা করতে হলে এক বই থেকে সব প্রশ্নের উত্তর জানা সম্ভব নয়, আর তা জানতে চাওয়াও বোকামীর নামান্তর। এক্ষেত্রে বিভিন্নরকম বই থেকে বিভিন্ন মনোভঙ্গীর লেখকদের বক্তব্য থেকে সত্যের নির্যাস বের করে আনা অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। এমতাবস্থায় প্রয়োজনীয় বইয়ের একটি তালিকা হাতে থাকলে কাজটা সহজ হয়ে যায়। রিচার্ড ডকিন্সের দেয়া এই তালিকাটিও সম্পূর্ণ নয়; এই তালিকার বাইরেও অনেক বই রয়ে গেছে, যা পাঠকের প্রশ্নকে পূর্ণাঙ্গ করে তুলতে সক্ষম। তারপরও এই তালিকাটি প্রয়োজনের সময় সঠিক দিকনির্দেশনা দেবে এই প্রত্যাশায় প্রকাশ করলাম।&lt;br /&gt;কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি &lt;a href="http://www.richarddawkins.net/"&gt;Richarddawkins.net&lt;/a&gt; এর প্রতি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;Adams, D. (2003). The Salmon of Doubt. London: Pan.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Alexander, R. D. and Tinkle, D. W., eds (1981). Natural Selection and Social Behavior. New York: Chiron Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Anon. (1985). Life - How Did It Get Here? By Evolution or byCreation? New York: Watchtower Bible and Tract Society.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Ashton, J. E, ed. (1999). In Six Days: Why 50 Scientists Choose toBelieve in Creation. Sydney: New Holland.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Atkins, P. W. (1992). Creation Revisited. Oxford: W. H. Freeman.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Atran, S. (2002). In Gods We Trust. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Attenborough, D. (1960). Quest in Paradise. London: Lutterworth.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Aunger, R. (2002). The Electric Meme: A New Theory of How We Think. New York: Free Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Baggini, J. (2003). Atheism: A Very Short Introduction. Oxford:Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Barber, N. (1988). Lords of the Golden Horn. London: Arrow.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Barker, D. (1992). Losing Faith in Faith. Madison, WI: Freedom From Religion Foundation.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Barker, E. (1984). The Making of a Moonie: Brainwashing or Choice? Oxford: Blackwell.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Barrow, J. D. and Tipler, F. J. (1988). The Anthropic Cosmological Principle. New York: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Baynes, N. H., ed. (1942). The Speeches of Adolf Hitler, vol. 1. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Behe, M. J. (1996). Darwin's Black Box. New York: Simon &amp;amp; Schuster.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Beit-Hallahmi, B. and Argyle, M. (1997). The Psychology of Religious Behaviour, Belief and Experience. London: Routledge.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Berlinerblau, J. (2005). The Secular Bible: Why Nonbelievers Must Take Religion Seriously. Cambridge: Cambridge University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Blackmore, S. (1999). The Meme Machine. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Blaker, K., ed. (2003). The Fundamentals of Extremism: The Christian Right in America. Plymouth, MI: New Boston.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Bouquet, A. C. (1956). Comparative Religion. Harmondsworth: Penguin.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Boyd, R. and Richerson, P. J. (1985). Culture and the Evolutionary Process. Chicago: University of Chicago Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Boyer, P. (2001). Religion Explained. London: Heinemann.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Brodie, R. (1996). Virus of the Mind: The New Science of the Meme. Seattle: Integral Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Buckman, R. (2000). Can We Be Good without God? Toronto: Viking.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Bullock, A. (1991). Hitler and Stalin. London: HarperCollins.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Bullock, A. (2005). Hitler: A Study in Tyranny. London: Penguin.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Buss, D. M., ed. (2005). The Handbook of Evolutionary Psychology. Hoboken, NJ: Wiley.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Cairns-Smith, A. G. (1985). Seven Clues to the Origin of Life. Cambridge: Cambridge University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Comins, N. F. (1993). What if the Moon Didn't Exist? New York: HarperCollins.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Coulter, A. (2006). Godless: The Church of Liberation. New York: Crown Forum.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Darwin, C. (1859). On the Origin of Species by Means of Natural Selection. London: John Murray.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dawkins, M. Stamp (1980). Animal Suffering. London: Chapman &amp;amp; Hall.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dawkins, R. (1976). The Selfish Gene. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dawkins, R. (1982). The Extended Phenotype. Oxford: W. H. Freeman.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dawkins, R. (1986). The Blind Watchmaker. Harlow: Longman.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dawkins, R. (1995). River Out of Eden. London: Weidenfeld &amp;amp; Nicolson.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dawkins, R. (1996). Climbing Mount Improbable. New York: Norton.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dawkins, R. (1998). Unweaving the Rainbow. London: Penguin.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dawkins, R. (2003). A Devil's Chaplain: Selected Essays. London: Weidenfeld &amp;amp; Nicolson.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dennett, D. (1995). Darwin's Dangerous Idea. New York: Simon &amp;amp; Schuster.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dennett, D. C. (1987). The Intentional Stance. Cambridge, MA: MIT Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dennett, D. C. (2003). Freedom Evolves. London: Viking.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dennett, D. C. (2006). Breaking the Spell: Religion as a Natural Phenomenon. London: Viking.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Deutsch, D. (1997). The Fabric of Reality. London: Allen Lane.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Distin, K. (2005). The Selfish Meme: A Critical Reassessment. Cambridge: Cambridge University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dostoevsky, F. (1994). The Karamazov Brothers. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Ehrman, B. D. (2003a). Lost Christianities: The Battles for Scripture and the Faiths We Never Knew. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Ehrman, B. D. (2003b). Lost Scriptures: Books that Did Not Make It into the New Testament. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Ehrman, B. D. (2006). Whose Word Is It? London: Continuum.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Fisher, H. (2004). Why We Love: The Nature and Chemistry of Romantic Love. New York: Holt.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Forrest, B. and Gross, P. R. (2004). Creationism's Trojan Horse: The Wedge of Intelligent Design. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Frazer, J. G. (1994). The Golden Bough. London: Chancellor Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Freeman, C. (2002). The Closing of the Western Mind. London: Heinemann.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Galouye, D. F. (1964). Counterfeit World. London: Gollancz.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Glover, J. (2006). Choosing Children. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Goodenough, U. (1998). The Sacred Depths of Nature. New York: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Goodwin, J. (1994). Price of Honour: Muslim Women Lift the Veil of Silence on the Islamic World. London: Little, Brown.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Gould, S. J. (1999). Rocks of Ages: Science and Religion in the Fullness of Life. New York: Ballantine.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Grafen, A. and Ridley, M., eds (2006). Richard Dawkins: How a Scientist Changed the Way We Think. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Grand, S. (2000). Creation: Life and How to Make It. London: Weidenfeld &amp;amp; Nicolson.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Grayling, A. C. (2003). What Is Good? The Search for the Best Way to Live. London: Weidenfeld &amp;amp; Nicolson.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Gregory, R. L. (1997). Eye and Brain. Princeton: Princeton University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Halbertal, M. and Margalit, A. (1992). Idolatry. Cambridge, MA: Harvard University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Harris, S. (2004). The End of Faith: Religion, Terror and the Future of Reason. New York: Norton.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Harris, S. (2006). Letter to a Christian Nation. New York: Knopf.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Haught, J. A. (1996). 2000 Years of Disbelief: Famous People with the Courage to Doubt. Buffalo, NY: Prometheus.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Hauser, M. (2006). Moral Minds: How Nature Designed our Universal Sense of Right and Wrong. New York: Ecco.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Hawking, S. (1988). A Brief History of Time. London: Bantam.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Henderson, B. (2006). The Gospel of the Flying Spaghetti Monster. New York: Villard.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Hinde, R. A. (1999). Why Gods Persist: A Scientific Approach to Religion. London: Routledge.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Hinde, R. A. (2002). Why Good Is Good: The Sources of Morality. London: Routledge.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Hitchens, C. (1995). The Missionary Position: Mother Teresa in Theory and Practice. London: Verso.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Hitchens, C. (2005). Thomas Jefferson: Author of America. New York: HarperCollins.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Hodges, A. (1983). Alan Turing: The Enigma. New York: Simon &amp;amp; Schuster.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Holloway, R. (1999). Godless Morality: Keeping Religion out of Ethics. Edinburgh: Canongate.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Holloway, R. (2001). Doubts and Loves: What is Left of Christianity. Edinburgh: Canongate.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Humphrey, N. (2002). The Mind Made Flesh: Frontiers of Psychology and Evolution. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Huxley, A. (2003). The Perennial Philosophy. New York: Harper.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Huxley, A. (2004). Point Counter Point. London: Vintage.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Huxley, T. H. (1871). Lay Sermons, Addresses and Reviews. New York: Appleton.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Huxley, T. H. (1931). Lectures and Essays. London: Watts.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Jacoby, S. (2004). Freethinkers: A History of American Secularism. New York: Holt.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Jammer, M. (2002). Einstein and Religion. Princeton: Princeton University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Jaynes, J. (1976). The Origin of Consciousness in the Breakdown of the Bicameral Mind. Boston: Houghton Mifflin.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Juergensmeyer, M. (2000). Terror in the Mind of God: The Global Rise of Religious Violence. Berkeley: University of California Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Kennedy, L. (1999). All in the Mind: A Farewell to God. London: Hodder &amp;amp;c Stoughton.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Kertzer, D. I. (1998). The Kidnapping ofEdgardo Mortara. New York: Vintage.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Kilduff, M. and Javers, R. (1978). The Suicide Cult. New York: Bantam.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Kurtz, P., ed. (2003). Science and Religion: Are They Compatible? Amherst, NY: Prometheus.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Kurtz, P. (2004). Affirmations: Joyful and Creative Exuberance. Amherst, NY: Prometheus.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Kurtz, P. and Madigan, T. J., eds (1994). Challenges to the Enlightenment: In Defense of Reason and Science. Amherst, NY: Prometheus.