আসুন, উপরোক্ত ইসলামী নিয়মটিকে আরেকটু বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করে দেখি। ধরে নিন, অলৌকিক কোন ক্ষমতাবলে ইসলামী সেনাবাহিনী যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং অন্যসমস্ত কাফের মুলুকগুলি দখল করে নিল। পরাজিত কাফের পুরুষদের প্রতি মুসলমানরা কী আচরণ করবে? যুদ্ধবন্দী হিসেবে যেসব সুন্দরী তরুনী তাদের অধিকারে আসল, তাদের সাথেই বা ইসলামের সৈনিকেরা কোন্ আচরণ করবে? আপনি কি মনে করেন যে তারা বন্দী/বন্দিনীদের সাথে জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী আচরণ করবে? যদি সেরকম ভেবে থাকেন, তবে আপনি একটি বদ্ধ উন্মাদ। উপরোক্ত মোল্লা যা বলেছেন, ইসলামী সৈনিকেরা ঠিক তেমনটিই করবে। সমস্ত পুরুষ বন্দীদেরকে তারা দাস হিসেবে বেচে দেবে, মেয়েগুলিকে যৌনদাসী হিসেবে নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নেবে। বৃদ্ধা বন্দিনীদেরকে খুব সম্ভবত হত্যা করা হবে, কারণ অনর্থক বোঝা বাড়ানো কোন কালেই কাজের কথা বলে বিবেচনা করা হয় না। আরেকটি কাজ করতে পারে ইসলামের সৈনিকেরা। গ্রেট শয়তানটিকে আরেকটু শায়েস্তা করতে জিহাদিরা বন্দী পুরুষদের সামনেই তাদের স্ত্রীদের উপর সওয়ার হতে পারে। স্বামীর সামনে স্ত্রীকে ধর্ষণ করার মজাই আলাদা।
আপনি হয়তো ভাবছেন, এ আমার আকাশকুসুম কল্পনা, একবিংশ শতাব্দীতে এরকম কী করে হয়? হয় পাঠক, এখনও তা হয়। আপনার আমার জন্যে না হলেও ইসলামপন্থীদের জন্যে হয়। মানসিকভাবে তারা এখনও দেড়হাজার বছর আগেকার সেই সোনালি যুগেই পড়ে আছে। সেই যুগকে ফিরিয়ে আনতে দেশে দেশে অজস্র জিহাদির জন্ম দিচ্ছে তারা। মাত্র তিরিশ বছর আগের কথা স্মরণ করুন, একাত্তরের বাংলাদেশের কথা। পাকিস্তানের ইসলামী সেনাবাহিনী বাংলাদেশে ঠিক ইসলামী নিয়মটিই চালু করেছিল সেদিন। তারা প্রায় তিরিশ লক্ষ বাঙালি পুরুষকে হত্যা করেছিল, কারণ তাদের ভাষায় তারা ছিল কাফের অথবা নিম্-মুসলমান। আড়াই লক্ষ বাঙালি নারীকে তারা উপপত্নী হিসেবে বন্দী করেছিল। মালে গণীমৎ টাইটেল দিয়ে তাদেরকে ধর্ষণ করেছিল, ঘরের ভেতর হতে ধর্ষিতার আকুল ক্রন্দন যখন আকাশ বাতাস পরিপ্লাবিত করে দিচ্ছিল, পাশের ঝোপে পালিয়ে থাকা তার অসহায় পুরুষটির কর্ণে সেই ক্রন্দনধ্বনি যে পৌছায়নি, তা আপনি কী করে ভাবলেন? অতিসম্প্রতি তালেবান অধ্যুষিত আফগানিস্তানেও ঠিক একই ধরণের ঘটনা ঘটেছে বলে বহু রিপোর্ট এসেছে। যারাই তালেবানদের বিরোধীতা করেছে, তাদের মেয়েদের উপর নেমে এসেছে ধর্ষণ ও নির্যাতন। যদি প্রশ্ন করা হয় যে, এইসব জিহাদীরা কি ইসলামের নিয়মের বাইরে কোনকিছু করেছে? ইসলামের বিধান মোতাবেক ধর্ষণকারী এইসব জিহাদিদের কি কোন শাস্তির আওতায় আনা যায়? এই প্রশ্নের একটিমাত্র জবাব- ‘না’। সুতরাং এরূপ সিদ্ধান্ত টানা কি অন্যায় হবে যে দেশকাল নির্বিশেষে যুদ্ধবন্দিনীদের উপর যৌননির্যাতনের এই যে কালচার জিহাদিরা প্রতিপালন করে আসছে, এর পেছনে যে প্রেরণাদায়ীনি শক্তি তার নাম হচ্ছে ইসলাম? এই কিছুদিন আগেও ইরানে কী ঘটল? ব্যভিচার ও ধর্মদ্রোহীতার অপরাধে এক মেয়েকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হলো। মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার আগে তার সেলে এক ইসলামী গার্ডকে ঢুকিয়ে দেয়া হলো মেয়েটিকে পুনঃপৌনিকভাবে ধর্ষণ করার জন্যে! আহ্। একজন কাফের বন্দিনীর সাথে কী মহান ইসলামী আচরণ! বেটী তো দোজখেই যাবে, যাওয়ার আগে একটু ইসলামী সেক্সের স্বাদ শরীরে বহন করে নিয়ে যাক। পাঠক, ভুলে যাবেন না- ইরানে এখন ইসলামের রক্ষকরা ক্ষমতায়। সেখানে যা কিছু ঘটে, মহান ইসলামী আইন বাস্তবায়ন করতেই ঘটে। সুতরাং কীভাবে বলবেন যে দেড়হাজার বছরের পুরোনো যুদ্ধবন্দীসংক্রান্ত আইনগুলো এখন আর কার্যকরী নয়?
অসমাপ্ত
September 7, 2010
Subscribe to:
Post Comments (Atom)



2 comments:
কি ভয়ানক! ইসলাম যে এতটাই ভয়ংকর ধর্ম, তা তো জানা ছিল না। ছি! ছি! কোন ধর্মের মানসিকতা এমন হতে পারে?
Nice job. Keep it up.
Post a Comment