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Lane, B. (1996). Killer Cults. London: Headline.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Lane Fox, R. (1992). The Unauthorized Version. London: Penguin.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Levitt, N. (1999) Prometheus Bedeviled. New Brunswick, NJ: Rutgers University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Loftus, E. and Ketcham, K. (1994). The Myth of Repressed Memory: False Memories and Allegations of Sexual Abuse. New York: St Martin's.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;McGrath, A. (2004). Dawkins' God: Genes, Memes and the Meaning of Life. Oxford: Blackwell.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Mackie, J. L. (1985). The Miracle of Theism. Oxford: Clarendon Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Medawar, P. B. (1982). Pluto's Republic. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Medawar, P. B. and Medawar, J. S. (1977). The Life Science: Current Ideas of Biology. London: Wildwood House.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Miller, Kenneth (1999). Finding Darwin's God. New York: HarperCollins.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Mills, D. (2006). Atheist Universe: The Thinking Person's Answer to Christian Fundamentalism. Berkeley: Ulysses Books.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Mitford, N. and Waugh, E. (2001). The Letters of Nancy Mitford and Evelyn Waugh. New York: Houghton Mifflin.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Mooney, C. (2005). The Republican War on Science. Cambridge, MA: Basic Books.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Perica, V. (2002). Balkan Idols: Religion and Nationalism in Yugoslav States. New York: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Phillips, K. (2006). American Theocracy. New York: Viking.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Pinker, S. (1997). How the Mind Works. London: Allen Lane.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Pinker, S. (2002). The Blank Slate: The Modern Denial of Human Nature. London: Allen Lane.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Plimer, I. (1994). Telling Lies for God: Reason vs Creationism. Milsons Point, NSW: Random House.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Polkinghorne, J. (1994). Science and Christian Belief: Theological Reflections of a Bottom-Up Thinker. London: SPCK.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Rees, M. (1999). Just Six Numbers. London: WeidenfeJd &amp;amp; NicoJson.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Rees, M. (2001). Our Cosmic Habitat. London: Weidenfeld &amp;amp; NicoJson.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Reeves, T. C. (1996). The Empty Church: The Suicide of Liberal Christianity. New York: Simon &amp;amp; Schuster.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Richerson, P. J. and Boyd, R. (2005). Not by Genes Alone: How Culture Transformed Human Evolution. Chicago: University of Chicago Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Ridley, Mark (2000). Mendel's Demon: Gene Justice and the Complexity of Life. London: Weidenfeld &amp;amp; Nicolson.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Ridley, Matt (1997). The Origins of Virtue. London: Penguin.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Ronson, J. (2005). The Men Who Stare at Goats. New York: Simon &amp;amp; Schuster.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Ruse, M. (1982). Darwinism Defended: A Guide to the Evolution Controversies. Reading, MA: Addison-Wesley.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Russell, B. (1957). Why I Am Not a Christian. London: Routledge.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Russell, B. (1993). The Quotable Bertrand Russell. Amherst, NY: Prometheus.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Russell, B. (1997a). The Collected Papers of Bertrand Russell, vol. 2: Last Philosophical Testament, 1943-1968. London: Routledge.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Russell, B. (1997b). Collected Papers, vol. 11, ed. J. C. Slater and P. Köllner. London: Routledge.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Russell, B. (1997c). Religion and Science. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Ruthven, M. (1989). The Divine Supermarket: Travels in Search of the Soul of America. London: Chatto &amp;amp; Windus.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Sagan, C. (1995). Pale Blue Dot. London: Headline.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Sagan, C. (1996). The Demon-Haunted World: Science as a Candle in the Dark. London: Headline.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Scott, E. C. (2004). Evolution vs. Creationism: An Introduction. Westport, CT: Greenwood.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Shennan, S. (2002). Genes, Memes and Human History. London: Thames &amp;amp; Hudson.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Shermer, M. (1997). Why People Believe Weird Things: Pseudoscience, Superstition and Other Confusions of Our Time. New York: W. H. Freeman.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Shermer, M. (1999). How We Believe: The Search for God in an Age of Science. New York: W. H. Freeman.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Shermer, M. (2004). The Science of Good and Evil: Why People Cheat, Gossip, Care, Share, and Follow the Golden Rule. New York: Holt.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Shermer, M. (2005). Science Friction: Where the Known Meets the Unknown. New York: Holt.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Shermer, M. (2006). The Soul of Science. Los Angeles: Skeptics Society.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Silver, L. M. (2006). Challenging Nature: The Clash of Science and Spirituality at the New Frontiers of Life. New York: HarperCollins.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Singer, P. (1990). Animal Liberation. London: Jonathan Cape.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Singer, P. (1994). Ethics. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Smith, K. (1995). Ken's Guide to the Bible. New York: Blast Books.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Smolin, L. (1997). The Life of the Cosmos. London: Weidenfeld &amp;amp; Nicolson.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Smythies, J. (2006). Bitter Fruit. Charleston, SC: Booksurge.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Spong, J. S. (2005). The Sins of Scripture. San Francisco: Harper.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Stannard, R. (1993). Doing Away with God? Creation and the Big Bang. London: Pickering.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Steer, R. (2003). Letter to an Influential Atheist. Carlisle: Authentic Lifestyle Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Stenger, V. J. (2003). Has Science Found God? The Latest Results in the Search for Purpose in the Universe. New York: Prometheus.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Susskind, L. (2006). The Cosmic Landscape: String Theory and the Illusion of Intelligent Design. New York: Little, Brown.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Swinburne, R. (1996). Is There a God? Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Swinburne, R. (2004). The Existence of God. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Taverne, R. (2005). The March of Unreason: Science, Democracy and the New Fundamentalism. Oxford: Oxford University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Tiger, L. (1979). Optimism: The Biology of Hope. New York: Simon &amp;amp; Schuster.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Toland, J. (1991). Adolf Hitler: The Definitive Biography, New York: Anchor.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Trivers, R. L. (1985). Social Evolution. Menlo Park, CA: Benjamin/ Cummings.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Unwin, S. (2003). The Probability of God: A Simple Calculation that Proves the Ultimate Truth. New York: Crown Forum.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Vermes, G. (2000). The Changing Faces of Jesus. London: Allen Lane.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Ward, K. (1996). God, Chance and Necessity. Oxford: Oneworld.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Warraq, I. (1995). Why I Am Not a Muslim. New York: Prometheus.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Weinberg, S. (1993). Dreams of a Final Theory. London: Vintage.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Wells, G. A. (1986). Did Jesus Exist? London: Pemberton.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Wheen, F. (2004). How Mumbo-Jumbo Conquered the World: A Short History of Modern Delusions. London: Fourth Estate.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Williams, W, ed. (1998). The Values of Science: Oxford Amnesty Lectures 1997. Boulder, CO: Westview.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Wilson, A. N. (1993). Jesus. London: Flamingo.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Wilson, A. N. (1999). God's Funeral. London: John Murray.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Wilson, D. S. (2002). Darwin's Cathedral: Evolution, Religion and the Nature of Society. Chicago: University of Chicago Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Wilson, E. O. (1984). Biophilia. Cambridge, MA: Harvard University Press.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Winston, R. (2005). The Story of God. London: Transworld/BBC.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Wolpert, L. (1992). The Unnatural Nature of Science. London: Faber &amp;amp; Faber.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Wolpert, L. (2006). Six Impossible Things Before Breakfast: The Evolutionary Origins of Belief. London: Faber &amp;amp; Faber.&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Young, M. and Edis, T., eds (2006). Why Intelligent Design Fails: AScientific Critique of the New Creationism. New Brunswick:&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Rutgers University Press.&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;ধর্মের অসারতা ও তার রাজনৈতিক স্বরূপ, বিজ্ঞানচেতনা, মানবতা, নৈতিকতা, বিশ্বাসবোধ, প্রকৃতির কার্যকারণ ইত্যাদি সম্পর্কে উল্লিখিত বইগুলি আপনার জানার পরিধিকে বিস্তৃত করুক এই প্রত্যাশা করি।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-8870178598995424106?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/8870178598995424106/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/03/blog-post_20.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8870178598995424106'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8870178598995424106'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/03/blog-post_20.html' title='রিচার্ড ডকিন্সের দেয়া মুক্তচিন্তার বইয়ের তালিকা'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-3005847486214199542</id><published>2009-03-11T09:21:00.002+06:00</published><updated>2009-04-10T01:25:57.746+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর ও তথ্য'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রিচার্ড ডকিন্স'/><title type='text'>কয়েকটি সমমনা সংগঠন ও ওয়েবসাইটের ঠিকানা</title><content type='html'>রিচার্ড ডকিন্সের বিখ্যাত বই The God Delusion অনলাইনে পেয়ে গেলাম। এই বইয়ের শেষে Appendix অংশে ডকিন্স একটি তালিকা দিয়েছেন। মুক্তচিন্তা, মানবতা, বিজ্ঞানমনস্কতা ইত্যাদিকে সমর্থন করে এরকম কিছু বন্ধুভাবাপন্ন সংগঠন ও তাদের ওয়েবসাইটের ঠিকানা রয়েছে এই তালিকায়। অনুসন্ধিৎসু পাঠক বন্ধুদের জন্য এই তালিকাটি সম্পূর্ণ প্রকাশ করলাম। রিচার্ড ডকিন্স এই তালিকার নাম দিয়েছেন-"A partial list of friendly addresses, for individuals needing support in escaping from religion"&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ প্রসঙ্গে তিনি  বলেছেন:-"I intend to keep an updated version of this list on the website of the Richard Dawkins Foundation for Reason and Science: &lt;a href="http://www.richarddawkins.net"&gt;www.richarddawkins.net&lt;/a&gt;. I apologize for limiting the list below largely to the English-speaking world."&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;USA&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;American Atheists&lt;br /&gt;PO Box 5733, Parsippany, NJ 07054-6733&lt;br /&gt;Voicemail: 1-908-276-7300&lt;br /&gt;Fax: 1-908-276-7402&lt;br /&gt;Email: info@atheists.org&lt;br /&gt;www.atheists.org&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;American Humanist Association&lt;br /&gt;1777 T Street, NW, Washington, DC 20009-7125&lt;br /&gt;Telephone: (202) 238-9088&lt;br /&gt;Toll-free: 1-800-837-3792&lt;br /&gt;Fax: (202) 238-9003&lt;br /&gt;www.americanhumanist.org&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Atheist Alliance International&lt;br /&gt;PO Box 26867, Los Angeles, CA 90026&lt;br /&gt;Toll-free: 1-866-HERETIC&lt;br /&gt;Email: info@atheistalliance.org&lt;br /&gt;www.atheistalliance.org&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;The Brights&lt;br /&gt;PO Box 163418, Sacramento, CA 95816 USA&lt;br /&gt;Email: the-brights@the-brights.net&lt;br /&gt;www.the-brights.net&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Center For Inquiry Transnational&lt;br /&gt;Council for Secular Humanism&lt;br /&gt;Campus Freethought Alliance&lt;br /&gt;Center for Inquiry - On Campus&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;African Americans for Humanism&lt;br /&gt;3965 Rensch Road, Amherst, NY 14228&lt;br /&gt;Telephone: (716) 636-4869&lt;br /&gt;Fax:(716)636-1733&lt;br /&gt;Email: info@secularhumanism.org&lt;br /&gt;www.centerforinquiry.net&lt;br /&gt;www.secularhumanism.org&lt;br /&gt;www.campusfreethought.org&lt;br /&gt;www.secularhumanism.org/index.php?section=aah&amp;amp;page=index&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Freedom From Religion Foundation&lt;br /&gt;PO Box 750, Madison, WI 53701&lt;br /&gt;Telephone: (608) 256-5800&lt;br /&gt;Email: info@ffrf.org&lt;br /&gt;www.ffrf.org&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Freethought Society of Greater Philadelphia&lt;br /&gt;PO Box 242, Pocopson, PA 19366-0242&lt;br /&gt;Telephone: (610) 793-2737&lt;br /&gt;Fax: (610) 793-2569&lt;br /&gt;Email: fsgp@freethought.org&lt;br /&gt;www.fsgp.org/&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Institute for Humanist Studies&lt;br /&gt;48 Howard St, Albany, NY 12207&lt;br /&gt;Telephone: (518) 432-7820&lt;br /&gt;Fax: (518) 432-7821&lt;br /&gt;www.humaniststudies.org&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;International Humanist and Ethical Union - USA&lt;br /&gt;Appignani Bioethics Center&lt;br /&gt;PO Box 4104, Grand Central Station, New York, NY 10162&lt;br /&gt;Telephone: (212) 687-3324&lt;br /&gt;Fax: (212) 661-4188&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Internet Infidels&lt;br /&gt;PO Box 142, Colorado Springs, CO 80901-0142&lt;br /&gt;Fax: (877) 501-5113&lt;br /&gt;www.infidels.org&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;James Randi Educational Foundation&lt;br /&gt;201 S.E. 12th St (E. Davie Blvd), Fort Lauderdale, FL 33316-1815&lt;br /&gt;Telephone: (954)467-1112&lt;br /&gt;Fax: (954) 467-1660&lt;br /&gt;Email: jref@randi.org&lt;br /&gt;www.randi.org&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Secular Coalition for America&lt;br /&gt;PO Box 53330, Washington, DC 20009-9997&lt;br /&gt;Telephone: (202) 299-1091&lt;br /&gt;www.secular.org&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Secular Student Alliance&lt;br /&gt;PO Box 3246, Columbus, OH 43210&lt;br /&gt;Toll-free Voicemail / Fax: 1-877-842-9474&lt;br /&gt;Email: ssa@secularstudents.org&lt;br /&gt;www.secularstudents.org&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;The Skeptics Society&lt;br /&gt;PO Box 338, Altadena, CA 91001&lt;br /&gt;Telephone: (626) 794-3119&lt;br /&gt;Fax: (626) 794-1301&lt;br /&gt;Email: editorial@skeptic.com&lt;br /&gt;www.skeptic.com&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Society for Humanistic Judaism&lt;br /&gt;28611 W. 12 Mile Rd, Farmington Hills, MI 48334&lt;br /&gt;Telephone: (248) 478-7610&lt;br /&gt;Fax: (248)478-3159&lt;br /&gt;Email: info@shj.org&lt;br /&gt;www.shj.org&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;Britain&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;British Humanist Association&lt;br /&gt;1 Gower Street, London WC1E 6HD&lt;br /&gt;Telephone: 020 7079 3580&lt;br /&gt;Fax: 020 7079 3588&lt;br /&gt;Email: info@humanism.org.uk&lt;br /&gt;www.humanism.org.uk&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;International Humanist and Ethical Union - UK&lt;br /&gt;1 Gower Street, London WC1E 6HD&lt;br /&gt;Telephone: 020 7631 3170&lt;br /&gt;Fax: 020 7631 3171&lt;br /&gt;www.iheu.org/&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;National Secular Society&lt;br /&gt;25 Red Lion Square, London WC1R 4RL&lt;br /&gt;Tel: 020 7404 3126&lt;br /&gt;Fax: 0870 762 8971&lt;br /&gt;www.secularisrn.org.uk/&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;New Humanist&lt;br /&gt;1 Gower Street, London WC1E 6HD&lt;br /&gt;Telephone: 020 7436 1151&lt;br /&gt;Fax: 020 7079 3588&lt;br /&gt;Email: info@newhumanist.org.uk&lt;br /&gt;www.newhumanist.org.uk&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Rationalist Press Association&lt;br /&gt;1 Gower Street, London WC1E 6HD&lt;br /&gt;Telephone: 020 7436 1151&lt;br /&gt;Fax: 020 7079 3588&lt;br /&gt;Email: info@rationalist.org.uk&lt;br /&gt;www.rationalist.org.uk/&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;South Place Ethical Society (UK)&lt;br /&gt;Conway Hall, Red Lion Square, London WC1R 4RL&lt;br /&gt;Telephone: 020 7242 8037/4&lt;br /&gt;Fax: 020 7242 8036&lt;br /&gt;Email: library@ethicalsoc.org.uk&lt;br /&gt;www.ethicalsoc.org.uk&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;Canada&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Humanist Association of Canada&lt;br /&gt;PO Box 8752, Station T, Ottawa, Ontario, K1G 3J1&lt;br /&gt;Telephone: 877-HUMANS-l&lt;br /&gt;Fax: (613) 739-4801&lt;br /&gt;Email: HAC@Humanists.ca&lt;br /&gt;http://hac.humanists.net/&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;Australia&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Australian Skeptics&lt;br /&gt;PO Box 268, Roseville, NSW 2069&lt;br /&gt;Telephone: 02 9417 2071&lt;br /&gt;Email: skeptics@bdsn.com.au&lt;br /&gt;www.skeptics.com.au&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Council of Australian Humanist Societies&lt;br /&gt;GPO Box 1555, Melbourne, Victoria 3001.&lt;br /&gt;Telephone: 613 5974 4096&lt;br /&gt;Email: AMcPhate@bigpond.net.au&lt;br /&gt;http://home.vicnet.net.au/~humanist/resources/cahs.html&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;New Zealand&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;New Zealand Skeptics&lt;br /&gt;NZCSICOP Inc.&lt;br /&gt;PO Box 29-492, Christchurch&lt;br /&gt;Email: skeptics@spis.co.nz&lt;br /&gt;http://skeptics.org.nz&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Humanist Society of New Zealand&lt;br /&gt;PO Box 3372, Wellington&lt;br /&gt;Email: jeffhunt90@yahoo.co.nz&lt;br /&gt;www.humanist.org.nz/&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;India&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Rationalist International&lt;br /&gt;PO Box 9110, New Delhi 110091&lt;br /&gt;Telephone: + 91-11-556 990 12&lt;br /&gt;Email: info@rationalistinternational.net&lt;br /&gt;www.rationalistinternational.net/&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;Islamic&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Apostates of Islam&lt;br /&gt;www.apostatesofislam.com/index.htm&lt;br /&gt;Dr Homa Darabi Foundation&lt;br /&gt;(To promote the rights of women and children under Islam)&lt;br /&gt;PO Box 11049, Truckee, CA 96162, USA&lt;br /&gt;Telephone (530) 582 4197&lt;br /&gt;Fax (530) 582 0156&lt;br /&gt;Email: homa@homa.org&lt;br /&gt;www.homa.org/&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;FaithFreedom.org&lt;br /&gt;www.faithfreedom.org/index.htm&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Institute for the Secularization of Islamic Society&lt;br /&gt;Email: info@SecularIslam.org&lt;br /&gt;www.secularislam.org/Default.htm&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আরও নতুন নতুন মুক্তচিন্তার সংগঠন ও ওয়েবসাইটের খবরাখবর জানতে রিচার্ড ডকিন্সের নিজস্ব ওয়েবসাইট &lt;a href="http://www.richarddawkins.net/"&gt;Richarddawkins.net&lt;/a&gt; ভ্রমণ করুন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-3005847486214199542?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/3005847486214199542/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/03/blog-post_11.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/3005847486214199542'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/3005847486214199542'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/03/blog-post_11.html' title='কয়েকটি সমমনা সংগঠন ও ওয়েবসাইটের ঠিকানা'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-1197344790898952135</id><published>2009-03-10T13:15:00.000+06:00</published><updated>2009-04-10T01:21:11.632+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৮</title><content type='html'>রিযা সম্পর্কে বেশ কিছু মজাদার হাদিস রয়েছে, যার কিছু নমুনা নিচে পেশ করা হলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিবি আয়েশার বোন উম্মে কুলসুম সেলিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমরকে মাত্র তিনবার বুকের দুধ খাওয়ায়; যার দরুন আয়েশার সাথে দেখা করা ইবনে আব্দুল্লাহর জন্যে হারাম ছিল। যদি কুলসুম দশবার খাওয়াত, সেক্ষেত্রে আয়েশার সাথে সাক্ষাৎ করা তার জন্যে হালাল হয়ে যেতো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুয়াত্তাঃ বুক নং-৩০, হাদিস নং-৩০.১.৭:&lt;br /&gt;....সেলিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর তাকে (ইয়াহিয়াকে) বলেন যে উম্মে কুলসুম বিনতে আবু বকর আস-সিদ্দিক যখন তাকে স্তন্যপান করাচ্ছিলেন তখন উম্মুল মুমেনীন আয়েশা তার বোনকে বলেছিলেন-“তাকে দশবার দুধ খাওয়াও, যেন সে আমার সাথে দেখা করার অধিকারী হয়”। সেলিম বলেন- “উম্মে কুলসুম আমাকে তিন বার দুধ খাওয়ানোর পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন। সুতরাং----আমি আর আয়েশার সাক্ষাৎ পাইনি, কারণ উম্মে কুলসুম দশ বার শেষ করতে পারেননি”।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;অনাত্মীয়া স্ত্রীলোকের সাথে সাক্ষাতযোগ্য হওয়ার উপযুক্ততা: তার কাছ থেকে দশ কিস্তি দুগ্ধপান&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুয়াত্তাঃ বুক নং-৩০, হাদিস নং-৩০.১.৮:......উম্মুল মোমেনীন হাফসা আসিম বিন আব্দুল্লাহ বিন সা’দকে তার (হাফসার) বোন ফাতিমা বিনতে উমর ইবনুল খাত্তাবের নিকট পাঠিয়েছিলেন যেন তিনি তাকে দশবার বুকের দুধ খাওয়ান; তা’হলে সে (আসিম) তার কাছে যেতে পারবে এবং দেখা করতে পারবে। তিনি (ফাতিমা) তা করেছিলেন, সুতরাং সে (আসিম) তার (হাফসার) সাথে দেখা করতে যেতো।&lt;br /&gt;(লক্ষ্য করুন, দশবার দুধ খাওয়ানোর রীতি পরিবর্তিত হয়ে পরবর্তীতে পাঁচ বারে নেমে আসে)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুয়াত্তাঃ বুক নং-৩০, হাদিস নং-৩০.৩.১৭:&lt;br /&gt;..........আয়েশা বলেন- “কোরানে যা  নাজেল হয়েছিল তা এই- ‘দশবার বুকের দুধ খাওয়ালে সে হারাম হয়ে যায়’,অতঃপর তা ‘পাঁচবার’ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। রাসুলুল্লাহ (দঃ) যখন মারা যান, তখন কোরাণে এখন যেভাবে আছে সেভাবেই ইহা তেলাওয়াত হয়ে আসছিল”।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একথা বলা নিষ্প্রয়োজন যে ইসলামি সমাজে রিযা পদ্ধতি শিশুদের জন্যে দুগ্ধ-সরবরাহ সমস্যার এক অনুপম উপায়। তবে এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে বিয়ের মার্কেটের অবস্থাটা কী দাড়াবে? যদি মায়েরা কিছু সময়ের জন্যেও তার শিশুটিকে ধাত্রী মায়ের হাতে তুলে দেয়, বিয়ের মার্কেট থেমে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। রিযার কারণে সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল বরটিও তার জন্যে একটি কনে যোগাড় করতে হিমশিম খাবেন, এতে কোন সন্দেহ আছে কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপরের মন্তব্য অবশ্য ইসলামি ফষ্টারেজ পদ্ধতির চরম দিককে লক্ষ্য করেই। আধুনিক বিশ্ব এখন আদৌ রিযা পদ্ধতির উপর নির্ভরশীল নয়। যেসব মায়েরা শিশুকে স্বাভাবিক মাতৃদুগ্ধ দিতে অপারগ, বাজারে তাদের জন্যে রয়েছে হরেক রকমের ফর্মুলা মিল্ক। তবে রিযার বিকল্প হিসেবে শিশুকে বোতলজাত দুধ পান করানোর ব্যপারে কোন শারিয়া আইন আছে কিনা, অনেক খুঁজেও আমি তা বের করতে পারিনি। ভেবে দেখুন, সপ্তম শতাব্দীতে মানুষ ফর্মুলা মিল্কের নামও জানত না, বটল-ফিডিংয়ের ধারণাও ছিল না কারও। সুতরাং মরুচারি বেদুঈনরা মায়ের দুধের বিকল্প হিসেবে রিযা পদ্ধতি অনুসরণ করতো। এভাবেই তারা দুগ্ধ সরবরাহের অপ্রতুলতার মোকাবেলা করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবার একটি প্রশ্ন। এতক্ষন আমরা ফস্টারেজ পদ্ধতিতে ধাত্রী মায়ের দুধ খাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করলাম। এখন প্রশ্ন- দুগ্ধবতী কোন মেয়ে সাবালক পুরুষকে দুধ খাওয়াতে পারে কি? তৌবা তৌবা। এ কী উদ্ভট প্রশ্ন! ইসলাম এমন জিনিস কখনও অনুমোদন করতে পারে না। ইসলামিষ্টরা নিশ্চয়ই বলবেন, শয়তানের প্ররোচনাতেই কেবল এরূপ ধারণা কারও মনে উদয় হতে পারে। বয়ঃপ্রাপ্ত পুরুষকর্তৃক নারীদুগ্ধ পানের বৈধতা সংক্রান্ত কোন উল্লেখ আমরা শারিয়া আইনে দেখতে পাই না ঠিক, তবে বেশ কিছু হাদিস রয়েছে যেগুলি পড়লে সত্যি সত্যিই হোচট খেতে হয়। আসুন, সেরকম কয়েকটি হাদিস নেড়েচেড়ে দেখে নেয়া যাক এখন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-1197344790898952135?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/1197344790898952135/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/03/blog-post_10.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1197344790898952135'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1197344790898952135'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/03/blog-post_10.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৮'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-5246845387977447286</id><published>2009-03-08T08:11:00.000+06:00</published><updated>2009-04-10T01:15:11.782+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৭</title><content type='html'>ধাতৃ-মাতৃত্বের ক্ষেত্রে পালনীয় বিধিনিষেধ সংক্রান্ত একটি হাদিসঃ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জন্মসুত্রে যে সব বিষয় হারাম, দুধ-মায়ের ক্ষেত্রে তা হারাম। ---৩০.৩.১৫&lt;br /&gt;মুয়াত্তাঃ বুক নং-৩০, হাদিস নং-৩০.৩.১৫:&lt;br /&gt;ইয়াহিয়ার কাছ থেকে আমি, মালিকের কাছ থেকে ইয়াহিয়া, আব্দুল্লাহ ইবনে দিনারের কাছ থেকে মালিক, সুলাইমান ইবনে ইয়াছারের কাছ থেকে  আব্দুল্লাহ ইবনে দিনার, উরউয়া ইবনে জুবাইরের কাছ থেকে সুলাইমান এবং উম্মুল  মোমেনীন আয়েশার কাছ থেকে উরুয়া বলেছেন যে রাসুলুল্লাহ (দঃ) বলেছেন- “জন্মসুত্রে যে সব বিষয় হারাম, দুধ-মায়ের ক্ষেত্রেও তা হারাম”।&lt;br /&gt; &lt;br /&gt;এই নিয়মানুযায়ী শিশুটি তার ধাত্রী মায়ের জন্যে হারাম। অর্থাৎ, শিশুটি বড় হলেও বিনাবাধায় তার ধাত্রীমায়ের কাছে যেতে পারবে, যেন ধাত্রী মা এবং জন্মদাত্রী মা সমতুল্য। এই নিয়ম আপাতদৃষ্টিতে মহৎ বলে মনে হচ্ছে, এর মধ্যে আবার কোন সমস্যা লুকিয়ে আছে কি? আরেকটু নিবিড়ভাবে ষ্টাডি করে দেখা যাক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসলাম ধর্মানুযায়ী একটি মেয়ের যে কোন বয়েসে বিয়ে হতে পারে, এমনকি সদ্যজাত শিশুকেও বাপমা বিয়ে দিয়ে দিতে পারে। নয় বছর বা এর চেয়ে বেশী বয়েসের যে কেউ ধাত্রী মা হতে পারে। এখন একটি কেস স্টাডি যাক। ছয় মাস বয়েসী একটি ছেলে শিশু, তার দুধ মা নয় বছর বয়েসী এক কিশোরী। মেয়েটি শিশুটিকে বুকের দুধ খাওয়াল। শিশুটি আঠারোয় পা দিল। ইসলামী আইন অনুযায়ী আঠার বছর বয়েসে একটি পুরুষ শিশু বালকত্ব অর্জন করে। তখন দুধ মা’র বয়স সাতাশ বা এর সামান্য উপরে, বলতে গেলে সে তখন যৌবনের মধ্যগগনে। প্রেম, বিয়ে, সন্তান ধারণ ইত্যাদির প্রকৃষ্টতম সময় তার। ইসলামের আইন অনুযায়ী এই দুধ মায়ের সাথে সদ্য যৌবনে পা দেয়া যুবকটির বিয়ে সম্পুর্ণরূপে হারাম, এমনকি এই মায়ের গর্ভজাত যে কোন মেয়ের সাথে (দুধ বোন) তার বিয়েও সম্পুর্ণরূপে হারাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;'রিলায়েন্স অব দ্য ট্রাভেলার' নামক প্রামাণ্য শারিয়া গ্রন্থ থেকে এসম্পর্কিত কয়েকটি আইন পেশ করা হলো (রেফারেন্স-৮, পৃ-৫৭৫-৫৭৬। এন ১২.০- দুগ্ধ পানের কারণে অবিবাহযোগ্য আত্মীয়তা প্রতিষ্ঠা (রিযা)। এন১২.১-কোন মেয়ে যদি কোন পুরুষ শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ায়, সে বাচ্চাটির মা হয়ে যায়, (তবে সব ক্ষেত্রে নয়) শুধুমাত্র বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে, যথা- স্ত্রীলোকটির সাথে তার বিবাহ-সম্পর্ক স্থাপন হারাম হয়ে যায়, সে স্ত্রীলোকটির পানে তাকাতে পারবে বা তার সাথে নিরিবিলিতে সাক্ষাত করতে পারবে, এবং তাকে স্পর্শ করলে তার অজু ভঙ্গ হবে না; যদি:-&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;(এ)&lt;/span&gt; - উক্ত দুধ নয় বছর বা তদুর্ধ বয়েসী বালিকার স্তন্য হতে নিঃসৃত হয়ে থাকে, তা সে নিঃস্বরণ যৌনক্রিয়ার ফলেই হোক কিংবা অন্যকোন কারণেই হোক;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;(বি)&lt;/span&gt; - এবং দুগ্ধপানরত শিশুটির বয়স দুই বছর বা এর চেয়ে কম হয়;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;(সি)&lt;/span&gt; - এরূপ দুধ খাওয়ানোর সংখ্যা পৃথক পৃথকভাবে কমপক্ষে পাঁচবার হয় (স্তন্যদান বা ব্রেষ্ট-ফিডিংয়ের সংখ্যা পাঁচ বারের কম হলে উক্ত বিধিনিষেধ কার্যকরী নয়, পৃথক পৃথকভাবে স্তন্যদান করার অর্থ-- সর্বসাধারণের কাছে যা পৃথক হিসেবে স্বীকৃত) এন ১২.২-এরূপ অবস্থায়:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;(১)&lt;/span&gt; - এরূপ স্তন্যদায়িনী নার্সের পক্ষে উক্ত শিশু কিংবা তার অধঃস্তন সম্পর্কযুক্ত পারিবারিক কিংবা দুগ্ধপানসঞ্জাত সম্পর্ক) কারও সাথে বিবাহ বন্ধন স্থাপন করা ‘এক্সক্লুসিভলি’ নিষিদ্ধ (এখানে এক্সক্লুসিভলি বলতে বুঝায় শুধুমাত্র শিশুটি কিংবা তার অধঃস্তন কেউ, উর্ধতন কেউ নয়, অর্থাৎ শিশুটির পিতা, ভ্রাতা ইত্যাদি কেউ নয়)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;(২)&lt;/span&gt; - সে (স্ত্রীলোকটি) শিশুটির মা হয়ে যায়, এবং শিশুটির জন্যে বিবাহ করা হারাম হয়ে যায় তাকে এবং তার সাথে সম্পর্কযুক্ত (পারিবারিক কিংবা দুগ্ধপানসঞ্জাত সম্পর্ক) উর্ধতনদেরকে, এবং তার সাথে সম্পর্কযুক্ত অধস্তনদেরকে (কারণ অধস্তনরা যেন তার নিজের ভাইবোন হয়ে গেছে)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-5246845387977447286?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/5246845387977447286/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/03/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5246845387977447286'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5246845387977447286'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/03/blog-post.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৭'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-1195355942633038137</id><published>2009-02-20T04:08:00.000+06:00</published><updated>2009-04-10T01:11:13.921+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৬</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;রিযা: পালক মা/দুধ মা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;আপনি কি কখনও এমন অবস্থার কথা চিন্তা করেছেন যে একজন বয়স্ক পুরুষ একই সাথে একজন দুগ্ধপোষ্য শিশু (২ বছর কিংবা তার চেয়েও কম) এবং একজন মহিলাকে বিয়ে করল যার বুকে দুধ আছে? এমন যদি হয় যে স্বামীর ঘরে নবপরিনীতা শিশুটিকে দুধ খাওয়ানোর মতো কেউ নেই (ধরা যাক শিশুটি এতিম)। ঘরে অবশ্য একটি দুধেল বউ আছে, কিন্তু সে কি শিশুটিকে দুধ খাওয়াতে পারবে? বর্তমান সময়ে হলে অবশ্য কোন সমস্যা ছিল না, বাজারে হরেকরকম টিনজাত দুধ পাওয়া যায়। তবে  বোতলের দুধ খাওয়ানো কোন ইসলামি সলিউশন নয়। দেখা যাক, ইসলাম সমস্যাটিকে কীভাবে হ্যান্ডল করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হেদাইয়া (রেফারেন্স-১১, পৃ-৭১):&lt;br /&gt;উদাহরণঃ একজন লোক যার দুইটি বউ আছে এবং এক বউ আরেক বউকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছে। যদি কেউ একইসাথে একজন শিশুকে এবং একজন বয়ঃপ্রাপ্তাকে বিয়ে করে এবং বয়ঃপ্রাপ্তা স্ত্রী শিশুস্ত্রীটিকে বুকের দুধ খাওয়ায়, তবে উভয় স্ত্রীই লোকটির জন্যে অবৈধ হয়ে যাবে, কারণ লোকটির সাথে যদি তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক যদি চালু থাকে, এর অর্থ হবে দুধ মা এবং দুধ-মেয়ে উভয়ের সাথে যুগপৎভাবে সহবাস করা যা অবৈধ, ঠিক সেভাবে যেভাবে একজন বায়লজিকাল মা ও তার বায়লজিকাল কন্যার সাথে যুগপৎভাবে সহবাস করা অবৈধ। এক্ষেত্রে একটি বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে; যদি লোকটি বয়ঃপ্রাপ্তা স্ত্রীর সাথে কোনপ্রকার যৌনসম্পর্ক স্থাপন না করে থাকে তবে সে (বয়ঃপ্রাপ্তা স্ত্রী) দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী হবে না, কারণ বিবাহ বিচ্ছেদের কারণটি তার কাছ থেকে উদ্ভুত হয়েছে, বিবাহ পুর্ণাঙ্গকরণের আগে:----কিন্তু শিশুটি অর্ধেক দেনমোহর পাওয়ার অধিকার রাখে, কারণ বিবাহ বিচ্ছেদের যে কারণটি উদ্ভুত হয়েছে তার জন্যে শিশুটি দায়বদ্ধ নয়। এতক্ষন পর্যন্ত আমরা যা আলোচনা করলাম- তা একজন বয়স্ক লোক কর্তৃক একজন দুগ্ধপোষ্য শিশুকে বিয়ে করা সংক্রান্ত। কিন্তু দৃশ্যপট যদি উল্টো হয়, অর্থাৎ একজন দুগ্ধপোষ্য শিশুর যদি একজন বয়ঃপ্রাপ্তা নারীর (নয় বছর বা তদুর্ধ) সাথে বিয়ে হয়? (পাঠককে এপ্রসঙ্গে আমি জনপ্রিয় লোক-কাহিনী রহিম বাদশাহ ও রূপবান কন্যার ঘটনাটি স্মরণ করতে অনুরোধ করি)। শারিয়া আইন অবশ্য এক্ষেত্রে অনেক উদার, এরূপ বিয়ের ক্ষেত্রে শারিয়া তেমন কোন বিধিনিষেধ আরোপ করেনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরূপ বিয়ের ক্ষেত্রে শারিয়া একটিমাত্র শর্তই আরোপ করেছে, এই আজব শর্তটির ইসলামিক নাম ‘রিযা’ বা ‘রিদা’।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডিকশনারি অব ইসলাম হতে রিযার সংজ্ঞা (রেফারেন্স-৬, পৃ-৫৪৬):&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিযা: একটি আইনসংক্রান্ত শব্দ। এর অর্থ- নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে কোন নারীর বুক হতে স্তন্য পান করা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিযার আইনি সংজ্ঞা:- হেদাইয়া (রেফারেন্স-১১) অনুসারে রিযার আইনি সংজ্ঞা নিম্নরূপ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিযা: ধাত্রী/দুধ মা (প্রাগুক্ত, পৃ-৬৭)----আইনের দৃষ্টিকোন থেকে রিযা বলতে বুঝায় একটি শিশু কর্তৃক নির্দিষ্ট সময় ব্যপিয়া একজন নারীর বুক হতে স্তন্যপান করা, স্তন্যপান করার মেয়াদকে ‘পিরিয়ড অব ফষ্টারেজ’ বা ধাত্রীত্বের মেয়াদ বলা হয়ে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধাত্রী-মায়ের কাছে শিশুর স্তন্যপান করানোর ইসলামী নিয়ম এই। এই নিয়মেই একটি নবজাতককে অপর কোন দুধেল নারীর কাছে প্রতিপালন করতে দেয়া হয়। সম্পন্ন আরবদের মধ্যে এই প্রথা আগে চালু ছিল এবং কোন কোন ক্ষেত্রে আজ পর্যন্ত চালু আছে। মহম্মদের (দঃ) চাচা আবু লাহাবের ক্রীতদাসী তায়েবা নাম্নী এক মহিলা খুব সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে শিশু মহম্মদকে স্তন্যপান করায়, অতঃপর দুধ মা হালিমার কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-1195355942633038137?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/1195355942633038137/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/02/blog-post_20.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1195355942633038137'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1195355942633038137'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/02/blog-post_20.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৬'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-8213635031467220096</id><published>2009-02-19T12:05:00.000+06:00</published><updated>2009-04-10T01:08:11.243+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৫</title><content type='html'>নবী তার বালিকা বধুটির সাথে কীভাবে ক্রীড়াকৌতুক এবং সেক্স করতেন, তার কয়েকটি নমুনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি বুখারিঃ ভলিউম-১, বুক নং-৬, হাদিস নং-২৯৮:&lt;br /&gt;আয়েশা হতে বর্ণিতঃ&lt;br /&gt;জুনুব অবস্থায় আমি ও নবী একই পাত্র হতে পানি নিয়ে গোসল করতাম (যৌনসঙ্গমের পরবর্তী নাপাক অবস্থার আরবী প্রতিশব্দ হচ্ছে জুনুব)। ঋতু কালে তিনি আমাকে ইজার (কোমর হতে নীচ পর্যন্ত পরিধেয় বস্ত্রের নাম ইজার) পরিধান করার জন্যে বলতেন এবং আমার সাথে রঙ্গরস করতেন। ইতিক্কাফ করার সময় তিনি তার মস্তক আমার দিকে বাড়িয়ে দিতেন এবং আমি তা ধুইয়ে দিতাম, এমনকি যখন আমার পিরিয়ড (ঋতুস্রাব) চলত তখনও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-৩, হাদিস নং-০৬২৯:&lt;br /&gt;আয়েশা হতে বর্ণিতঃ&lt;br /&gt;আমি এবং রাসুল (দঃ) একই পাত্রে গোসল করতাম এবং একজনের পর আরেকজন হাত দিয়ে পানি নিতাম, যৌনসঙ্গমের পর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পঞ্চাশোর্ধ কোন প্রৌঢ় যদি নয়-দশ বছরের বালিকাকে বিয়ে করে, তবে তার সাথে কীভাবে রতিক্রিয়া করতে হবে- তার অনুপম আদর্শ বিধৃত আছে উপরের হাদিসগুলিতে। ছয় বছরের শিশুকে বিয়ে করা এবং নয় বছর বয়সের সময় তার সাথে যৌনসঙ্গমে প্রবৃত্ত হওয়ার ঘটনা হজম করতে যদি কারও অসুবিধা হয়, তবে তার জন্যে আরও একটি চমক আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইবনে ইসহাক রচিত সিরাতে রাসুলুল্লাহ গ্রন্থটি রাসুলের জীবন চরিত হিসেবে মুসলিম জগতে বহুল পঠিত এবং অত্যন্ত প্রামান্য গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত। মুসলমান লেখকগণ প্রায়শই এই বই হতে বিভিন্ন বিষয়ে রেফারেন্স কোট করে থাকেন। এই গ্রন্থে রাসুল সম্পর্কে একটি মজাদার তথ্য আছে। ইবনে ইসহাক লিখেছেন, রাসুল নাকি সবেমাত্র হামাগুড়ি দিচ্ছে এমন এক শিশুকে বিয়ে করার ইচ্ছে পোষণ করেছিলেন। আসুন পাঠক, ইবনে ইসহাকের বর্ণনা থেকে আমরা ঘটনাটি জেনে নিই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(সুহাইলি, রর.৭৯: ইউনুছের রেওয়ায়েত ও.ও কতৃর্ক রেকর্ডকৃতঃ নবী তাকে (উম্ আল-ফজলকে) দেখেন যখন সে তার সামনে হামাগুড়ি দিচ্ছিল। তিনি বলেন- ‘যদি সে বড় হয় এবং আমি তখনও বেঁচে থাকি, আমি তাকে বিয়ে করব’। কিন্তু সে বড় হওয়ার আগেই নবী ইন্তেকাল করেন এবং সুফিয়ান বিন আল-আসওয়াদ বিন আব্দুল আসাদ আল-মাখজুমির সাথে তার বিয়ে হয় এবং সুফিয়ানের ঔরসে তার রিজক ও লুবাবা নাম্নী দু’টি সন্তান জন্মে (রেফারেন্স-১০, পৃ-৩১১)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা আরও দেখতে পাই, হযরত ওমর (রাঃ) উম্মে কুলসুম নামের চার বছরের এক শিশুকে বিয়ে করেন। এই উম্মে কুলসুম হচ্ছে আবু বকরের (রা) মেয়ে এবং আয়েশার বৈমাত্রেয় বোন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসলামের সর্বোচ্চ ব্যক্তি মহানবী এবং তার প্রিয় সাহাবিগণ পরবর্তীদের জন্যে এমন মহৎ আদর্শই রেখে গেছেন। রাসুল এবং তার সাহাবিগণ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আদর্শের ইসলামি নাম সুন্না। এই সুন্না বা আদর্শ অপরিবর্তনীয়, প্রতিটি ধর্ম প্রাণ মুসলমানকে কেয়ামত পর্যন্ত এই আদর্শ অনুসরণ করতেই হবে, একবিন্দু নড়চড় করা চলবে না। পনের শত বছর ধরে এই অপরিবর্তনীয় আদর্শ অনুসরণ করতে যেয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদেরকে এখনও পেশাবের পর লিঙ্গাগ্র ধারণ করে চল্লিশ কদম হাটতে এবং জোরে জোরে কোথ দিতে দেখা যায়, ঢিলা কুলূখের অত্যাচারে অনেক মসজিদের কমোড জাম হয়ে নারকীয় দূর্গন্ধের সৃষ্টি করেছে দেখা যায়। অনেক সম্পন্ন মুছুল্লির বাড়ীতে ডাইনিং টেবিলের পরিবর্তে মাটিতে বসে খাওয়াদাওয়া করতে দেখা যায়, কারণ নবীর সুন্নত। নবী ডাইনিং টেবিলে খেতেন না, মাটিতে বসে খেতেন। তা বেশ, একনিষ্ঠ অনুসারি হিসেবে নবীর প্রতিটি কাজের অনুসরণ তারা করতেই পারেন। কিন্তু আমার খটকা লাগে যে শিশু বিবাহের সুন্নতটি তারা এড়িয়ে যান কেন! ডাইনিং টেবিলের পরিবর্তে মাটিতে বসে খাওয়াদাওয়া করে কিংবা ঢিলা কুলুখ হাতে নৃত্য করে নবীর সুন্নত পালন করেন, কিন্তু প্রকৃতির ডাকে বাইরে না ছুটে শোভন টয়লেটের দিকে ছুটে যান! ভিলার বাইরে খোলা ড্রেনের উপর খাটা পায়খানা বানিয়ে নেন না কেন? দেড় হাজার বছর পুর্বে নবীজি (এবং তার বিবিরাও) খোলা মরুভুমিতেই প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে যেতেন। আশা করি কোন ধর্ম প্রাণ মুসলমান আমার মনের ধন্দ দুর করতে এগিয়ে আসবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-8213635031467220096?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/8213635031467220096/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/02/blog-post_19.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8213635031467220096'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8213635031467220096'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/02/blog-post_19.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৫'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-8805302668972905908</id><published>2009-02-18T12:02:00.001+06:00</published><updated>2009-04-10T01:05:48.011+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৪</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;চতু র্থ খন্ড&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;শিশু বিবাহঃ অপরিনত বয়স্কার সাথে সেক্সঃ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;বর্তমান বিশ্বে অনেক দেশেই শিশু-বিবাহ আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিশুবিবাহ আজকাল মানবতার প্রতি অভিশাপ হিসেবেই গন্য হয়ে থাকে। ভারতবর্ষে প্রাচীন হিন্দু সমাজে এ ধরণের বিয়ের বহুল প্রচলন ছিল। প্রাচীন পুঁথিপত্র পড়ে আমরা জানতে পারি, এমনকি পাঁচ ছয় বছরের মেয়েকেও পিতামাতা তখন অম্লানচিত্তে বিয়ে দিয়ে ফেলত। এই শিশুরা বড় হয়ে এমন স্বামীর ঘর করতেও বাধ্য হতো, যে ঘরসংসারকে তারা রীতিমত ঘৃণা করত। এই প্রথাকে নিকৃষ্টতম শিশু নির্যাতন ছাড়া আর কোন নামে অভিহিত করা যায়? কিছু সংখ্যক মানবতাবাদী কর্মীর দুর্বার আন্দোলনে হিন্দু ধর্মের আমুল সংস্কার সাধিত হয়, শিশুবিবাহ বর্তমানে হিন্দু সমাজে অতীত বিষয়মাত্র। কিন্তু ইসলাম ধর্মের ক্ষেত্রে অবস্থাটা কী? ইসলামপন্থীরা জোর গলায় দাবী করে থাকেন যে তাদের ধর্মটি বিশ্বের মধ্যে সর্বাধুনিক এবং সবচেয়ে প্রগতিশীল ধর্ম। সুতরাং মানুষ সঙ্গতভাবেই আশা করবে যে এমন একটি প্রগ্রতিশীল ধর্মে শিশুবিবাহের মতো নোংরা প্রথা নিশ্চয়ই আইনসিদ্ধ নয়। এই প্রত্যাশা অবশ্য প্রচন্ড এক ধাপ্পাবাজি, আসল সত্য হলো- বিয়ের ক্ষেত্রে ইসলামে কোন সর্বনিম্ন বয়স নির্ধারিত নেই। মায়ের বুকের দুগ্ধ পানরত সদ্যোজাত একটি শিশুকেও ইসলামী আইন অনুযায়ী বিয়ে দেয়া যায় এবং সে বিয়ে হান্ড্রেড পারসেন্ট ইসলামসম্মত!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসলামি শিশু-বিবাহের নিষ্ঠুরতম দিকটি  হলো--  যদি বাপমায়ের  সম্মতিক্রমে  এই বিয়ের চুক্তি হয়ে থাকে,  তবে  তা কোনভাবেই রদ করা যায় না। অর্থাৎ- বড় হওয়ার পর দম্পত্তিকে অবশ্যই বিয়েটি পুর্ণাঙ্গ করতে হবে। শিশুবিবাহ সংক্রান্ত শরিয়া আইন নিম্নরূপঃ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হেদাইয়া (রেফারেন্স-১১, পৃ-৩৬):&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;শৈশবে চুক্তিকৃত কোন প্রকারের বিবাহ বয়ঃপ্রাপ্তির পর অবশ্য প্রতিপাল্যঃ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;যদি শিশুদের পিতা কিংবা পিতামহ বিয়ের চুক্তি করে থাকেন, সেক্ষেত্রে বয়ঃপ্রাপ্ত হওয়ার পর এই চুক্তি বাতিল করার কোন অধিকার তাদের (দম্পত্তির) নেই; যেহেতু এই বিষয়ে পিতৃ পিতামহদের সিদ্ধান্ত কোন অসদুদ্দেশ্য হতে উদ্ভুত হতে পারে না কারণ সন্তানসন্ততিদের প্রতি তাদের স্নেহ সংশয়াতীত; ফলতঃ এই  বিবাহ উভয় পক্ষের জন্যে অবশ্য প্রতিপাল্য, ঠিক সেইভাবে যেন তারা বয়ঃপ্রাপ্তির পর নিজেরা স্বেচ্ছায় এই সম্পর্কে প্রবেশ করেছে। শৈশবে চুক্তিকৃত কোন প্রকারের বিবাহ বয়ঃপ্রাপ্তির পর বাতিল করা/বহাল রাখার স্বাধীনতা দম্পত্তির ইচ্ছাধীনঃ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যদি পিতৃপিতামহ ব্যতিরেকে অন্য কোন অভিভাবক চুক্তি করে থাকে, সেক্ষেত্রে বয়ঃপ্রাপ্তির পর উভয়ের অধিকার রয়েছে চুক্তি বহাল রাখার অথবা বাতিল করার।&lt;br /&gt;ইসলামের নবী মহম্মদ (দঃ) নিজেই ছয় (অথবা সাত) বছরের একটি শিশুকে বিয়ে করেছিলেন। মহম্মদের (দঃ) এই শিশু কনেটিকে নিয়ে ইদানীং বিস্তর লেখালেখি হচ্ছে, এসম্পর্কে বিশদ আলোচনা করা এই প্রবন্ধের উপজীব্য নয়। পাঠক-পাঠিকাগণকে আমি অন্য কোথাও হতে সেসব লেখা পড়ে দেখতে অনুরোধ করছি। আমি এখানে দু’একটি হাদিস উদ্ধৃত করব, যেখান থেকে দেখা যাবে যে মহম্মদ (দঃ) যখন তার বালিকা বধুটিকে ঘরে তুলে নেন এবং বিয়ে কনজুমেট করেন, বধুটি তখনও পুতুলখেলা ছাড়েনি (কনজুমেট শব্দের অর্থ যৌনমিলনের মাধ্যমে বিয়েকে পুর্ণাঙ্গ করণ বা আইনসিদ্ধ করণ)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-০০৮, হাদিস নং-৩৩১১:&lt;br /&gt;আয়েশা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে রাসুলুল্লাহ (দঃ) যখন তাকে বিয়ে করেন, তখন তার বয়স ছিল সাত বছর, এবং বউ হয়ে তিনি যখন তার (রাসুলের) ঘরে যান তখন তার বয়স ছিল নয় বছর, এবং তার পুতুলগুলি তার সাথে ছিল; এবং যখন তিনি (রাসুল) ইন্তেকাল করেন তখন তার বয়স ছিল আঠার বছর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি বুখারিঃ ভলিউম-৫, বুক নং-৫৮, হাদিস নং-২৩৬:&lt;br /&gt;হিশামের পিতা হতে বর্ণিতঃ&lt;br /&gt;নবী মদীনা চলে যাওয়ার তিন বছর পুর্বে খাদিজা ইন্তেকাল করেন। সেখানে বছর দুই কাটানোর পর তিনি আয়েশাকে বিয়ে করেন, আয়েশা তখন ছয় বছরের বালিকা মাত্র, এবং আয়েশার বয়স যখন নয় বছর তখন তিনি বিয়েকে পুর্ণাঙ্গ করেন।&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-8805302668972905908?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/8805302668972905908/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/02/blog-post_18.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8805302668972905908'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8805302668972905908'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/02/blog-post_18.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৪'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-8335121155117559177</id><published>2009-02-16T13:00:00.000+06:00</published><updated>2009-04-10T01:02:30.364+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৩</title><content type='html'>অবিলম্বে আল্লাহর তরফ থেকে অহি নেমে আসল এবং পায়ুপথে সঙ্গম নিষিদ্ধ বলে ঘোষিত হলো। কুকুরের ষ্টাইলটি (পেছনের দিক হতে সঙ্গম) অবশ্য বহাল রইল, যদিও আনসারি মেয়েরা এই পদ্ধতিটির উপর খুব একটা সন্তুষ্ট ছিল না।&lt;br /&gt;এপ্রসঙ্গে  গোটাকয়েক  হাদিস  বর্ণনা  করা  হলো  নীচে।  নিশ্চয়তা  দিচ্ছি,  হাদিসগুলি আপনাদের বিস্তর  মজার  খোরাক জোগাবে।&lt;br /&gt;সুনান আবু দাউদঃ বুক নং-১১, হাদিস নং-২১৫৯:&lt;br /&gt;আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস হতে বর্ণিতঃ&lt;br /&gt;ইবনে উমর ভুল বুঝেছিল (“তোমাদের স্ত্রীরা হচ্ছে তোমাদের শস্যক্ষেত্র, সুতরাং যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে তা চাষ কর”- কোরাণের এই আয়াতটির ভুল অর্থ বুঝেছিলেন ইবনে উমর), আল্লাহ তাকে ক্ষমা করুন। আসল ঘটনা এই যে আনসারদের এই গোত্রটি ছিল পৌত্তলিক। তারা ইহুদিদের পাশে বসবাস করত যারা ছিল কেতাবধারী সম্প্রদায়। জ্ঞানের ক্ষেত্রে তারা (আনসাররা) ইহুদিদেরকে শ্রেষ্ঠতর বলে গন্য করতো এবং তাদের রীতিনীতি অনুসরণ করত। কেতাবধারী সম্প্রদায়রা (অর্থাৎ ইহুদীরা) স্ত্রী-সঙ্গমকালে শুধুমাত্র একটি আসন ব্যবহার করত (চিৎ করে শায়িত অবস্থায়)। এই আসনটিতে মেয়েরা (অর্থাৎ তাদের যোনি) সবচেয়ে লুক্কায়িত অবস্থায় থাকে। আনসারদের এই গোত্রটি ইহুদিদের কাছ থেকে এই আসন শিখে নেয়। কিন্তু কোরেশরা মেয়েদেরকে সম্পুর্ণ ভাবে উলংগ করে নিত, এবং পেছন থেকে ও সামনে থেকে = উভয় দিক থেকেই আনন্দ পেতে চেষ্টা করত। মোহজেরগণ যখন মদীনায় এলো, তাদের মধ্যে জনৈক ব্যক্তি একজন আনসার রমনীকে বিয়ে করে। সে যখন তার সাথে এই ভাবে সঙ্গম করতে শুরু করল (অর্থাৎ মক্কা ষ্টাইলে), মেয়েটি তা পছন্দ করল না এবং তাকে বলল- একটিমাত্র আসনেই আমরা অভ্যস্ত। সেইভাবে কর, নচেৎ আমার কাছ থেকে দূর হয়ে যাও। ঘটনাটি ব্যাপকভাবে প্রকাশ হয়ে পড়ল এবং  রাসুলের (দঃ) কানে পৌছল। সুতরাং মহান  আল্লাহ কোরাণের আয়াতটি  অবতীর্ণ করলেন-“তোমাদের স্ত্রীরা হচ্ছে তোমাদের শস্যক্ষেত্র, সুতরাং যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে তা চাষ কর”। অর্থাৎ- সামনের দিক হতে, পেছনের দিক হতে কিংবা চিৎ করে শায়িত অবস্থায়। তবে এই আয়াত (শুধু&lt;br /&gt;মাত্র) সন্তান প্রসবের ছিদ্রকে অর্থাৎ স্ত্রীযোনিকে নির্দিষ্ট করে দিয়েছে।&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-০০৮, হাদিস নং-৩৩৬৪:&lt;br /&gt;জাবির (বিন আব্দুল্লাহ) (রাঃ) বর্ণনা করেন যে ইহুদিরা বলত যে যদি কেউ পেছনের দিক হতে স্ত্রীযোনিতে যায় এবং স্ত্রী গর্ভবতী হয়, তবে সন্তান হবে টেরা চোখবিশিষ্ট। সুতরাং এই আয়াত নাজেল হলো- “তোমাদের স্ত্রীরা হচ্ছে তোমাদের শস্যক্ষেত্র, সুতরাং যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে তা চাষ কর”।&lt;br /&gt;সহি বুখারিঃ ভলিউম-৬, বুক নং-৬০, হাদিস নং-৫১:&lt;br /&gt;জাবির হতে বর্ণিতঃ&lt;br /&gt;ইহুদিরা বলত: “যদি কেউ পেছনের দিক হতে স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করে, তবে সে টেরা চোখবিশিষ্ট সন্তানের জন্ম দেবে”।&lt;br /&gt;সুতরাং এই আয়াতটি নাজেল হলো- “তোমাদের স্ত্রীরা হচ্ছে তোমাদের শস্যক্ষেত্র, সুতরাং যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে তা চাষকর”।&lt;br /&gt;সুনান আবু দাউদঃ বুক নং-১২, হাদিস নং-২২১২:&lt;br /&gt;উরুয়া হতে বর্ণিতঃ&lt;br /&gt;খাওলা ছিল আউস ইবনে আস-সামিতের স্ত্রী; সে এমন একজন পুরুষ যার যৌনক্ষমতা ছিল অসাধারণ। যখন তার সঙ্গম-বাসনা খুব প্রবল হলো, সে স্ত্রীকে তার মায়ের পাছা বলে কল্পনা করে নিলো। সুতরাং জিহারের প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ মহান আল্লাহ কোরানের আয়াত নাজেল করলেন (জিহার শব্দের অর্থ হচ্ছে স্ত্রীর কোন অঙ্গকে মা, খালা ইত্যাদি মাহরিম মেয়েলোকের অঙ্গের সাথে তুলনা করা বা কল্পনা করা)।&lt;br /&gt;সুনান আবু দাউদঃ বুক নং-১২, নাম্বার-২২১৪:&lt;br /&gt;ইকরিমা হতে বর্ণিতঃ &lt;br /&gt;জনৈক লোক তার স্ত্রীর পাছাকে তার মায়ের পাছা হিসেবে তুলনা করেছিল। অতঃপর কোনরূপ প্রায়শ্চিত্ত করার পুর্বেই সে তার সাথে সঙ্গম করল। সে রাসুলের (দঃ) নিকট গেল এবং তাকে বিষয়টি জানাল। তিনি (তাকে) জিজ্ঞেস করলেন- এ কাজ করতে তোমাকে প্রেরণা জোগাল কে? সে বলল- আমি চাঁদের আলোতে তার শুভ্র জঙ্ঘা দেখতে পাই। তিনি বললেন-যে পর্যন্ত তুমি তোমার কাজের প্রায়শ্চিত্ত না করেছ, সে পর্যন্ত তার (স্ত্রীর) কাছ থেকে দুরে থাক।&lt;br /&gt;সুনান আবু দাউদঃ বুক নং-১১, নাম্বার-২১৫৭:&lt;br /&gt;আবু হুরাইরা হতে বর্ণিতঃ&lt;br /&gt;রাসুলুল্লাহ (দঃ) বলেছেন: যে স্ত্রীর সাথে পায়ুপথে সঙ্গম করে, সে অভিশপ্ত।&lt;br /&gt;সুনান আবু দাউদঃ বুক নং-২৯, নাম্বার-৩৮৯৫:&lt;br /&gt;আবু হুরাইরা হতে বর্ণিতঃ&lt;br /&gt;যদি কেউ ঐশী কেতাবধারীকে অবলম্বন করে এবং সে যা বলে তাই বিশ্বাস করে (অর্থাৎ ইহুদি), অথবা ঋতুকালে স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করে, অথবা স্ত্রীর পায়ুপথে সঙ্গম করে, -তবে মহম্মদের (দঃ) নিকট যা অবতীর্ণ হয়েছে সেগুলির সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-8335121155117559177?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/8335121155117559177/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/02/blog-post_16.html#comment-form' title='10 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8335121155117559177'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8335121155117559177'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/02/blog-post_16.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা- ২৩'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>10</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-2156119780981404249</id><published>2009-02-15T12:55:00.000+06:00</published><updated>2009-04-10T00:59:54.197+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা- ২২</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;পেছন হতে/ পায়ুপথে সেক্স&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;আমি একথা গোপন করব না যে হাদিস পাঠ করা ছিল আমার সময় কাটানোর সবচেয়ে প্রিয় উপায়। হাদিস পড়তে আমি ভালবাসতাম, যেখানে যত হাদিস আছে। আমি যত বেশী হাদিস পড়তে থাকলাম, তত বেশী করে ইসলাম ও তার নবী মহম্মদকে (দঃ) বুঝতে পারলাম। আমি মনে করি হাদিসগুলিতে একজন ভাল ও খাটি মুসলমানের চিত্র সংরক্ষিত আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শুরুতে ভেবেছিলাম- হাদিসে বোধ হয় শুধুমাত্র ধর্মীয় নিয়মকানুন, আধ্যাত্মিক নিয়মকানুন কিংবা ধর্মযুদ্ধ (জিহাদ) সংক্রান্ত বিষয়াদিই আছে। কিন্তু ইসলামের মূল লিপিগুলিতে যৌনকামনা উদ্রেককারী এতসব বর্ণনা পেয়ে আমি যেন বোবা হয়ে গেলাম। এরূপ মন্তব্য করা বোধ হয় অসমীচিন হবে না যে কোন কোন হাদিসকে যৌনাচারের সারগ্রন্থ (ম্যানুয়াল অব সেক্স) বলে অভিহিত করা যায়। সেক্স করতে গেলে কী কী করতে হবে এবং কী কী করা যাবে না- তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ রয়েছে সেখানে। কোন  কোন হাদিস  এমনকি  বিশ্বের  প্রাচীনতম  পর্ণোগ্রন্থ কামসুত্রকেও  লজ্জা দিতে  পারে। এগুলিকে  “সহি পর্ণোগ্রাফি- লা বেদুঈন ষ্টাইল” কিংবা লা ইসলামিক  ষ্টাইল বলে অভিহিত করলে অন্যায় হবে না। এখানে আমি মাত্র গোটাকয়েক নমুনা পেশ করছি। পাঠক পাঠিকাদেরকে অনুরোধ করব- দয়া করে সিহা সিত্তা গ্রন্থ ছয়টি ভালভাবে পাঠ করুন। আমি আপনাদের নিশ্চয়তা দিচ্ছি, ঠকবেন না। এত নুতন নুতন জিনিস আবিস্কার করতে পারবেন যে আপনাদেরকে মোটেই আফশোস করতে হবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সে যুগের আরব বেদুঈনরা কী ধরণের সেক্সুয়াল প্র্যাক্টিস অনুসরণ করতো, হাদিসগুলিতে তার বিশ্বস্ত বর্ণনা রয়েছে। আমরা দেখতে পাই যে বিভিন্ন গোত্রগুলি সহবাসের সময় যে পদ্ধতি বা ষ্টাইল অনুসরণ করতো, তার মধ্যে বিস্তর ফারাক ছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একজন ইহুদি তার স্ত্রীর সাথে যে ষ্টাইলে সেক্স করতো, তা তার বেদুঈন প্রতিবেশীর চেয়ে ভিন্নতর ছিল। শহরে এবং মরুভুমিতে প্রচলিত পদ্ধতিগুলিও ছিল ভিন্ন ভিন্ন। আমরা আরও দেখতে পাই যে সেক্সের ব্যপারে মরুচারি বেদুঈনরা বেশ এগিয়ে ছিল।  সেক্সের আসন,  সেক্সের  ষ্টাইল ইত্যাদি কেলিগুলিতে নতুন  মাত্রা  যোগ  করেছিল  তারা।  আনসার এবং মোহাজেরদের মধ্যেও এই ষ্টাইলের বিস্তর পার্থক্য ছিল। ইহুদিরা সাধারণত শাস্ত্রীয় আসন অনুসরণ করতো। পক্ষান্তরে মক্কা হতে আগত মোহাজেররা স্ত্রীদের সাথে বিভিন্ন আসনে সেক্স করতে অভ্যস্ত ছিল। এইসব আসনের মধ্যে তাদের সবচেয়ে প্রিয় ছিল পেছন দিক হতে সঙ্গম করা।&lt;br /&gt;আনসার কিংবা ইহুদি রমনীরা এই ষ্টাইলে অভ্যস্ত ছিল না। মোহাজেরগণ এই ষ্টাইল আনসার রমনীদের উপর প্রয়োগ করতে শুরু করলে রমনীরা অসন্তুষ্টি ও বিরক্তি প্রকাশ করে। কারণ কোন কোন মোহাজের ষন্ড এই সুযোগে মেয়েদের পায়ুপথে লিঙ্গ প্রবিষ্ট করাতেও দ্বিধাবোধ করত না। এইসব মোহজেররা ছিল যৌন দুর্ভিক্ষের শিকার, নবীর সাথে মদীনায় হিজরতের কারণে অধিকাংশ মোহাজেরই তাদের বউ মক্কায় ফেলে এসেছিল। সুতরাং মেয়ে দেখলেই ক্ষুধার্ত নেকড়ের মতো হয়ে যেতো তারা। কোন মেয়ের সাথে ঘুমানোর সুযোগ পেলে এমন আচরণ করতো যে অনেক ক্ষেত্রেই মেয়েটির কাছে তা বলাৎকার এবং গর্হিত বলে মনে হতো। মোহজেরদের এই অনাকাঙ্খিত আচরণের কথা আনসারি মেয়েরা রাসুলের কানে তুলে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-2156119780981404249?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/2156119780981404249/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/02/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/2156119780981404249'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/2156119780981404249'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/02/blog-post.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা- ২২'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-1514485915878784434</id><published>2009-01-14T10:25:00.003+06:00</published><updated>2009-01-14T10:59:30.116+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অগ্নি বই'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইবনে ওয়ারাক'/><title type='text'>আমি কেন মুসলমান নই - ০২</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;মূল লেখক&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ইবনে ওয়ারাক&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;গ্রন্থ সমালোচনা করেছেন&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;তসলিমা নাসরিন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://agnisetu.blogspot.com/2009/01/blog-post.html"&gt;পূর্ব প্রকাশের পর&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ওয়ারাক দেখিয়েছেন যে ইসলামী আইন জিহাদকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করে। কোরানে এমন অসংখ্য পথ রয়েছে, যেদিক দিয়ে একজন বিশ্বাসীকে অবিশ্বাসী বা নামুসলিমদেরকে হত্যা করতে উৎসাহিত করা হয়। ওয়ারাক ইসলামের তথাকথিত সহনশীলতার গালগল্পকে মিথ্যা প্রমাণ করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন যে ইসলাম তরবারির জোরেই বিজয়ী হয়েছে। এই পদ্ধতিতেই প্রাচ্যের খ্রিস্টবাদ এবং প্রাচীন পারসীয় সভ্যতাকে ধ্বংস করা হয়েছে। একই পদ্ধতিতে ভারতে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। আক্ষরিক অর্থে হাজার হাজার হিন্দু মন্দিরের সম্পদকে লুট করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসলামী দেশগুলোতে মেয়েদের মর্যাদার করুণ অবস্থা নিয়েও ইবনে ওয়ারাক আলোচনা করেছেন। কোরান, হাদীস ও শরীয়ার স্তরে স্তরে যে নারীবিদ্বেষী নীতিগুলি ছড়িয়ে আছে ওয়ারাক তা যুক্তি ও উদাহরণসহ উপস্থাপন করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন, কিভাবে ইসলামী আইনে নারীকে প্রত্যেক ক্ষেত্রে নৈতিক ও বৌদ্ধিক দিক দিয়ে নিকৃষ্ট ও অধস্তন বলে বিবেচনা করা হয়। উত্তরাধিকারসূত্রে নারী একজন পুরুষের অর্ধেক ভাগ পাবে, আদালতে একজন পুরুষের বিপরীতে দুইজন নারীর স্বাক্ষী গৃহিত হবে, সে কোন নামুসলিমকে বিয়ে করতে পারবে না, সে তার স্বামীকে তালাক দিতে পারবে না, কিছু কিছু পেশা আছে যা নারীর জন্য নিষিদ্ধ ইত্যাদি ইত্যাদি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ওয়ারাক ইসলামের সামগ্রিক বৈশিষ্ট্যকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করেছেন। মানবাধিকারের যে সর্বজনীন ধারণা তার সাথে ইসলাম কেন খাপ খায় না, তা তিনি স্পষ্টভাবে দেখিয়েছেন। ইসলামী আইন অনুযায়ী শুধু নারীরা নয়, মুসলিম দেশে বসবাস করা নামুসলিমদেরকেও নিকৃষ্ট জাতি বলে পরিগণিত। এইসব দেশে কেউ তার ইসলামী ধর্মবিশ্বাস পরিত্যাগ করলে তাকে খুন করতে হবে বলে মনে করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসলামের উদ্ভব ও বিকাশ নিয়ে সাম্প্রতিক গবেষণার বিষয়েও ওয়ারাক কিছু আলোকপাত করেছেন। এই নতুন গবেষণাতে ইসলামের মৌলিকতাকে গভীরভাবে সন্দেহ করা হয়। ওয়ারাক আমাদেরকে দেখিয়েছেন যে, মোহাম্মদ আসলে বিভিন্ন প্রাচীন পাগান (দেব-দেবীতে বিশ্বাস), জরথুস্ত্রবাদ, ইহুদীয় এবং খ্রিস্টিয় মতবাদ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ইসলাম ধর্মকে তৈরি করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মোহাম্মদ কিভাবে ওইসব উৎস থেকে বিভিন্ন উপাদান নিয়ে ইসলাম ধর্মকে তৈরি করেছেন তা বিভিন্ন উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি প্রমান করতে পেরেছেন যে কোরান আসলে মানুষের রচনা আর এতে অসংখ্য ব্যাকরণগত ও ঐতিহাসিক ভুল রয়েছে। রয়েছে অসংখ্য পরস্পরবিরোধীতা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি বিশ্বাস করি ইবনে ওয়ারাক তার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও (তিনি পুনরাবৃত্তিপ্রবণ, অসংঘবদ্ধ এবং কিছুটা রাগী) বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন। একদিন তার কাজ নৈতিক ও বৌদ্ধিক দিক দিয়ে এমন সাফল্য লাভ করবে যা ইসলামী জগতকে আলোকিত করে তুলবে।&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;সমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-1514485915878784434?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/1514485915878784434/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/01/blog-post_14.html#comment-form' title='6 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1514485915878784434'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/1514485915878784434'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/01/blog-post_14.html' title='আমি কেন মুসলমান নই - ০২'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>6</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-451868525489617303</id><published>2009-01-12T10:22:00.002+06:00</published><updated>2009-01-14T10:25:20.601+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অগ্নি বই'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইবনে ওয়ারাক'/><title type='text'>আমি কেন মুসলমান নই - ০১</title><content type='html'>মূল লেখক: ইবনে ওয়ারাক&lt;br /&gt;গ্রন্থ সমালোচনা করেছেন: তসলিমা নাসরিন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 153);"&gt;[সালমান রুশদী বিষয়ক জটিলতার কারণে নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা মত প্রকাশের নিষেধাজ্ঞার উপর একটা রিপোর্ট ছেপেছিল (২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৯)। রিপোর্টে বলা হয়েছিল -"আয়াতুল্লাহ খোমেনি হয়তো এ দেশে (যুক্তরাষ্ট্রে) ইসলাম ও মুসলমানত্বকে সমালোচনা করে লেখালেখির প্রকাশ হওয়াকে বন্ধ করতে পারবেন।" নিউইয়র্ক টাইমসের এই ভবিষ্যতবাণী ভুল প্রমাণিত হয়েছে। দেখা গেছে ইসলাম ও মুসলমানের ভণ্ডামী নিয়ে লেখালেখি থেমে নেই। ড. মোরে (Dr. Morey) তার 'ইসলামী উপদ্রব' (The Islamic Invasion) (১৯৯২) লেখার জন্য এবং আনোয়ার শেখ তার বক্তব্যের জন্য পাকিস্তানের মোল্লাদের কাছ থেকে ইতিমধ্যে ফতোয়া লাভ করেছেন। এখন আমরা আর একটি সাহসী লেখা ইবনে ওয়ারেকের কাছ থেকে পেয়েছি। তার এই "আমি কেন মুসলমান নই" শীর্ষক বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে, ১৯৯৫ সালে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="color: rgb(0, 0, 153);"&gt;ওয়ারেকের এই বইটি এ ধরণের বিষয়ে ইংরেজি ভাষার প্রথম বই। এটাই প্রথম ইংরেজি বই যেখানে ইসলামের প্রধান নীতিগুলোকে সন্দেহ ও সমালোচনার দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আর যথারীতি এই বইটি মুসলমান, খ্রিস্টান এমনকি ইহুদীদের নিকট থেকে ব্লাসফেমির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে যেতে পারে।]&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবং এখনও আমি প্রত্যাশা করি- এই বইটি তার লেখককে কোন ফতোয়া এনে দেবে না। সাধারণভাবে এর কারণ হল, তিনি এই বইতে কোন অকারণ ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ বা নিন্দাবাক্য প্রকাশ করেননি। বরং তিনি সম্পূর্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক ও যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করেছেন। কোরান, হাদিস, মুসলিম ঐতিহাসিক, পশ্চিমা পণ্ডিত প্রমুখের লেখা থেকে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন। ইবনে ওয়ারাক যে সব ধ্বংসাত্মক সন্দেহর উপর ভিত্তি করে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছে, আশা করা যায় চিন্তাশীল মুসলমানেরা তার উত্তর দেবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইবনে ওয়ারাক প্রধান যে বক্তব্যের উপর জোর দিয়েছেন, তা হল- সমস্যাটি আসলে ইসলামী মৌলবাদের মধ্যে নয়, এর ভিত্তি রয়েছে খোদ ইসলামে। পশ্চিমা মিডিয়ার কাছে আমরা কোন উচ্চ নীতিবাদিতা বা নৈতিক সাহস প্রত্যাশা করি না। কিন্তু যখন ইসলামের বিশ্বাস নিয়ে সৎ সমালোচনা করা হয় তখন পশ্চিমা বুদ্ধিজীবীরা যেন মুখে তালা লাগিয়ে ফেলেন। রুশদী বিষয়ক ঘটনা নৈতিক দিক দিয়ে সাহসী ও নৈতিক দিক দিয়ে কাপুরুষদের মধ্যে একটি স্পষ্ট ভেদরেখা টেনে দেয়। আমরা জেনে যাই যে, নীতিবোধের দিক দিয়ে সাহসী ব্যক্তিরা আসলে সমাজের একটা সংখ্যালঘু অংশমাত্র। ইসলামী আত্মপক্ষ সমর্থনকারীরা অসৎভাবে সন্ত্রাসী ও বর্বর কার্যক্রমকে গুরুত্বহীন করে তুলতে চায়। তারা বলে যে এসব আসলে "ইসলামী মৌলবাদ"। আর এর সাথে প্রকৃত ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারা দাবী করে যে 'আসল ইসলাম হল শান্তিময়, আসল ইসলাম মানবাধিকারকে সম্মান করে, আসল ইসলাম নারীর অধিকারকে সমান চোখে দেখে ইত্যাদি'। ইবনে ওয়ারাক এইসব বোগাস দাবীকে বৌদ্ধিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি যথেষ্ঠ প্রমাণ দেখিয়ে বলেছেন, আলজেরিয়া, আফগানিস্তান বা সুদানের যেসব ঘটনাকে নৃশংসতা বলে মনে করা হয়, তা কোরান, হাদিস, সুন্নাহ ও শরীয়ার মূল নির্যাস থেকেই উৎসারিত হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভিন্নভাবে বললে বলা যায়, আয়াতুল্লাহ খোমেনী ইরানে যা প্রয়োগ করে চলেছেন, তা কোন বিচ্যুতি নয়, এটাই ইসলাম, সত্যিকারের ইসলাম। কারণ একথা ভুললে চলবে না যে, খোমেনী তার জীবনের বেশিরভাগ সময় ইসলাম নিয়েই পড়শোনা করেছেন। যখন তিনি রুশদীর মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণা দেন তখন আসলে তিনি মুহম্মদের তৈরি পূর্বদৃষ্টান্তকেই অনুসরণ করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-451868525489617303?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/451868525489617303/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/01/blog-post.html#comment-form' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/451868525489617303'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/451868525489617303'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2009/01/blog-post.html' title='আমি কেন মুসলমান নই - ০১'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-5486378300642987601</id><published>2008-12-22T13:05:00.002+06:00</published><updated>2009-01-12T21:22:21.207+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা- ২১</title><content type='html'>এই উন্মাতাল সেক্সের পক্ষে স্বর্গীয় অনুমতি ছিল; ইমাম গাজ্জালির লেখা হতে তার প্রমাণ মেলে। একাধিক পার্টনারের সাথে সেক্সের নিয়মকানুন সম্পর্কে তিনি লিখেছেন (রেফারেন্স-৭, পৃ-৩৬৮):-গারিব হাদিসে বর্ণিত আছে যে আল্লাহর রাসুল বলেছেন- “আমি জিব্রাইলের কাছে অভিযোগ করেছিলাম যে স্ত্রীদের সাথে সঙ্গমের জন্যে আমি আরও অধিক পরিমান (যৌন) শক্তি লাভ করার ইচ্ছে করি, এবং তিনি (জিবরাইল) আমাকে হারিসা খাওয়ার জন্যে উপদেশ দেন”।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটি অসাধারণ হাদিস কোট করে বর্তমান প্রসঙ্গের ইতি টানব আমি। অনুমান করুন, একটিমাত্র রাত্রিতে কী পরিমান বীজ প্রবাহিত হওয়ার প্রয়োজন হতো !&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি বুখারিঃ ভলিউম-৭, বুক নং-৬২, হাদিস নং-৬: আনাছ হতে বর্ণিতঃ&lt;br /&gt;নবী পর্যায়ক্রমে সকল স্ত্রীর ঘরে যেতেন এবং একই রাত্রিতে তাদের সকলের সাথে (সহবাস) করতেন। এবং তার স্ত্রীর সংখ্যা ছিল নয় জন। স্ত্রীলোকের বীর্যের  রং হলুদ ! যৌবনকালে অধিকাংশ মেয়েপুরুষই যৌনসম্পর্কিত স্বপ্ন দেখে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছেলেদের  বীর্যপাত   হয়  (স্বাভাবিক   সঙ্গমকালে  যেরূপ  বীর্যপাত  হয় ঠিক  তদ্রুপ),  বাংলা  ভাষায়  এর  নাম  স্বপ্নদোষ (Nocturnal emission)। মেয়েরাও যৌন বিষয়ক স্বপ্ন দেখতে পারে এবং চরম পুলক (অর্গাজম) হতে পারে, তবে পুরুষের মতো তাদের কোন স্খলন হয় না, কারণ যোনিদেশে সিমেন বা বীর্য উৎপন্ন হয় না। নবীর প্রিয় স্ত্রী আয়েশাও বিষয়টি জানতেন, কারণ তিনি ছিলেন একজন নারী। তবে মহম্মদ (দঃ) এই বৈজ্ঞানিক সত্য সম্পর্কে সম্পুর্ণ অজ্ঞ ছিলেন এবং মনে করেছিলেন যে পুরুষদের মতো মেয়েদেরও বোধ হয় বীর্যপাত ঘটে। তিনি সম্ভবত কোন স্ত্রীলোকের কাপড়ে হলুদ দাগ দেখে থাকবেন যা সাধারনত ঋতুস্রাবের পরে ঘটে। তা দেখেই তিনি মনে করেছিলেন যে এটিই স্ত্রীলোকের স্পার্ম বা বীর্যের দাগ। যখন আয়েশা তার ভুল শুধরে দিতে চাইলেন, তিনি তাকে ধমক মেরে চুপ করিয়ে দিয়ে নিজের ভ্রান্ত ধারণা তার উপর চাপিয়ে দিলেন। যদি কোন স্ত্রীলোক নীচের হাদিসগুলি পড়েন, তিনি যেন আবার যেন ভেবে না বসেন যে তার স্ত্রী অঙ্গটিতে কোন রোগ বাসা বেধেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-৩, হাদিস নং-০৬০৮:&lt;br /&gt;আনাছ বিন মালিক বর্ণনা করেছেন যে - উম সুলাইম (সুলাইমের মা) বলেছিলেন যে তিনি একবার রাসুলুল্লাহর (দঃ) কাছে একজন মেয়ে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে পুরুষদের মতোই স্বপ্ন দেখত (যৌনস্বপ্ন)। আল্লাহর রাসুল (দঃ) বললেন-যদি কোন মেয়ে এরূপ দেখে, তাকে অবশ্যই গোসল করতে হবে। উম সালমা বলেন- আমি এ বিষয়ে (কথা বলতে) খুবই লজ্জা পাচ্ছিলাম এবং বললাম- ইহা কি ঘটে? তখন রাসুলুল্লাহ (দঃ) বললেন- হ্যা (ইহা ঘটে)। নইলে একটি শিশু কীভাবে তার মা’র মতো হয়? পুরুষের স্খলন (বীর্য) ঘন ও শাদা, স্ত্রীলোকের স্খলন পাতলা এবং হলুদ। সুতরাং দু’জনের মধ্যে যার জিন বেশী প্রবল হবে, বাচ্চা তার মতো হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-৩, হাদিস নং-০৬১০:&lt;br /&gt;উম্মে ছালামা বর্ণনা করেছেনঃ&lt;br /&gt;উম্ সুলাইম রাসুলুল্লাহর (দঃ) কাছে গেলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন- হে রাসুলুল্লাহ (দঃ)। আল্লাহ সত্য হতে লজ্জিত নন। একজন মেয়ে যদি যৌনবিষয়ক স্বপ্ন দেখে, তার কি গোসল করার প্রয়োজন আছে? এ কথা শুনে রাসুলুল্লাহ (দঃ) বললেন-হা, যদি তার পানি বের হয়। উম্মে ছালামা বললেন- রাসুলুল্লাহ, মেয়েরা কি যৌনবিষয়ক স্বপ্ন দেখে? তিনি বললেন-তোমার হাত ধূলিধুসরিত হোক। তার শিশু তবে কীভাবে তার মতো হয়?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-5486378300642987601?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/5486378300642987601/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2008/12/blog-post_22.html#comment-form' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5486378300642987601'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/5486378300642987601'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2008/12/blog-post_22.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা- ২১'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-8701064702722878599</id><published>2008-12-17T11:15:00.001+06:00</published><updated>2009-01-12T21:18:54.735+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা- ২০</title><content type='html'>&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;গ্রুপ সেক্স/ উন্মাতাল সেক্স&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ব্লু ফিল্মে আমরা দেখতে পাই, একদঙ্গল নারী পুরুষ বিভিন্ন ভঙ্গিমায় সেক্স করছে । একই সময়ে কিংবা সামান্য সময়ের ব্যবধানে একজন পুরুষ একাধিক নারীর সাথে সেক্স করছে কিংবা একজন নারী একাধিক পুরুষের সাথে সেক্স করছে। এইসব অশ্লীল ছবির অন্যতম প্রধান আকর্ষণই হচ্ছে এই গ্রুপ সেক্স. কিংবা দু’জনেরই সেক্স - তবে একটু পর পর সেক্স পার্টনারটি বদলিয়ে নেয়া। পর্ণো ছবির এ এক সাধারণ বৈশিষ্ট্য, এভাবেই ছবিগুলি দর্শক টানে কারণ অধিকাংশ দর্শকের মনের গোপনে এ ধরণের উন্মাতাল সেক্সের জোয়ারে গা ভাসানোর ইচ্ছা সুপ্ত থাকে, কিন্তু বাস্তবে কখনও তা হয়ে উঠে না।&lt;br /&gt; &lt;br /&gt;সুতরাং এইসব ছবির মাধ্যমে দর্শকরা মনের অতৃপ্ত কামনার কিছুটা হলেও প্রশমন ঘটায়। ছবি দেখতে দেখতে তাদের হয়তো মনে হয়- আহ্, আমিও যদি এরূপ একটি দৃশ্যে অভিনয় করার সুযোগ পেতাম। আচ্ছা- এই ধরণের ইচ্ছা কি আমাদের নবীর  (দঃ)  মনেও জেগেছিল  কোনদিন?  তৌবা,  নাউজুবিল্লাহ। এধরণের চিন্তাও  পাপ, গার্ডেন  ভ্যারাইটির জিহাদিরা শুনেলে নির্ঘাৎ কিরিচ হাতে কল্লা কাটতে বেরুবে। এখন নীচের হাদিসটি পড়ুন এবং হলি ষ্টাইলের উন্মাতাল সেক্স সম্পর্কে কল্পনা করুন। কল্পনা করুন, আপনার প্রায় ডজন খানেক বউ এবং উপপত্নী আছে। আরও কল্পনা করুন, আপনার সবচেয়ে প্রিয় বউটি আপনাকে নিজ হাতে সাজিয়ে অন্য নারীর সাথে সেক্স করতে পাঠাচ্ছে। যদি একে উন্মাতাল সেক্স (Group Sex) না বলা যায় তা’হলে সে জিনিসটি কী? অনুগ্রহপুর্বক স্মরণ রাখবেন, এই উন্মাতাল সময়ে নবীর (দঃ) হেরেমে কমপক্ষে গোটা ন’য়েক বিবি ছিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি বুখারিঃ ভলিউম-১, বুক নং-৫, হাদিস নং-২৭০:&lt;br /&gt;মুহম্মদ বিন আল-মুনতাছির হতে বর্ণিতঃ&lt;br /&gt;তার পিতার সুত্র উল্লেখ করে (তিনি বর্ণনা করেন) যে তিনি আয়েশাকে ইবনে উমরের বর্ণনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন (ইবনে উমরের বর্ণনা এরূপ- যতক্ষন পর্যন্ত তার শরীর হতে আতরের গন্ধ বেরুচ্ছে, ততক্ষন পর্যন্ত তিনি মাহরিম হতে ইচ্ছুক নন)। আয়েশা বলেন- “আমি আল্লাহর রাসুলকে সুগন্ধি লাগিয়ে দিতাম এবং তিনি পর্যায়ক্রমে সকল স্ত্রীর কাছে যেতেন এবং সকলের সাথে (যৌনসঙ্গম করতেন), এবং সকালবেলায় (গোসলের পর) তিনি ছিলেন মাহরিম”।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-৮, হাদিস নং-৩৪৪৫:&lt;br /&gt;আবু বকর বিন আব্দুর রহমান বর্ণনা করেছেন যে রাসুলুল্লাহ (দঃ) উম্মে সালমাকে বিয়ে করলেন এবং তার ঘরে গেলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অতঃপর যখন তিনি সেখান থেকে বের হয়ে আসার উদ্যোগ নিচ্ছিলেন, তখন তিনি (উম্মে সালমা) তার কাপড় আকড়িয়ে ধরলেন। রাসুলুল্লাহ (দঃ) এতে বললেন- যদি তুমি ইচ্ছে করো, আমি তোমার সাথে আরও বেশী সময় থাকতে পারি, সেক্ষেত্রে আমাকে সময় গণনা করতে হবে (অর্থাৎ যে সময়টুকু আমি তোমার সাথে কাটাব, অন্য স্ত্রীদের সাথেও আমাকে ঠিক সেই পরিমাণ সময় কাটাতে হবে)। কুমারি বউয়ের জন্যে এক সপ্তাহ, পুর্ব-বিবাহিতার জন্যে তিন দিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-8701064702722878599?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/8701064702722878599/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2008/12/blog-post_17.html#comment-form' title='3 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8701064702722878599'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8701064702722878599'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2008/12/blog-post_17.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা- ২০'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>3</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-8777739621467441062</id><published>2008-12-15T10:50:00.001+06:00</published><updated>2009-01-12T21:14:56.342+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা- ১৯</title><content type='html'>নিচের হাদিস প্রমাণ করে যে নিজের স্ত্রী হলে বীজটি অতিঅবশ্য তার যোনির অভ্যন্তরে বপন করতে হবে। স্ত্রীর অনুমতি ব্যতীত বীজ বাইরে ফেলা চলবে না। হাজার হলেও স্ত্রীর যোনি হচ্ছে শস্যক্ষেত্র !&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-০০৮, হাদিস নং-৩৩৬৫:&lt;br /&gt;জাবিরের বর্ণনাক্রমে এই হাদিস, যদিও একাধিক বর্ণনাকারী পরম্পরাক্রমে জাবিরের নামে এই হাদিস বর্ণনা করেছেন। তবে জুহরির অথারিটিতে যেটি এসেছে তার মধ্যে অতিরিক্ত (এই কথাগুলি) আছে- “যদি সে ইচ্ছে করে, স্ত্রীর সামনের দিক অথবা পেছনের দিক হতে (সঙ্গম) করতে পারে। তবে ছিদ্রটি হবে অবশ্যই এক (অর্থাৎ পায়ুপথে নয়, যোনিপথে)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-০০৮, হাদিস নং-৩৩৬৪:&lt;br /&gt;জাবির (বিন আব্দুল্লাহ) (রাঃ) বলেছেন যে ইহুদিরা বলত যদি কেউ স্ত্রীর সাথে পেছনের দিক হতে সঙ্গম করে এবং সে (স্ত্রী) গর্ভবতী হয়, শিশুটি  হবে টেরা। সুতরাং (পবিত্র কোরাণের) আয়াত  নাজেল হলো-“তোমাদের স্ত্রীরা হচ্ছে তোমাদের শস্যক্ষেত্র, সুতরাং যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে তা চাষ কর”।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইমাম মালিকের মুয়াত্তা, বুক নং-৩৪, নাম্বার-৪২১০:&lt;br /&gt;আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ হতে বর্ণিতঃ&lt;br /&gt;আল্লাহর রাসুল (দঃ) দশটি জিনিস অপছন্দ করতেন: হলুদ রং করা, শাদা চুল কলপ করা, পোষাকের প্রান্তভাগ মাটি ছুয়ে যাওয়া, স্বর্ণের তৈরী আংটি পড়া, সাজ-সজ্জা করে গায়ের মেহরাম পুরুষের সামনে যাওয়া (বাপ, ছেলে, ভাই ইত্যাদি চৌদ্দপ্রকার সম্পর্ক আছে যাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম, এরুপ সম্পর্কের ইসলামি নাম মেহরাম; এর বাইরে যাবতীয় সম্পর্ক গায়ের মাহরাম, যাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক বৈধ), তাবিজ/কবজ ব্যবহার করা, বীর্যপাতের ঠিক আগ মুহুর্তে যোনির ভেতর হতে লিঙ্গ বের করে আনা - তা সে নিজের স্ত্রী হোক বা অন্য মেয়েলোক হোক (অর্থাৎ উপপত্নী বা যৌনদাসী) এবং এমন মেয়েলোকের সাথে যৌনসঙ্গম করা যে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছে। তবে তিনি এগুলিকে হারাম বলে ঘোষণা করেননি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি মুসলিম, বুক নং-৮, হাদিস নং-৩৩৭৭:&lt;br /&gt;আবু সাইদ আল-খুদরি (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে রাসুলু্ল্লাহর (দঃ) সামনে একবার আজল প্রথার কথা উল্লেখ করা হয়, তিনি বললেন- তোমরা এটি কেন কর? তারা বলল- জনৈক লোক যার স্ত্রী সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ায়, যদি সে তার সাথে(আজল না করে) সঙ্গম করে তবে স্ত্রী গর্ভবতী হয়ে পড়তে পারে যা সে পছন্দ করে না। আরেকজন লোক যার একজন ক্রীতদাসী আছে যার সাথে সে সহবাস করে, কিন্তু সে চায় না যে ক্রীতদাসীটি গর্ভবতী হোক এবং উম্-আওলাদ (সন্তানের জননী) হোক। উত্তরে নবী বলেন- এটি না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই, কারণ তা (সন্তানের জন্ম) পুর্ব নির্ধারিত। ইবনে আউন বলেন-এই হাদিসটি আমি হাসানের সামনে উল্লেখ করলে তিনি বলেন- আল্লাহর কসম, (মনে হয়) যেন এর মধ্যে (আজল প্রথার বিরুদ্ধে) তিরস্কার লুকিয়ে আছে।&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-8777739621467441062?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/8777739621467441062/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2008/12/blog-post_15.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8777739621467441062'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/8777739621467441062'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2008/12/blog-post_15.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা- ১৯'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-467959362370921993</id><published>2008-12-12T10:07:00.000+06:00</published><updated>2009-04-10T01:53:27.059+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আবুল কাশেম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইসলামে যৌনতা'/><title type='text'>ইসলামে কাম ও কামকলা- ১৮</title><content type='html'>মুক্তাসদৃশ এইরুপ আরও গোটাকয়েক হাদিসঃ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-০০৮, হাদিস নং-৩৩৭১:&lt;br /&gt;আবু সিরমা আবুসাইদ আল খাদরিকে (রাঃ) বলেন: হে আবু সাইদ, তুমি কি রাসুলুল্লাহকে (দঃ) ‘আজল’ প্রথা সম্পর্কে বলতে শুনেছ? তিনি বললেন- হ্যা, শুনেছি। আমরা রাসুলুল্লাহর (দঃ) সঙ্গে বি’ল মুস্তালিকের বিরুদ্ধে অভিযানে গিয়েছিলাম। (সেই অভিযানে) কিছু অপুর্ব আরব রমনী আমাদের হস্তগত হয়। বহুদিন যাবৎ স্ত্রীসঙ্গ হতে বঞ্চিত ছিলাম বিধায় আমরা গভীরভাবে তাদের কামনা করছিলাম, সেইসঙ্গে তাদের বিনিময়ে মুক্তিপণ পাওয়ার লোভও ছিল আমাদের। সুতরাং আমরা তাদের সাথে আজল পদ্ধতির মাধ্যমে যৌনসঙ্গম করার সিদ্ধান্ত নেই (মেয়েটি যাতে গর্ভবতী না হয় সেজন্যে বীর্যপাতের ঠিক আগ মুহুর্তে স্ত্রীযোনি হতে পুরুষাঙ্গ বের করে এনে বাইরে বীর্যপাত ঘটানোকে আজল বলে)। কিন্তু আমাদের মনে হলো-আমরা একটি কাজ করতে যাচ্ছি; আল্লাহর রাসুল (দঃ) যখন আমাদের মাঝে আছেন, তখন তার কাছে জিজ্ঞেস করে নেই না কেন? সুতরাং আমরা আল্লাহর রাসুলকে (দঃ) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন- তোমরা এরূপ কর আর না কর, কিছুই এসে যায় না। যে আত্মা জন্মানোর তা জন্মাবেই, পুনরুত্থানের দিন পর্যন্ত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহি মুসলিমঃ বুক নং-০০৮, হাদিস নং-৩৩৭৩:&lt;br /&gt;আবুসাইদ আল খাদরি (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ কিছু যুদ্ধবন্দিনী আমাদের করায়ত্ত হলে আমরা তাদের সাথে (যৌনসঙ্গমকল্পে) আজল পদ্ধতি অবলম্বন করতে চাইলাম। আমরা এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহর (দঃ) কাছে জানতে চাইলে তিনি আমাদের বললেন-&lt;br /&gt;নিশ্চয়ই তোমরা তা করতে পার, নিশ্চয়ই তোমরা তা করতে পার, নিশ্চয়ই তোমরা তা করতে  পার। কিন্তু যে আত্মা জন্মানোর কথা তা জন্মাবেই, হাশরের দিন পর্যন্ত।&lt;br /&gt;এখানে একটি ব্যাপার লক্ষনীয়, প্রতিটি জেহাদিই বীর্যপাতের ঠিক পূর্বক্ষনে স্ব স্ব লিঙ্গটি বের করে আনার জন্যে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুনান আবু দাউদঃ বুক নং-১১, হাদিস নং-২১৬৬:&lt;br /&gt;আবু সাইদ আল-খাদরি হতে বর্ণিতঃ&lt;br /&gt;জনৈক লোক বলল- হে আল্লাহর রাসুল (দঃ), আমার একটি ক্রীতদাসী আছে। (যৌনসঙ্গমকালে) আমি তার কাছ হতে আমার পুরুষাঙ্গটি বের করে আনি, কারণ আমি চাই না যে সে গর্ভবতী হয়ে পড়ুক। অন্যান্য লোকেরা যা করে, আমিও ঠিক তাই করি। ইহুদিরা বলে যে পুরুষাঙ্গ বের করে আনা কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেয়ার মতো। তিনি (নবী) বললেন-ইহুদিরা মিথ্যা বলেছে। যদি আল্লাহ তা সৃষ্টি করতে চান, তুমি ঠেকাতে পার না।&lt;br /&gt;উপরের হাদিসগুলি প্রমান করে যে উপপত্নী এবং ক্রীতদাসীরা যাতে অনাকাঙ্খিত  গর্ভসঞ্চার না করে বসে, সে জন্যে প্রাথমিক যুগের মুসলমানগণ স্ত্রীযোনির বাইরে বীর্যপাত ঘটাত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে এই প্রথা শুধু উপপত্নী এবং যৌনদাসীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, স্ত্রীর ক্ষেত্রে নয়।&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: right;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;অসমাপ্ত&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6178612147470231788-467959362370921993?l=agnisetu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://agnisetu.blogspot.com/feeds/467959362370921993/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2008/12/blog-post.html#comment-form' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/467959362370921993'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/6178612147470231788/posts/default/467959362370921993'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://agnisetu.blogspot.com/2008/12/blog-post.html' title='ইসলামে কাম ও কামকলা- ১৮'/><author><name>Agni</name><uri>http://www.blogger.com/profile/10502317807892703233</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='http://1.bp.blogspot.com/_Z67PiWC0PLY/SMQaoPaOOkI/AAAAAAAAAGc/jgXGmZfqt8E/S220/371.png'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-6178612147470231788.post-417395229908051030</id><published>2008-11-28T19:11:00.009+06:00</published><updated>2008-11-28T23:41:48.509+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অগ্নি বই'/><title type='text'>রানা ফারুকের সৌজন্যে প্রাপ্ত মুক্তচিন্তার কিছু বইয়ের তালিকা</title><content type='html'>মুক্তমনায় &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;রানা ফারুক&lt;/span&gt; কিছু প্রগতিশীল মুক্তচিন্তার বইয়ের খোঁজ জানতে চেয়েছেন। সে উপলক্ষে অনেকে একাধিক বইয়ের নাম দিয়েছেন। বইগুলোর তালিকাটি নিম্নরূপ:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;# অভিজিৎ&lt;/span&gt; এর মতে:&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/alo_hate/jatree.pdf"&gt;আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী&lt;/a&gt; (ডাউনলোডযোগ্য পিডিএফ ফাইল)&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/alo_hate/jatree.pdf"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/life/index.htm"&gt;‘মহাবিশ্বে প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তার খোঁজে’&lt;/a&gt; (ডাউনলোডযোগ্য পিডিএফ ফাইল, ৯টি অধ্যায়)&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/alo_hate/jatree.pdf"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/bonna/book/index.htm"&gt;‘বিবর্তনের পথ ধরে’&lt;/a&gt;- বন্যা আহমেদ(ডাউনলোডযোগ্য পিডিএফ ফাইল, ১১টি অধ্যায়, রঙিন ছবিসহ)&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/alo_hate/jatree.pdf"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="font-weight: bold;"&gt;ইংরেজি বই&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Dan Barker এর &lt;a href="http://www.ffrf.org/books/lfif/"&gt;Losing Faith in Faith: From Preacher to Atheist&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://richarddawkins.net/"&gt;রিচার্ড ডকিন্সে&lt;/a&gt;র The God Delusion&lt;/li&gt;&lt;li&gt;David Mills এর &lt;a href="http://davidmills.net/"&gt;Atheist Universe&lt;/a&gt; (বইটির কিছু অংশ &lt;a href="http://davidmills.net/Atheist-Universe-Excerpt.pdf"&gt;ডাউনলোড করুন&lt;/a&gt;, পিডিএফ)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.hitchensweb.com/"&gt;Christopher Hitchens&lt;/a&gt; এর God Is Not Great&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.samharris.org/"&gt;স্যাম হ্যারিসের&lt;/a&gt; Letter to a Christian Nation, এবং The End of Faith&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ভিক্টর স্টেঙ্গরের &lt;a href="http://www.colorado.edu/philosophy/vstenger/"&gt;God: The Failed Hypothesis&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ইবনে ওয়ারাকের Why I Am Not a Muslim এবং Leaving Islam: Apostates Speak Out&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;# রফিক &lt;/span&gt;বেশ কিছু ব্লগ ও ওয়েব সাইটের নাম দিয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;  &lt;p&gt;&lt;strong&gt;অগ্নিসেতুর সাইট&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://agnisetu.blogspot.com/" rel="nofollow"&gt;http://agnisetu.blogspot.com/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/agni/index.htm" rel="nofollow"&gt;http://www.mukto-mona.com/Articles/agni/index.htm&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt; &lt;p&gt;&lt;strong&gt;নাস্তিকের ধর্মকথা&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://nastikerdharmakatha.blogspot.com/" rel="nofollow"&gt;http://nastikerdharmakatha.blogspot.com/&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt; &lt;p&gt;&lt;strong&gt;দিগন্তের ব্লগ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.sachalayatan.com/user/diganta" rel="nofollow"&gt;http://www.sachalayatan.com/user/diganta&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/diganta_sarkar/index.htm" rel="nofollow"&gt;http://www.mukto-mona.com/Articles/diganta_sarkar/index.htm&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt; &lt;p&gt;&lt;strong&gt;শিক্ষানবিসের ব্লগ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://bigganpuri.wordpress.com/" rel="nofollow"&gt;http://bigganpuri.wordpress.com/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/shikkhanobish/index.htm" rel="nofollow"&gt;http://www.mukto-mona.com/Articles/shikkhanobish/index.htm&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt; &lt;p&gt;&lt;strong&gt;দীক্ষক দ্রাবিড়ের ব্লগ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/Dravirblog" rel="nofollow"&gt;http://www.somewhereinblog.net/blog/Dravirblog&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/Dikkhak_Dravir/index.htm" rel="nofollow"&gt;http://www.mukto-mona.com/Articles/Dikkhak_Dravir/index.htm&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt; &lt;p&gt;&lt;strong&gt;আবুল কাশেম&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://islam-watch.org/AbulKasem/" rel="nofollow"&gt;http://islam-watch.org/AbulKasem/&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt; &lt;p&gt;&lt;strong&gt;প্রফেট অব ডুম&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.prophetofdoom.net/" rel="nofollow"&gt;http://www.prophetofdoom.net/&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt; &lt;p&gt;&lt;strong&gt;ফেইথ ফ্রিডম&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.faithfreedom.org/" rel="nofollow"&gt;http://www.faithfreedom.org/&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt; &lt;p&gt;&lt;strong&gt;ইসলাম ওয়াচ&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.islam-watch.org/" rel="nofollow"&gt;http://www.islam-watch.org/&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt; &lt;p&gt;&lt;strong&gt;হোমা দারাবী ফাউন্ডেশন&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.homa.org/" rel="nofollow"&gt;http://www.homa.org/&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt; &lt;p&gt;&lt;strong&gt;এক্স মুসলিম&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://exmuslim.com/" rel="nofollow"&gt;http://exmuslim.com/&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;p&gt;&lt;strong&gt;এপোস্টেট অব ইসলাম&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://apostatesofislam.com/" rel="nofollow"&gt;http://apostatesofislam.com/&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;# নাস্তিকের ধর্মকথা&lt;/span&gt; দিয়েছেন বেশ কটি লেখার লিংক। প্রথমে তিনি নিজের কয়েকটি লেখার কথা বলেছেন।&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/nastiker_dharmakatha/god_and_science.htm" rel="nofollow"&gt;ঈশ্বর ও বিজ্ঞান - “আছে” ও “নাই” প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/nastiker_dharmakatha/bishwas.htm" rel="nofollow"&gt;বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর…&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/project/Biggan_dhormo2008/chap4/science_in_religionNastikerDharmo.pdf" rel="nofollow"&gt;ধর্মে বিজ্ঞান - নিম গাছে আমের সন্ধান&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/project/Biggan_dhormo2008/chap7/rashadkhalifa_nastiker_Dhormo.pdf" rel="nofollow"&gt;ডিম্বের সন্ধান এবং রাশাদ খলীফা ও তার ম্যাথামিটিকাল মিরাকল অব কোরান তত্ত্ব&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/nastiker_dharmakatha/marriages_of_muhammad.pdf" rel="nofollow"&gt;নবীজী মুহাম্মদ (সাঃ) এর বিয়ে সমূহ এবং কিছু প্রশ্ন&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/nastiker_dharmakatha/hoors.pdf" rel="nofollow"&gt;জান্নাতবাসীর পুরস্কার - ‘হুর’দের নিয়ে কিছু কথা&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;      &lt;p&gt;নাস্তিকের ধর্মকথা আরও কয়েকটি লেখাকে পাঠপ্রয়োজনীয় বলে প্রস্তাব করেছেন। লেখাগুলো হলো:&lt;/p&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/project/Biggan_dhormo2008/chap4/Bigganmoy_kitab_avijit.pdf" rel="nofollow"&gt;বিজ্ঞানময় কিতাব&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/project/Biggan_dhormo2008/chap4/Geeta_ananta.pdf" rel="nofollow"&gt;ভগবদ্গীতায় বিজ্ঞান অন্বেষন এবং অন্যান্য প্রসংগ&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/project/Biggan_dhormo2008/chap4/opobiggan_jahed.pdf" rel="nofollow"&gt;বিজ্ঞান, ধর্ম এবং অপবিজ্ঞান - কোথায় টানব সীমারেখা&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/project/Biggan_dhormo2008/chap5/nastikota_myth_Sam_Haris.pdf" rel="nofollow"&gt;নাস্তিকতা নিয়ে কিছু ভুল ধারণা&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;# অনন্ত বিজয় দাশ &lt;/span&gt;কয়েকটি প্রাথমিক স্তরের পাঠকের উপযোগী বাংলা বই বলেছেন। তাঁর মতে এই বইগুলো "একজন মানুষের মনে বা চিন্তায় সংশয়, যুক্তির দৃঢ়তা আনয়ণে, বিজ্ঞানমনস্ক দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।" অনন্ত বিজয় দাশের প্রস্তাবিত বইগুলো হলো:-&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;প্রবীর ঘোষ- ‘অলৌকিক নয় লৌকিক’ (১ম থেকে ৫ম খণ্ড)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;প্রবীর ঘোষ- ‘আমি কেন ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;প্রবীর ঘোষ- ‘যুক্তিবাদীর চ্যালেঞ্জাররা’ (১ম-২য় খণ্ড)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    প্রবীর ঘোষের সম্পাদিত গ্রন্থ ‘যুক্তিবাদীদের চোখে ধর্ম’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    প্রবীর ঘোষ ও ওয়াহিদ রেজার যৌথভাবে সম্পাদিত ‘দুই বাংলার যুক্তিবাদীদের চোখে ধর্ম’।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    ভবানীপ্রসাদ সাহুর- ‘ধর্মের উৎস সন্ধানে’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    ভবানীপ্রসাদ সাহুর- ‘মৌলবাদের উৎস সন্ধানে’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    ভবানীপ্রসাদ সাহুর- ‘অধার্মিকের ধর্মকথা’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    ভবানীপ্রসাদ সাহুর-‘আস্তিক-নাস্তিক’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    সুকুমারী ভট্টাচার্যের ‘প্রাচীন ভারত নারী ও সমাজ’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    সুকুমারী ভট্টাচার্যের ‘প্রাচীন ভারত সমাজ ও সাহিত্য’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    সুকুমারী ভট্টাচার্যের ‘হিন্দু সাম্প্রদায়িকতা’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    বার্ট্রান্ড রাসেলের- গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ ‘কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    বার্ট্রান্ড রাসেলের- ‘ধর্ম ও বিজ্ঞান’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    বার্ট্রান্ড রাসেলের- ‘বিবাহ ও নৈতিকতা’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    জয়ান্তানুজ বন্দোপাধ্যায়ের- ‘ধর্মের ভবিষ্যৎ’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    জয়ান্তানুজ বন্দোপাধ্যায়ের- ‘মহাকাব্য ও মৌলবাদ’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    জয়ান্তানুজ বন্দোপাধ্যায়ের- ‘সমাজবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ভগবদ্গীতা’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    জয়ান্তানুজ বন্দোপাধ্যায়ের- ‘গণতন্ত্র, ধর্ম ও রাজনীতি’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    শফিকুর রহমানের- ‘পার্থিব জগৎ’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    শফিকুর রহমানের- ‘হিউম্যানিজম’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    শফিকুর রহমানের- ‘গোলাম আজমের ইসলাম নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদ’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    মনিরুল ইসলামের ‘বিজ্ঞানের মৌলবাদী ব্যবহার’ (ক্যাথার্সিস পাবলিশিং, ঢাকা, ২০০৮)।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ- ‘নারী’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ- ‘আমার অবিশ্বাস’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    শিবনারায়ণ রায়- ‘প্রবন্ধ সংগ্রহ’ (১ম ও ২য় খণ্ড)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    শিবনারায়ণ রায়- ‘মূঢ়তা থেকে মানবতন্ত্রে’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    শিবনারায়ণ রায়- ‘নজরুল থেকে তসলিমা : বিবেকী বিদ্রোহের পরম্পরা’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    বেনজীন খানের ‘দ্বন্দ্বে ও দ্বৈরথে’,&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    সলমান রুশদিদের 'সেফ হ্যাভেন ও একজন সম্মানিত বিবেক’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    ‘পশু কোরবানি ও একটি বিকল্প প্রস্তাব’ (সম্পাদিত), ‘প্রকাশিত গদ্য’।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    রাহুল সাংকৃত্যায়ন- ‘তোমার ক্ষয়’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    রাহুল সাংকৃত্যায়ন-‘দর্শন দিগ্দর্শন’ (১ম ও ২য় খণ্ড)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    রাহুল সাংকৃত্যায়ন- ‘বৌদ্ধ দর্শন’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    রাহুল সাংকৃত্যায়ন- ‘বৈজ্ঞানিক বস্তুবাদ’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়- ‘লোকায়ত দর্শন’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়- ‘প্রাচীন ভারতে বস্তুবাদ প্রসঙ্গে’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    কাজী আব্দুল ওদুদের ‘প্রবন্ধ সংগ্রহ’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    আবুল হুসেনের ‘প্রবন্ধ সংগ্রহ’&lt;/li&gt;&lt;li&gt;    শামসুল হকের ‘নারীকোষ’&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;অনন্ত বিজয় দাশ এই বইগুলো ছাড়াও আরজ আলী মাতুব্বর, ড. আহমদ শরীফ প্রমুখের লেখা বইগুলির নাম প্রস্তাব করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;p&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;# মামুন &lt;/span&gt;এর মতে- "বন্যা আহমেদের লেখা  &lt;span style="text-decoration: underline;"&gt;'&lt;/span&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/Articles/bonna/book/index.htm"&gt;বিবর্তনের পথ ধরে'&lt;/a&gt; বইটি পড়লে জীবন, জগত, দর্শন, বিজ্ঞান, মহাবিশ্ব এক কথায় একসাথে অনেক কিছু জানা যাবে। জীবনকে বোঝার জন্য এ এক মহাদলিল"।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;# &lt;/span&gt;এগুলো ছাড়াও রয়েছে সিলেট থেকে প্রকাশিত পত্রিকা &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;যুক্তি&lt;/span&gt;। এ পর্যন্ত যুক্তি পত্রিকার মাত্র ২টি সংখ্যা বের হয়েছে। দুটো সংখ্যাই মুক্তমনা সাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে।&lt;/p&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/project/2007books/yukti/index.htm"&gt;যুক্তি ১&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/project/yukti/2nd_issue/index.htm"&gt;যুক্তি ২&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;মুক্তচিন্তার সহায়ক বইগুলোর মধ্যে আর একটি হলো ঢাকা থেকে প্রকাশিত &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মুক্তান্বেষা&lt;/span&gt; ম্যাগাজিন। এ পর্যন্ত এই পত্রিকার তিনটি সংখ্যা বের হয়েছে।&lt;br /&gt;মুক্তমনায় মুক্তান্বেষা পত্রিকার লিংকগুলো হলো:-&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/project/muktanwesa/1st_issue/index.htm"&gt;মুক্তান্বেষা ১&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/project/muktanwesa/2nd_issue/index.htm"&gt;মুক্তান্বেষা ২&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.mukto-mona.com/project/muktanwesa/3rd_issue/Muktannesha_2yr_v
